দীর্ঘ বিরতির পর ছোটপর্দায় ফিরছেন শ্রুতি দাস, স্বামী স্বর্ণেন্দুর উচ্ছ্বাসে ভক্তরা

শ্রুতি দাস দীর্ঘ বিরতির পর ছোটপর্দায় ফিরছেন ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকে, স্বামী স্বর্ণেন্দুর প্রশংসায় উজ্জীবিত হয়ে তাঁর লড়াই ও প্রত্যাবর্তনের গল্পে দর্শকের আগ্রহ তুঙ্গে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষবার ছোটপর্দায় অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাস (Shruti Das)-কে। এরপর তাঁকে দর্শক মূলত বড়পর্দার সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ়ে অভিনয় করতে দেখেছেন। এর মধ্যে ‘ডাইনি’ সিরিজ়ে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। পাশাপাশি ‘আমার বস’ সিনেমায় তাঁর চরিত্র অভিনয় দর্শকের কাছে প্রশংসা পায়। সম্প্রতি তিনি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন, যা নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে।

তবে এই কয়েক বছরে তাঁর ক্যারিয়ারে এক ধরনের বিরতি এসেছিল। এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই জানান, “বছরে খুব কম দিন শুটিং সেটে যেতে পেরেছি।” কাজের ফাঁকে নিজেকে সামলে এগিয়ে যাওয়া এবং অপেক্ষার এই সময় সহজ ছিল না। তবুও তিনি ধৈর্য নিয়ে পথ চলেছেন। অবশেষে তিনি ছোটপর্দায় ফিরে আসছেন। ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে তাঁর পুনরাগমন ঘটছে। দুই বোনের আবেগঘন গল্প নিয়ে তৈরি এই ধারাবাহিকে শ্রুতিকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় দেখা যাবে।

প্রায় দু’বছর পর ছোটপর্দায় ফিরে আসার খবরে তাঁর স্বামী ও পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার গভীর আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ত্রীর লড়াইয়ের প্রশংসা করে লেখেন,
“কোনও কিছু নিয়ে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়া কাকে বলে সেটা তোমাকে আলাদাভাবে বলার প্রয়োজন নেই। ফিরে আসা সবসময়ই আনন্দের। লড়াইয়ের মধ্যে একটা আলাদা উত্তেজনা ও শক্তি আছে। এই সংগ্রামের কথা তুমি নিজেই সবচেয়ে ভালো জানো। নিশার লড়াইটা আরও কঠিন হোক, তবুও এগিয়ে যাও।”

স্বর্ণেন্দুর এই পোস্টে ভক্তরা শ্রুতির দৃঢ়তা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করছেন। তাঁর এই ফিরে আসা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

বড়পর্দা ও ওয়েব সিরিজ়ে শ্রুতির সাফল্য

ছোটপর্দায় বিরতির সময় শ্রুতি দাস থেমে থাকেননি। তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে গেছেন বড়পর্দা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। প্রথমবার ‘ডাইনি’ সিরিজ়ে তাঁর অভিনয় দর্শকের নজরে আসে। তাঁর চরিত্রের গভীরতা এবং সংযমী অভিনয় তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। এরপর ‘আমার বস’ ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়—বিশেষত তাঁর চরিত্রের আবেগময় দিক এবং বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলার জন্য।

এরপর তিনি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’-এর শুটিং সম্পন্ন করেন। এই সিনেমায় তাঁর অভিনয় নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবং সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় দর্শকের সংখ্যা বাড়ছে। ধারাবাহিকভাবে নতুন প্ল্যাটফর্মে নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাওয়ায় শ্রুতি দাস শিল্পের এক উদীয়মান মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন।

‘জোয়ার ভাঁটা’: নতুন অধ্যায়

ছোটপর্দায় ফিরে আসা শ্রুতি দাসের জন্য শুধু একটি প্রকল্প নয়—এটি তাঁর দীর্ঘ লড়াইয়ের পর স্বীকৃতির নতুন দরজা। ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকে দুই বোনের সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভালোবাসা, দ্বন্দ্ব ও আত্মপরিচয়ের গল্প তুলে ধরা হবে। ধারাবাহিকটি নির্মিত হচ্ছে আধুনিক দর্শকের রুচি মাথায় রেখে।

শ্রুতি নিজে এই প্রকল্পকে তাঁর ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বলে মনে করেন। ভক্তরা তাঁর ফিরে আসায় উচ্ছ্বসিত এবং ধারাবাহিকের গল্পের অপেক্ষায় রয়েছেন।

ব্যক্তিজীবনের পাশে দাঁড়ানো স্বর্ণেন্দু

শ্রুতি দাসের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর স্বামী স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার, যিনি নিজেও একজন দক্ষ পরিচালক। দীর্ঘ বিরতির সময় শ্রুতির ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং সংগ্রাম তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টে স্ত্রীকে নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন এবং জানান, কঠিন পরিস্থিতিতেও ফিরে আসার সাহসই আসল শক্তি।

এই সম্পর্কের গভীরতা এবং পারস্পরিক সমর্থন শ্রুতির ক্যারিয়ারের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস। অনেক দর্শক তাঁদের এই সম্পর্কের প্রশংসা করছেন এবং তা তাঁদের কাছে আদর্শ দাম্পত্যের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছেন।

ধৈর্য ও লড়াইয়ের গল্প

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষবার ছোটপর্দায় দেখা গিয়েছিল শ্রুতি দাসকে। এরপর তিনি বড়পর্দা ও ওয়েব সিরিজ়ে অভিনয় করে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেন। প্রায় দু’বছর কাজের বিরতির মধ্যেও তিনি আত্মবিশ্বাস বজায় রাখেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবশেষে তিনি ছোটপর্দায় ফিরেছেন। এই সময়ে তাঁর ধৈর্য, লড়াই এবং প্রত্যাবর্তনের গল্প শিল্পমহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধারাবাহিক শিল্পে প্রতিযোগিতা এবং অনিশ্চয়তা অনেক, তবুও শ্রুতি দাস নিজের দক্ষতা ও ধৈর্যের মাধ্যমে নতুন করে ফিরে আসার পথ তৈরি করেছেন। এই উদাহরণ নবীন শিল্পীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।

প্রকাশ্যে ‘চোখের নীলে’: আবির-মিমির রোম্যান্টিক কেমিস্ট্রি মাতাল নেটদুনিয়া

থাইল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে মিমি চক্রবর্তীর নীল বিকিনি লুক আর আবির চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রোম্যান্সে মাতলো ‘রক্তবীজ ২’। প্রকাশ্যে এলো নতুন গান ‘চোখের নীলে’

রক্তবীজ ২: অ্যাকশন থেকে রোম্যান্সের ঝলক

টলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘রক্তবীজ ২’ প্রথম থেকেই আলোচনায়। মূল ছবির মতোই এই সিক্যুয়েলে থাকবে দমদার অ্যাকশন, থ্রিলার, রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আর আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমনের গল্প। কিন্তু এবার পরিচালকদ্বয় নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দর্শকদের চমকে দিয়েছেন ভিন্ন এক উপাদানে—রোম্যান্স।

সন্ত্রাসবাদী মুনিরকে ধরতে গিয়ে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী সংযুক্তা ও পঙ্কজ হাত মিলিয়েছিলেন। অ্যাকশনের এই তীব্র আবহেই এবার নতুন মোড়—প্রকাশ্যে এলো ছবির গান ‘চোখের নীলে’, যেখানে বন্দুক নামিয়ে রোম্যান্সে মত্ত হয়েছেন দুই পুলিশ অফিসার।


থাইল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে গ্ল্যামারাস মিমি চক্রবর্তী

গানটির শুটিং হয়েছে থাইল্যান্ডের মনোরম সৈকতে। ঢেউয়ের শব্দ, নীল সমুদ্র আর তার মাঝখানে আবির চট্টোপাধ্যায় ও মিমি চক্রবর্তীর রোম্যান্টিক মুহূর্ত। মিমির নীল বিকিনি লুক ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

গানের ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অনুরাগীদের মধ্যে চর্চা শুরু। কেউ লিখেছেন,
“বলিউডে দীপিকা বা কিয়ারা আছেন, টলিউডে আছেন মিমি।”
আবার কেউ মিমির এই নতুন অবতারের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, টলিউড এখন গ্ল্যামার ও কনটেন্ট—দুটোতেই বলিউডকে টক্কর দিচ্ছে।


আবির-মিমির রসায়ন: দর্শকদের জন্য নতুন চমক

মিমি চক্রবর্তী ও আবির চট্টোপাধ্যায় টলিউডের জনপ্রিয় জুটি। তবে এতটা গ্ল্যামারাস পরিবেশে তাঁদের রোম্যান্টিক দৃশ্য আগে দেখা যায়নি। ‘চোখের নীলে’ গানেই মিলেছে নতুন কেমিস্ট্রি।

গানের লিরিক্স, মিউজিক এবং ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন একেবারেই ফিল্মি কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের। থাইল্যান্ডের সৈকতের প্রেক্ষাপটে শুট হওয়া এই গানটিকে ঘিরেই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় উন্মাদনা তুঙ্গে।


একের পর এক হিট গান: রক্তবীজ ২-এর মিউজিক্যাল যাত্রা

উইন্ডোজ প্রোডাকশন বরাবরই কনটেন্ট-ড্রিভেন সিনেমার জন্য পরিচিত। তবে ‘রক্তবীজ ২’ প্রমাণ করেছে, তাঁরা গানে সমান দক্ষ। একে একে মুক্তি পাওয়া গানগুলো ইতিমধ্যেই হিট।

  • ‘ও বাবুর মা’ – দুই বাংলার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বানানো গানটি মুক্তির পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
  • ‘অর্ডার ছাড়া বর্ডার ক্রস করতে যেও না’ – নুসরত জাহানের আইটেম নাম্বার ইতিমধ্যেই চার্টবাস্টার। দর্শকরা গানটির তালে নেচে উঠেছেন।
  • ‘দিওয়ানা বানাইসেন’ – অঙ্কুশ হাজরা ও কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের রোম্যান্টিক ডুয়েট, যা দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে।

এই ধারাবাহিকতায় এবার মুক্তি পেল ‘চোখের নীলে’—যা নিঃসন্দেহে সিনেমার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।


দর্শকদের প্রতিক্রিয়া

গান প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং শুরু হয়। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব সর্বত্রই ভেসে যাচ্ছে মিমির বিকিনি লুক ও আবিরের সঙ্গে রোম্যান্টিক দৃশ্যের স্ক্রিনশট।

এক অনুরাগীর মন্তব্য:
“রক্তবীজ ২ শুধু অ্যাকশন থ্রিলার নয়, এবার পুজোয় রোম্যান্টিক এন্টারটেইনমেন্টও দেবে।”

আরেকজন লিখেছেন:
“মিমির এই রূপ আগে দেখিনি। এবার বক্স অফিস কাঁপাবে।”


পুজোর বক্স অফিসে প্রত্যাশা

দর্শকদের আগ্রহ ও প্রতিক্রিয়া দেখে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট, ‘রক্তবীজ ২’ এই বছরের দুর্গাপুজোর অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে।

টলিউডে সাধারণত পুজোতেই মুক্তি পায় বড় বাজেটের ছবি। এবার আবির-মিমি জুটির রোম্যান্স, নুসরতের আইটেম গান, অঙ্কুশ-কৌশানীর ডুয়েট—সব মিলিয়ে ছবিটি বক্স অফিসে নিশ্চিত হিট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।


মিমির ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায়?

মিমি চক্রবর্তী রাজনৈতিক জীবন ও অভিনয় একসঙ্গে সামলাচ্ছেন। কিন্তু ‘চোখের নীলে’ গানের পর অনেকেই বলছেন, তাঁর গ্ল্যামার ও স্ক্রিন প্রেজেন্স বলিউড ডিভাদের মতোই।

টলিউডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। কিন্তু এই গানের ঝলক দেখে মনে হচ্ছে, মিমি এবার আরও বড় প্ল্যাটফর্মের জন্য প্রস্তুত।


আবিরের ভিন্ন লুক

অন্যদিকে আবির চট্টোপাধ্যায়কে এতটা রোম্যান্টিক ও স্টাইলিশ লুকে খুব একটা দেখা যায়নি। সাধারণত তিনি সিরিয়াস চরিত্রে বেশি অভিনয় করেন। ‘চোখের নীলে’ গানেই মিলেছে তাঁর এক নতুন রূপ—যেখানে প্রেমিক আবির অনায়াসেই দর্শকদের মন জয় করেছেন।


অ্যাকশন, থ্রিলার, সাসপেন্স—সব কিছু মিলিয়ে ‘রক্তবীজ ২’ এবারের দুর্গাপুজোয় দর্শকদের উপহার দেবে ভিন্ন স্বাদের এক সিনেমা। কিন্তু সবকিছুর মাঝে ‘চোখের নীলে’ গানটি প্রমাণ করেছে, শুধু বন্দুকবাজি নয়, আবির-মিমির রোম্যান্টিক রসায়নই ছবির বড় আকর্ষণ হয়ে উঠছে।

দর্শকদের উন্মাদনা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ‘রক্তবীজ ২’ পুজোর বক্স অফিসে দাপট দেখাবে।

করিশ্মা কপূরের সন্তানদের মামলা: সঞ্জয় কপূরের ৩০,০০০ কোটির সম্পত্তি বিতর্ক

সঞ্জয় কপূরের মৃত্যুর পর তাঁর বিশাল সম্পত্তি নিয়ে পরিবারে তীব্র দ্বন্দ্ব। করিশ্মা কপূরের সন্তান সামাইরা ও কিয়ান দিল্লি হাই কোর্টে প্রিয়া সচদেবের বিরুদ্ধে মামলা করলেন।

হঠাৎ মৃত্যু ও বিতর্কের সূচনা

বলিউড অভিনেত্রী করিশ্মা কপূরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কপূর জুন মাসে আকস্মিকভাবে মারা যান। গলায় মৌমাছি আটকে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। মৃত্যুর সময় তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী প্রিয়া সচদেবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন। তাঁদেরও একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

তবে প্রিয়ার আগেই সঞ্জয়ের প্রথম স্ত্রী ছিলেন করিশ্মা কপূর, যাঁর সঙ্গে দীর্ঘদিন সংসার করেছিলেন এই শিল্পপতি। আর তাই তাঁর মৃত্যুর পরই শুরু হয় পারিবারিক উত্তরাধিকার নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব।


করিশ্মার সন্তানদের অভিযোগ

সম্প্রতি সঞ্জয় কপূরের প্রথম সংসারের সন্তান সামাইরা কপূরকিয়ান রাজ কপূর দিল্লি হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী—

  • প্রিয়া সচদেব নাকি সঞ্জয়ের গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র জাল করেছেন
  • উদ্দেশ্য ছিল বিশাল সম্পত্তির একক দখল নেওয়া।

তবে সামাইরা ও কিয়ান দাবি করছেন, তাঁরাও বাবার বৈধ উত্তরাধিকারী। তাই সম্পত্তির ন্যায্য ভাগের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।


সঞ্জয়ের মায়ের সন্দেহ

এখানেই শেষ নয়। প্রয়াত সঞ্জয়ের মা রানি কপূর স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর ছেলের মৃত্যু স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে গভীর ষড়যন্ত্র

তাঁর আশঙ্কা, সম্পত্তি দখলের লড়াইয়ের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে সঞ্জয়ের অকাল মৃত্যু।


প্রিয়ার পদবি পরিবর্তন ঘিরে চাঞ্চল্য

সম্পত্তি বিতর্ক যখন চরমে, তখনই প্রিয়া সচদেব পদক্ষেপ নেন। এত দিন তিনি নিজেকে প্রিয়া সচদেব নামেই পরিচয় দিতেন। কখনও কখনও স্বামীর পদবি ব্যবহার করলেও সেটি নিয়মিত ছিল না।

কিন্তু উত্তরাধিকার নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হতেই তিনি হঠাৎ নিজের নাম বদলে নেন—‘প্রিয়া সঞ্জয় কপূর।’ আর এই পরিবর্তনের পর থেকেই পারিবারিক অশান্তি আরও তীব্র আকার নেয়।


করিশ্মার অবস্থান

কিছু দিন আগে শোনা গিয়েছিল, করিশ্মা কপূরও সন্তানের স্বার্থে সঞ্জয়ের বিপুল সম্পত্তিতে অংশীদারির দাবি তুলেছেন। অর্থাৎ, এই উত্তরাধিকার লড়াইয়ে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছেন তাঁর দুই সন্তানও।


সঞ্জয় কপূরের আকস্মিক মৃত্যুর পর থেকে তাঁর প্রায় ৩০,০০০ কোটির সম্পত্তি নিয়ে একের পর এক অভিযোগ ও মামলা ঘিরে আলোচনায় রয়েছে কপূর পরিবার। করিশ্মার সন্তানদের আইনি পদক্ষেপে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অন্যদিকে প্রিয়ার নাম পরিবর্তন নতুন প্রশ্ন তুলেছে। এখন নজর দিল্লি হাই কোর্টের রায়ের দিকে।

মুম্বইয়ে নতুন ইনিংস শুরুতে ব্যস্ত অভিনেত্রী মিশমি দাস

কলকাতা থেকে মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছেন অভিনেত্রী মিশমি দাস। প্রথম কাজ বাতিল হলেও এখন নতুন সুযোগের পথে। জানুন কীভাবে কাটালেন শেষ তিন মাস।

কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে অভিনেত্রী মিশমি দাস

মে মাসের শেষের দিকে কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে পাড়ি দেন অভিনেত্রী মিশমি দাস (Mishmee Das)। নতুন এক হিন্দি ধারাবাহিকে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে শুটিং শুরুর ঠিক দু’দিন আগে সব বাতিল হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তিন মাস অপেক্ষার পর অবশেষে নতুন কাজের সুযোগ এসেছে তাঁর ঝুলিতে।


ভেস্তে যাওয়া প্রথম প্রজেক্ট

আগে জানা গিয়েছিল, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের হিন্দি ধারাবাহিক ‘ঝনক’-এর নতুন প্রজন্মের গল্পে দেখা যাবে মিশমিকে। কিন্তু অজানা কারণে সেই কাজ আর হয়নি। অভিনেত্রী জানালেন—
“একটা ভাবনা নিয়ে কলকাতা ছাড়ি। কিন্তু পরিকল্পনা মতো কাজ এগোলো না, তাই শুরুতে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল।”


মুম্বইয়ে নতুন সুযোগের খোঁজে

মিশমির কথায়, “আগেও মুম্বইয়ে কাজ করেছি। তাই কিছু পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এখানে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলি। অনেক জায়গায় কাজের আলাপও হয়। তবে মুম্বইয়ে আসার সময় কলকাতাতেও বেশ কিছু কাজের অফার ছিল, সেগুলো ছাড়তেই হয়েছিল। সেটাই বড় সিদ্ধান্ত।”

এখন ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন তিনি।


নতুন কাজের ইঙ্গিত

সম্প্রতি অভিনেতা বিবেক দহিয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন মিশমি দাস। জানা গেছে, একটি ছোটগল্পের ছবির শুটিং ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে চান না তিনি। পাশাপাশি চলছে একের পর এক অডিশন।

এই বছর দুর্গাপুজো মুম্বইতেই কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন অভিনেত্রী। তবে তিনি জানিয়েছেন,
“ভালো সুযোগ পেলে অবশ্যই কলকাতাতেও কাজ করব।”


প্রথম প্রজেক্ট বাতিল হলেও মিশমি দাস এখন আরও দৃঢ়। মুম্বইয়ে কাজের নতুন সুযোগ খুঁজে পাওয়ার পাশাপাশি নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টায় ব্যস্ত তিনি। অভিনয় জগতে আরও বড় জায়গা করে নেওয়াই এখন তাঁর লক্ষ্য।

নেপালে অশান্তি: ‘ব্ল্যাক ডে’ বললেন মনীষা কৈরালা

নেপালে দুর্নীতি ও সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের জেরে বিক্ষোভে উত্তাল দেশ। অন্তত ২১ জন নিহত, শতাধিক আহত। অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা একে বললেন “Nepal Black Day।”

নেপালে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি

গত কয়েক দিন ধরে অশান্ত নেপাল। প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির বিরুদ্ধে দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করায় আন্দোলনে ফেটে পড়ে তরুণ প্রজন্ম। হিমালয়ের শান্ত দেশটি কার্যত রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে।

➡️ নিরাপত্তা বাহিনী ও আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২১ জন
➡️ আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই শতাধিক
➡️ বিরোধী দলগুলো সরব হয়েছে ওলির পদত্যাগের দাবিতে

চাপে পড়ে সরকার সোশ্যাল মিডিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেও, আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিয়েছে—“এখনই থামবে না প্রতিবাদ।”


উদ্বিগ্ন মনীষা কৈরালা

মুম্বইয়ে থাকলেও নেপালের এই পরিস্থিতি গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে অভিনেত্রী মনীষা কৈরালাকে। কাঠমান্ডুতে জন্ম নেওয়া মনীষার পরিবার সরাসরি নেপালের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

  • তাঁর বাবা ছিলেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা প্রকাশ কৈরালা
  • দাদা বিশ্বেশ্বর প্রসাদ কৈরালা ১৯৫৯-৬০ সালে নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তাই রাজনীতি যেন রক্তেই বইছে মনীষার। আর সেই কারণেই মাতৃভূমির এই রক্তপাত তাঁকে বিচলিত করেছে।


মনীষার বার্তা: “আজ নেপালের জন্য ব্ল্যাক ডে”

সোমবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় রক্তমাখা বুটের ছবি শেয়ার করে মনীষা কৈরালা লিখেছেন—

“দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব জনগণকে গুলিতে স্তব্ধ করা হচ্ছে! আজকের দিন নেপালের জন্য এক কালো অধ্যায়।”

তাঁর এই পোস্টে সমর্থন জানিয়েছেন বহু নেটিজেন। কেউ কেউ আবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির কাছে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মনীষাকে অনুরোধ করেছেন।


নেপালের এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতাই নয়, বরং গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছে। নেপালি বংশোদ্ভূত বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার এই বক্তব্য সেই ক্ষোভেরই প্রতিধ্বনি—“Nepal Black Day।”

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়: পুজোয় ফিরছেন ‘দেবী চৌধুরাণী’ নিয়ে

পুজোয় আসছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নতুন ছবি ‘দেবী চৌধুরাণী’। ঐতিহাসিক চরিত্র ভবানী পাঠকে দেখা যাবে তাঁকে। বাংলা ছবির প্রাইম টাইম শো নিয়ে আশাবাদী অভিনেতা জানালেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

বেজ-খয়েরি পোশাকে সোনালি জরির ছোঁয়া। পাঞ্জাবি-পাজামায় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় হাজির বাংলা ছবির ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সাক্ষাৎকার শুরু হতেই স্পষ্ট, তাঁর ফোকাস এখন একটাই— পুজোর বড় মুক্তি ‘দেবী চৌধুরাণী’।

পুজোয় ফের বড় পর্দায় প্রসেনজিৎ

অভিনেতা জানালেন— “গত বছর পুজোয় ছবি আনতে পারিনি, আমিও খালি ছিলাম, দর্শকরাও। এ বছর দেবীপক্ষে আসছি ‘দেবী চৌধুরাণী’ নিয়ে। এটা শুধু সিনেমা নয়, বাংলার জন্য এক উৎসব।”

ঐতিহাসিক চরিত্রে নতুন অধ্যায়

লালন ফকির, নেতাজি, রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের চরিত্র— একাধিক ঐতিহাসিক রূপে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে এবার প্রথমবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে। “এটাই হ্যাঁ বলার আসল কারণ,” বললেন প্রসেনজিৎ।

প্রচারে নতুন কৌশল

আজকের প্রচার মানেই শুধু শহরে সীমাবদ্ধ নয়। প্রসেনজিৎ বললেন— “সোশ্যাল মিডিয়া বদলে দিয়েছে যোগাযোগের রাস্তা। আবারও গ্রাম-গঞ্জে পৌঁছনো যাচ্ছে। দেব যেভাবে ‘রঘু ডাকাত’ নিয়ে সর্বত্র পৌঁছচ্ছে, সেটাই এখন প্রয়োজন।”

এনার্জির রহস্য

“আমার শক্তি একার নয়, দলের। মানুষের ভালোবাসা আর আবেগই আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়,” বললেন বাংলা ছবির এই কিংবদন্তি।

চ্যালেঞ্জিং ‘ভবানী পাঠক’

‘দেবী চৌধুরাণী’-তে তিনি হচ্ছেন ভবানী পাঠক— সাধক ও যোদ্ধা দুই-ই। “এমন চরিত্র ধারণ করা কঠিন, কিন্তু একেই আমি অভিনয়ের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ মনে করি,” জানালেন প্রসেনজিৎ।

বাংলা ছবির জয়যাত্রা

তিনি খুশি যে সারা বছর এখন বাংলা ছবির জন্য প্রেক্ষাগৃহে প্রাইম টাইম শো নিশ্চিত হয়েছে। “এটা ঐতিহাসিক। দর্শক এখনও ভালো সিনেমা দেখতে আসেন, এবার সেই সময়টাও পাবেন পরিচালকেরা,” মত প্রসেনজিতের।

দায়িত্ববোধ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

তিনি প্রেক্ষাগৃহ বাড়ানোর প্রচেষ্টায় আছেন। বললেন— “ইন্ডাস্ট্রি আমাকে অনেক দিয়েছে। আগামী প্রজন্মের জন্য কিছু করে যাওয়া আমার কাজ।”

ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বললেন— “ওর লড়াই ওর নিজের। আমি কিছু করছি না। নিজেকে ওকেই প্রমাণ করতে হবে।”

উত্তরসূরি ও আগামী প্রজন্ম

দেব, জিৎ, অঙ্কুশদের নিয়ে তিনি আশাবাদী। “ওরা শুধু স্টার নয়, দায়িত্বশীলও। বাংলা ছবিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো মানসিকতা আছে ওদের,” বললেন প্রসেনজিৎ।

পরিচালনায় আসছেন প্রসেনজিৎ

তিনি আগামী বছরে পরিচালনায় নামবেন। তবে নতুন মুখ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও ঠিক হয়নি।

জীবনের উপলব্ধি

“আমি ক্যালকুলেটিভ, ম্যানিপুলেটিভ— কারণ টিকে থাকতে গেলে তাই করতে হয়। পরিচালকরাই আমাকে সেরা চরিত্র দিয়েছেন, তাঁদের ভিশন পূরণ করাই আমার কাজ,” খোলাখুলি স্বীকার করলেন তিনি।

শেষে বললেন— “আমি আর প্রতিযোগিতায় নেই। নাম্বার গোনার খেলায়ও নেই। আমি শুধু ভালো চরিত্রে অভিনয় করব। কারণ ভালো কাজই থেকে যায় ইন্ডাস্ট্রির জন্য।”

সলমন খানের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিনব কাশ্যপ, অভিযোগ বলিউডে তাঁর সাফল্য ইচ্ছে করে থামানো হয়েছে

অভিনব কাশ্যপ অভিযোগ করলেন, সলমন খান ও তাঁর পরিবার ষড়যন্ত্র করে ‘দাবাং ২’ থেকে সরিয়ে কেরিয়ার নষ্ট করেছে। ভাইজান পাল্টা বললেন, কেরিয়ার গড়া-ভাঙা ঈশ্বরের হাতে।

বলিউডের ব্লকবাস্টার ছবি ‘দাবাং’ (Dabangg) এ বছর পা রাখছে ১৫ বছরে। তবে এই মাইলস্টোনের প্রাক্কালে ছবির পরিচালক অভিনব কাশ্যপ (Abhinav Kashyap) ফের বিস্ফোরক মন্তব্যে শিরোনামে। তিনি হলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের ভাই, কিন্তু দাদার মতো বলিউডে দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য পাননি। অথচ তাঁর হাতে রয়েছে ‘দাবাং’-এর মতো মেগা হিট সিনেমা।

অভিনবের অভিযোগ, সলমন খান (Salman Khan) এবং তাঁর পরিবার পরিকল্পিতভাবে তাঁর কেরিয়ার নষ্ট করেছে। তাঁর কথায়, “দাবাং ২ পরিচালনা করার সুযোগ আমার থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। খানেরা প্রতিহিংসাপরায়ণ। আমি তাঁদের শর্ত না মানায় আমার বলিউড ক্যারিয়ার শেষ করে দিয়েছে ওরা। তখনই বুঝলাম, সলমন খান আসলে একেবারেই পরিষ্কার মানুষ নন।”

পরিচালকের আরও দাবি, “গত ২৫ বছর ধরেই সলমন অভিনয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। নিজের সিনেমার কাজেও তাঁর তেমন আগ্রহ নেই। তিনি একজন অভিনেতার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে। সেই ক্ষমতার জোরেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। সলমন খান আসলে বলিউডের স্টারডম-তন্ত্রের ‘গডফাদার’। আমার ক্যারিয়ার ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী ওঁরা।”

এর আগেও অভিনব কাশ্যপ প্রকাশ্যে সলমন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে আবারও একই ক্ষোভ উগরে দিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন।

অন্যদিকে, বিগ বস (Bigg Boss)-এর মঞ্চে শেহনাজ গিল যখন তাঁর ভাইকে ইন্ডাস্ট্রিতে সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন, সলমনের জবাব ছিল স্পষ্ট— “আমি কখনও কারও কেরিয়ার বানাইনি বা শেষও করিনি। এগুলো করে উপরওয়ালা। অনেকে আমার নামে গুজব ছড়িয়েছে যে আমি তাঁদের কেরিয়ার শেষ করেছি। সত্যি বলতে, যদি কাউকে শেষ করতে হতো, তবে নিজের কেরিয়ারই শেষ করতাম।”

যদিও ভাইজান সরাসরি অভিনব কাশ্যপের নাম নেননি, তবে ইন্ডাস্ট্রির একাংশ মনে করছে, তাঁর এই মন্তব্যই অনুরাগ কাশ্যপের ভাইকে উদ্দেশ্য করেই বলা।

মনামী ঘোষ: পুজোর মিউজিক ভিডিওতে নীল আলতার নতুন ট্রেন্ড

মনামী ঘোষের নতুন মিউজিক ভিডিওতে নীল আলতার অনন্য ফ্যাশন ট্রেন্ড, কল্কি পুরাণের ছোঁয়ায় সজ্জিত লুক পুজোর আগে টলিউডে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মনামী ঘোষ (Monami Ghosh) বরাবরই তাঁর সাহসী ও সৃজনশীল ফ্যাশন স্টাইলের জন্য পরিচিত। এবার পুজোর গানের মিউজিক ভিডিওতেও সেই স্বতন্ত্র স্টাইল বজায় রাখলেন তিনি।

গত আগস্টেই লাল আলতার বদলে হাতে নীল আলতা (Nil Alta) পরে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন মনামী। সাধারণত সবাই লাল আলতা দেখতে অভ্যস্ত হলেও, তাঁর এই নীল আলতা লুক দর্শকদের নজর কাড়ে। সোমবার অবশেষে সামনে এল সেই রহস্যময় সাজের আসল গল্প।


কল্কি পুরাণের ছোঁয়া

ভিডিও টিজারে দেখা গেল মনামী ঘোষকে একেবারে ভিন্ন রূপে— লাল শাড়ি-ব্লাউজে, খোলা চুলে, হাতে নীল আলতা, রঙ মেলানো টিপ এবং সাপের মতো সর্পিল গয়নায় সজ্জিত। এই বিশেষ সাজের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর নতুন মিউজিক ভিডিও ‘কল্কি, এলো রে গৌরী’ (Kalki, Elo Re Gouri)।

হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, বিষ্ণুর দশম অবতার কল্কির প্রতীক রং নীল। সেই ভাবনা থেকেই মনামীর নীল আলতা ব্যবহার। আবার কল্কি পুরাণে সাপের উল্লেখ থাকায় গয়নার ডিজাইনেও রাখা হয়েছে সেই ইঙ্গিত। যদিও পুরো ভিডিও এখনো মুক্তি পায়নি, তবে ফার্স্ট লুকেই কৌতূহল চরমে।


ফ্যাশনে মনামী ঘোষের ভিন্নতা

মনামী ঘোষ শুধু অভিনয় নয়, ফ্যাশন এক্সপেরিমেন্টের জন্যও বিশেষভাবে জনপ্রিয়। এর আগে কখনও প্লাস্টিকের ফ্রক, কখনও নকশিকাঁথার গাউন, আবার কখনও অ্যাকোয়ারিয়াম ব্যাগ হাতে কিংবা দড়ির পোশাকে হাজির হয়ে দর্শককে অবাক করেছেন তিনি।

প্রতিবারের মতো এবারও পুজোর আগে নতুন লুক তৈরি করে ট্রেন্ডসেট করেছেন অভিনেত্রী। তাঁর নীলাম্বরী ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।


👉 Monami Ghosh new look আবারও প্রমাণ করল, তিনি শুধু একজন টলিউড অভিনেত্রী নন, বরং এক ফ্যাশন আইকন, যিনি প্রতিবারই দর্শকদের সামনে নতুন এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে হাজির হন।

ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন ও ডিভোর্স বিতর্কে টলিউড অভিনেত্রী

টলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়ের ডিভোর্স, ব্যক্তিগত বিতর্ক ও নতুন ব্যবসায়িক যাত্রা ঘিরে নেটপাড়ায় আলোচনার ঝড়। জানুন তাঁর সর্বশেষ বক্তব্য, সিঁদুর বিতর্ক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া।

টলিউডের জনপ্রিয় মুখ সুস্মিতা রায় (Sushmita Roy) আবারও আলোচনায়। একসময় অভিনয় দিয়ে দর্শকের মন জয় করা এই অভিনেত্রী বর্তমানে ফোকাস করেছেন নিজের ব্যবসায়িক সংস্থার দিকে। তবে পেশাদার জীবনের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে নেটপাড়ায়।


ডিভোর্স নিয়ে চর্চা

বছরের শুরুতেই প্রকাশ্যে আসে, স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তী-র সঙ্গে সুস্মিতার বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ সহানুভূতি দেখান, আবার অনেকেই তীব্র সমালোচনা করেন। এমনকি অভিনেত্রী ও তাঁর মাকে নিয়ে কটূক্তিও ছোড়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।


সিঁদুর বিতর্কে নজর কাড়লেন অভিনেত্রী

বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসার পরও সিঁদুর পরে অনুষ্ঠান বা প্রকাশ্য মঞ্চে হাজির হওয়ায় নতুন বিতর্কে জড়ান সুস্মিতা। এ প্রসঙ্গে তিনি পরিষ্কারভাবে জানান—
“আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার সিঁদুর পরা স্বাভাবিক ব্যাপার।”

তাঁর এই মন্তব্যে যেমন কড়া সমালোচনা হয়েছে, তেমনই অনেকেই সমর্থন করেছেন তাঁর সিদ্ধান্তকে। এ ছাড়া তাঁর পোশাক, ব্যক্তিত্ব, এমনকি প্রকাশ্যে আসার ধরন নিয়েও নানা মন্তব্য করছে নেটিজেনদের একাংশ।


অবশেষে মুখ খুললেন সুস্মিতা রায়

দীর্ঘ সময় চুপ থাকার পর অবশেষে এক ভিডিও বার্তায় প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী। তাঁর কথায়—
“সবটা বলব না, তবে কিছু বিষয় বলতেই হবে। আমার ব্যবসায়িক কাজকর্ম কেমন চলছে, কীভাবে আমি উদ্যোক্তা হলাম— সেসব পুরোটা নয়, কিন্তু কিছুটা অবশ্যই ভাগ করব। ভালো মন্তব্য শক্তি জোগায়, খারাপগুলো কষ্ট দেয়। আমি তো রক্তমাংসের মানুষ, তাই নিজের সঙ্গে লড়াই করেই এগোই।”

ডিভোর্স প্রসঙ্গে তিনি বলেন—
“আমরা দু’জনেই জানিয়েছি, এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলব না। তবুও আলোচনা থামছে না। সাম্প্রতিক সময়ে আমি আর আমার মা হয়ে উঠেছি নানা সমালোচনার লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে আক্রমণ হয়েছে, সেটিও এক ধরনের মানসিক নির্যাতন।”


শক্ত বার্তা সমাজকে

সুস্মিতা স্পষ্টভাবে প্রশ্ন তোলেন—
“যখন কোনও মেয়ের ধর্ষণ হয়, তখন প্রতিবাদ ওঠে। কিন্তু দিনের পর দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে আর আমার মাকে যেভাবে অপমান করা হয়েছে, সেটি কি সামাজিক ধর্ষণ নয়? ডিভোর্স হলে কি সবসময় মেয়েকেই দায়ী হতে হবে?”


👉 Tollywood actress Sushmita Roy প্রমাণ করে দিলেন, তিনি শুধু একজন অভিনেত্রী নন, বরং সাহসী কণ্ঠস্বর, যিনি জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে জানেন।

অনন্যা পান্ডে: স্বপ্নের বাড়ি ও গৌরী খানের ম্যাজিক টাচ

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে মুম্বইয়ে প্রথম বাড়ি কিনে গড়লেন স্বপ্নের আশ্রয়। গৌরী খানের ডিজাইনে সাজানো এই বাড়ি ঘিরে অনন্যার আবেগ, কৃতজ্ঞতা ও নতুন সিনেমার খবর।

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে (Ananya Panday)-র জীবনে ২০২৩ সাল ছিল বিশেষ এক মাইলফলক। সেই বছর তিনি মুম্বইতে নিজের প্রথম বাড়ি কিনে নেন। তবে এটি শুধু একটি সম্পত্তি নয়, বরং এক আবেগময় আশ্রয়, যেখানে প্রতিটি সাজসজ্জা তাঁর ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।

এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পাশে ছিলেন শাহরুখ খানের স্ত্রী এবং বলিউডের অন্যতম সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গৌরী খান (Gauri Khan)। তিনি অনন্যার বাড়িটিকে শুধু সুন্দর করে তোলেননি, বরং তাঁর স্বপ্ন ও ইচ্ছে অনুযায়ী প্রতিটি কোণ সাজিয়েছেন।


আবেগঘন অভিজ্ঞতা

এক সাক্ষাৎকারে অনন্যা জানান—
“আমার জন্য প্রথম বাড়ি কেনা শুধু আর্থিক সিদ্ধান্ত ছিল না, বরং গভীরভাবে আবেগময় একটি মুহূর্ত। গৌরী ম্যাম আমাকে ছোটবেলা থেকে চেনেন। তিনি আমার পছন্দ-অপছন্দ এতটাই ভালো জানতেন যে মনে হয়েছে, যেন নিজের মেয়ে সুহানার জন্যই ঘর সাজাচ্ছেন।”

গৌরী খান পেশাদারিত্বের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্পর্কের উষ্ণতাও দেখিয়েছেন। তিনি কখনো নিজের মত চাপিয়ে দেননি, বরং অনন্যার প্রতিটি সিদ্ধান্তকে সম্মান করেছেন। অনন্যার ভাষায়—
“তিনি আমাকে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে দেখেছেন। জানতেন, এটি আমার জীবনের প্রথম বাড়ি, তাই স্বাধীনভাবে আমার মতামতকে গুরুত্ব দিয়েছেন।”


স্বপ্নের ছোঁয়া

অনন্যা আরও বলেন—
“ইন্টেরিয়র ডিজাইন অনেকের কাছে শুধু একটি প্রজেক্ট। কিন্তু আমার কাছে এটি ছিল আমার প্রতিদিনের জীবনের প্রতিচ্ছবি। আমার স্বপ্ন, পছন্দ ও ব্যক্তিত্বকে যেভাবে গৌরী ম্যাম বোঝেন, তা সত্যিই অনন্য।”

নিজের ইনস্টাগ্রামে অনন্যা লেখেন—
“আমার প্রথম বাড়ি… আমার ড্রিম হোম। ধন্যবাদ @gaurikhan। আপনি ছাড়া কেউ এতটা নিখুঁতভাবে বুঝতে পারতেন না আমি কী চাই। আপনি আমার স্বপ্নকে সত্যি করেছেন। আপনি সেরা, আপনাকে ভালোবাসি।”


অনন্যার পরবর্তী সিনেমা

পেশাদার জীবনে অনন্যা পান্ডেকে আগামীতে দেখা যাবে কার্তিক আরিয়ান-এর সঙ্গে রোম্যান্টিক ড্রামা “তু মেরি ম্যায় তেরা, ম্যায় তেরা তু মেরি”-তে। সমীর বিদ্বান পরিচালিত এই ছবি মুক্তি পাবে ২০২৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে।


👉 অনন্যা পান্ডের প্রথম বাড়ি তাঁর জীবনে শুধু এক নতুন সূচনা নয়, বরং গৌরী খানের শিল্পকলা ও ভালোবাসার ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা এক আবেগময় স্বপ্নের গল্প।

কাজল আগরওয়াল: দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাংস্কৃতিক আইকন

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল নিয়ে গুজব ছড়ালেও তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। জানুন তাঁর সাম্প্রতিক খবর, আসন্ন সিনেমা ও চলচ্চিত্রজগতের সফল যাত্রা।

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে কাজল আগরওয়াল (Kajal Aggarwal) এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। প্রায় ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি শুধু রূপালি পর্দায় নয়, ভক্তদের হৃদয়েও রাজত্ব করছেন। হিন্দি, তামিল এবং তেলুগু— তিন ভাষাতেই সমানভাবে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর পর্দার উপস্থিতি যেমন মোহময়ী, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর কোটি কোটি অনুরাগী প্রতিদিনই ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দেন কমেন্ট সেকশন।


গুজবের ঝড়ে উদ্বিগ্ন ভক্তরা

সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে খবর— কাজল আগরওয়াল নাকি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। মুহূর্তেই এই খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েন। কেউ কেউ প্রার্থনা শুরু করেন, কেউ আবার শুভেচ্ছা বার্তা লিখে পাঠান। অবাক করার মতো বিষয় হলো, কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও যাচাই না করেই এই খবর প্রকাশ করে বসে।


আসল সত্য: Kajal Aggarwal সুস্থ আছেন

গুজবের সত্যতা জানতে কাজলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। জবাবে অভিনেত্রী সংক্ষিপ্তভাবে জানান— “আমি এখন ব্যস্ত, পরে যোগাযোগ করব।” এই এক লাইনের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে যায়, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং নিরাপদে আছেন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর সাম্প্রতিক প্রোমোশনাল পোস্টও সেই প্রমাণ বহন করছে। সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি স্বামী গৌতম কিচলুর সঙ্গে মালদ্বীপে ছুটি কাটিয়ে ফিরেছেন।


Kajal Aggarwal-এর চলচ্চিত্র যাত্রা

২০০৪ সালে বলিউডের “কিউঁ! হো গয়া না…” সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার বড়পর্দায় আসেন কাজল আগরওয়াল। তবে তেলুগু ও তামিল ইন্ডাস্ট্রিই তাঁকে দিয়েছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা।

“থুপাক্কি” (Thuppakki) -তে তাঁর অ্যাকশন ও রোম্যান্স দর্শকের মনে স্থায়ী ছাপ ফেলেছে।

“কোমালি” (Comali) -তে কমেডি চরিত্রে নতুনভাবে চমক দেখান তিনি।

“হে সিনামিকা” (Hey Sinamika) -তে একেবারে ভিন্ন চরিত্রে নজর কাড়েন।

“টেম্পার” (Temper) এবং “বাঘবন্ত কেসারি” (Bhagavath Kesari) -তে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়।

সবচেয়ে সম্প্রতি তাঁকে দেখা গেছে “কান্নাপ্পা”-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। এছাড়া তাঁর হাতে রয়েছে একাধিক বড় বাজেটের ছবি— “দ্য ইন্ডিয়ান স্টোরি” (The Indian Story), “ইন্ডিয়ান ৩” (Indian 3) এবং বহুল প্রতীক্ষিত “রামায়ণ: দ্য ইন্ট্রোডাকশন” (Ramayana: The Introduction), যেখানে তিনি মন্দোদরী চরিত্রে অভিনয় করছেন এবং বিপরীতে রয়েছেন যশের রাবণ।

গুজব ছড়ালেও ভক্তদের জন্য সুখবর হলো— কাজল আগরওয়াল একেবারেই সুস্থ আছেন এবং খুব শিগগিরই আবার বড়পর্দায় ফিরছেন নতুন সব সিনেমা নিয়ে। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী প্রমাণ করেছেন, তিনি কেবল সফল অভিনেত্রীই নন, বরং কোটি ভক্তের অনুপ্রেরণা এবং ভারতীয় সিনেমার এক উজ্জ্বল প্রতীক।

দিব্যানি মণ্ডল: ছোটপর্দার ‘ফুলকি’ থেকে বাস্তব জীবনের ব্ল্যাকবেল্ট নায়িকা

বাংলা টেলিভিশনের অভিনেত্রী দিব্যানি মণ্ডল ‘ফুলকি’ সিরিয়াল দিয়েই জনপ্রিয় হন। জন্মদিনে ভাইরাল ছবি, ব্ল্যাকবেল্ট ক্যারাটে দক্ষতা ও অভিষেক বসুর সঙ্গে জুটি তাঁকে দর্শকের প্রিয় করে তুলেছে।

বাংলা টেলিভিশনের নতুন প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ দিব্যানি মণ্ডল (Divyani Mondol)। প্রথম মেগা সিরিয়াল ‘ফুলকি’ (Phulki) দিয়েই দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি। ডেবিউ কাজের পরই রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান এই তরুণী নায়িকা। ভক্তদের উচ্ছ্বাসও স্পষ্ট তাঁর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারদের সংখ্যা আর কমেন্ট বক্সের প্রশংসায়।

ভাইরাল জন্মদিনের ফটোশুট

সম্প্রতি ২১ বছরে পা দিলেন দিব্যানি। বিশেষ দিনটিতে শেয়ার করলেন একঝাঁক ছবি। ঘিয়ে রঙা অফ-শোল্ডার লং ড্রেসে তাঁর গ্ল্যামারাস লুক ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গে মানানসই জুয়েলারি পরায় তাঁর সাজ আরও নজরকাড়া হয়ে উঠেছে। মুহূর্তগুলো আসলে তাঁর জন্মদিন পার্টিরই বিশেষ আয়োজন, যা ভক্তরা দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন।

পড়াশোনা বনাম অভিনয়

কলেজে ইংরেজি অনার্সে পড়াশোনা চলাকালীনই ‘ফুলকি’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের সুযোগ পান দিব্যানি। তবে ব্যস্ত শিডিউলের কারণে অনার্স সম্পূর্ণ করতে পারেননি। শিক্ষক পরিবার থেকে আসা দিব্যানির ইচ্ছে, ভবিষ্যতে মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে আবার পড়াশোনা শেষ করার।

খেলাধুলায় পারদর্শী দিব্যানি

পর্দায় বক্সার ‘ফুলকি’, বাস্তবেও খেলাধুলায় সমান দক্ষ। দিব্যানি হলেন ক্য়ারাটে গুরু দেবাশিস মণ্ডলের (Debasish Mondal) মেয়ে এবং ছোটবেলা থেকেই মার্শাল আর্ট চর্চা করছেন। বাস্তবে তিনি ব্ল্যাকবেল্ট হওয়ায় সিরিয়ালের অ্যাকশন বা মারপিটের দৃশ্যগুলো খুব স্বাভাবিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

ফুলকি সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা

২০২৩ সালের জুনে শুরু হয় ‘ফুলকি’। এই ধারাবাহিক দিয়েই টেলিভিশনে অভিষেক হয় দিব্যানির। এখানে তাঁর অনস্ক্রিন পার্টনার ছিলেন অভিষেক বসু (Abhishek Bose)। ‘রোহিত স্যার’ আর ‘ফুলকি’র জুটি দর্শকের কাছে এতটাই প্রিয় হয়ে ওঠে যে টিআরপি তালিকায় টানা কয়েক মাস ধরে শীর্ষে ছিল এই সিরিয়াল।