একঘেয়ে নয়, সাহসী ও রূপান্তরমুখী! Swastika Dutta-র নতুন যাত্রা টলিউডে

Swastika Dutta's new journey in Tollywood

১৪ বছরের অভিনয়জীবনে স্বস্তিকা দত্ত (Swastika Dutta) প্রমাণ করেছেন তিনি শুধু নায়িকা নন, বহুমুখী অভিনেত্রী। কখনও ভৌতিক ছবিতে, কখনও রোমান্টিক ওয়েব সিরিজে— প্রতিটি চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলছেন। এবার জানুন তাঁর ফিটনেস, চরিত্র বাছাইয়ের কৌশল, সাহসী সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার গল্প।

স্বস্তিকা দত্ত (Swastika Dutta) আজ আর শুধু জনপ্রিয় টেলিভিশন নায়িকা নন, বরং বাংলা বিনোদন জগতের অন্যতম বহুমুখী প্রতিভা। ভৌতিক সিনেমা থেকে শুরু করে মিষ্টি প্রেমের গল্প— প্রতিটি চরিত্রে তিনি অভিনয়ের ভিন্ন স্বাদ এনে দিয়েছেন। দর্শকও তাঁর প্রতিটি পরিবর্তনকে কৌতূহল নিয়ে গ্রহণ করেছেন।

একনজরে

একঘেয়ে হয়ে না পড়তে সবসময় নতুন চ্যালেঞ্জ খোঁজেন স্বস্তিকা। কখনও ভয়ের আবহে ভৌতিক চরিত্র, আবার কখনও একেবারে নরম মনের প্রেমিকা— দুই দিকেই সমান পারদর্শী। তাঁর মতে, “নায়িকাকেন্দ্রিক চরিত্রে কাজ করলে অভিনয়ের সুযোগ আরও বাড়ে।” তাই তিনি প্রতিটি প্রজেক্ট বেছে নেন ভেবে-চিন্তে, তবে ‘অতিরিক্ত হিসেব’ না করে।

ভৌতিক থেকে প্রেম

অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’ ছবিতে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এরপরই ঝাঁপ দিয়েছেন অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নতুন ত্রিকোণ প্রেমের সিরিজে— ‘খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে’। এখানে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন দুই জনপ্রিয় অভিনেতা গৌরব চক্রবর্তী ও অনিন্দ্য সেনগুপ্ত। বিশ্বকর্মা পুজোর আগের দিন থেকেই শুরু হয়েছে শুটিং।

Swastika Dutta
Swastika Dutta

দীর্ঘ সময় ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা সহজ নয়। তাঁর মতে, টিকে থাকতে হলে নায়িকাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ চরিত্রে কাজ করতেই হবে। দর্শকের মন জয় করতে হলে নিজেকে বারবার নতুন করে হাজির করতে হয়। স্বস্তিকা বলেন, “একই ধরনের চরিত্র করলে দর্শকের কাছে আমি একঘেয়ে হয়ে যাব। তাই সবসময় নতুন কিছু খুঁজে ফিরি।”

খলনায়িকা হিসেবেও সফল Swastika Dutta

শুধু নায়িকা হিসেবেই নয়, খলনায়িকা রূপেও দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের ‘ফাটাফাটি’ ছবিতে তাঁর চরিত্র ‘বিকি সেন’-এর জন্য একদিকে দর্শক রাগ করলেও অন্যদিকে তাঁর অভিনয় দক্ষতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সবাই। এটি প্রমাণ করে, চরিত্র যতই নেতিবাচক হোক না কেন, অভিনয়ের জোরেই তিনি দর্শকের মন জয় করতে সক্ষম।

টলিউডে অনেক সময় শোনা যায়— টিকে থাকতে গেলে নায়িকাদের খোলামেলা পোশাক কিংবা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কাজ করতে হয়। এ প্রসঙ্গে স্বস্তিকা (Swastika Dutta) বলেন: “মিমি চক্রবর্তীকে ‘রক্তবীজ ২’-এ বিকিনিতে অভিনয় করতে দেখেছেন। তিনি আগে নিজেকে তৈরি করেছেন, তারপর সাহসী দৃশ্যে অভিনয়ে রাজি হয়েছেন। আমি-ও তাই করব।”

আরও পড়ুনঃ অভিনেত্রী Sayantani Mullick-এর হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক! ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর নতুন লড়াই শুরু

স্বস্তিকা (Swastika Dutta) স্পষ্ট জানিয়েছেন: আগে শরীর গড়বেন, তারপর প্রয়োজনে সাহসী দৃশ্যে কাজ করবেন। তবে সবসময় চিত্রনাট্যের প্রয়োজন অনুযায়ীই তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।

‘খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে’ সিরিজে তাঁর চরিত্র একেবারে ভিন্ন। চরিত্রটি খুব মিষ্টি এবং আবেগপ্রবণ, যা দর্শকের মনে জায়গা করে নেবে। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করছেন গৌরব চক্রবর্তী ও অনিন্দ্য সেনগুপ্ত। তবে নায়িকা মজা করে বলেছেন, “নায়ক কার দিকে পাল্লা ভারী নয়। আমার কাছে পরিচালক অভিমন্যুদাই বেশি প্রিয়।”

ফিটনেস ও আত্মবিশ্বাস

প্রতিদিন শরীরচর্চা করে নিজেকে গড়ে তুলছেন স্বস্তিকা (Swastika Dutta)। তাঁর মতে, অভিনেত্রী হিসেবে শুধু রূপ নয়, ফিটনেসও সমান গুরুত্বপূর্ণ। দর্শকের সামনে নিজেকে নতুনভাবে হাজির করতে তাই ফিটনেসে কোনও গাফিলতি করেন না।

আরও পড়ুনঃ Soham Chakraborty নিজেকে তুলনা করলেন ‘কবীর সিংহ’-এর সঙ্গে! বিতর্কিত প্রেমিক নাকি রোম্যান্টিক হিরো

টিভি পর্দা থেকে বড় পর্দা— সব জায়গাতেই তাঁর জনপ্রিয়তা। দর্শক চায় তাঁকে সবসময় নতুন চরিত্রে দেখতে। আর স্বস্তিকা (Swastika Dutta) চেষ্টা করেন, প্রতিটি চরিত্রে নিজের সেরাটা দিয়ে প্রত্যাশা পূরণ করতে।

ভবিষ্যতে আরও নায়িকাকেন্দ্রিক চরিত্রে কাজ করতে চান। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন: “নিজেকে বদলাতে শিখতে হবে। একঘেয়েমি কাটিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে হবে।”

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: স্বস্তিকা দত্ত কেন সবসময় ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে চান?

উত্তরঃ তিনি বিশ্বাস করেন, একঘেয়ে চরিত্র করলে দর্শক আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। তাই তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন।

প্রশ্ন ২: খোলামেলা পোশাক বা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে তাঁর মত কী?

উত্তরঃ স্বস্তিকা মনে করেন, দৃশ্য যদি গল্পের প্রয়োজন হয় তবে তিনি অবশ্যই কাজ করবেন। তবে আগে নিজেকে তৈরি করবেন।

প্রশ্ন ৩: স্বস্তিকার নতুন সিরিজের নাম কী?

উত্তরঃ তাঁর নতুন সিরিজের নাম ‘খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে’, যেখানে তাঁর সঙ্গে আছেন গৌরব চক্রবর্তী ও অনিন্দ্য সেনগুপ্ত।

প্রশ্ন ৪: দর্শকের কাছে কোন চরিত্রে সবচেয়ে আলোচিত হয়েছেন তিনি?

উত্তরঃ অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের ‘ফাটাফাটি’-তে খলনায়িকা চরিত্র ‘বিকি সেন’ হিসেবে আলোচিত হয়েছিলেন।

প্রশ্ন ৫: ফিটনেস নিয়ে স্বস্তিকার কী বক্তব্য?

উত্তরঃ তিনি মনে করেন, অভিনেত্রীর জন্য রূপের পাশাপাশি ফিটনেসও অপরিহার্য। তাই প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা করেন।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

দর্শকের ক্ষোভ চরমে! ‘আর্য-অপর্ণা’ (Arya-Aparna)-কে দূরে সরানোর চেষ্টা, সিরিয়ালের গল্পে নেতিবাচক মোড়ে আগুন সোশ্যাল মিডিয়ায়

Trying to keep Arya-Aparna away

জনপ্রিয় ধারাবাহিকের কাহিনি নিয়ে দর্শকের ক্ষোভ বাড়ছে। ‘আর্য’ (Arya) ও ‘অপর্ণা’ (Aparna)-র প্রেমে বাধা দিচ্ছে কিঙ্কর ও মীরা। অভিনেতাদের প্রতি নেতিবাচক মন্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল। জেনে নিন পুরো ঘটনা।

এক মাস আগেই অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায় (Ditipriya Roy) এবং অভিনেতা জীতু কমল (Jeetu Kamal) প্রকাশ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। পরে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে আবারও একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা করেন তাঁরা। কিন্তু, বাস্তবের সেই দ্বন্দ্ব মিটলেও, পর্দার গল্পে ‘আর্য’ (Arya) আর ‘অপর্ণা’ (Aparna)-র মধ্যে দ্বন্দ্ব ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে— কিঙ্কর এবং অন্য চরিত্ররা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে আর্য-অপর্ণা (Arya-Aparna)র দূরত্ব তৈরি করতে। সত্যনারায়ণ পুজোর দিন, অপর্ণার বাবার পরিকল্পনা— মেয়ের সঙ্গে হিন্দোলের আশীর্বাদ করানো। অন্যদিকে মীরাও চালিয়ে যাচ্ছে নিজের খেলা। দর্শকরা এই মোড় মোটেই মেনে নিতে পারছেন না।

Jeetu Kamal ও Ditipriya Roy (Arya-Aparna)
Jeetu Kamal ও Ditipriya Roy (Arya-Aparna)

নতুন মোড় দেখে নেটিজেনদের একাংশের প্রতিক্রিয়া: “অবিলম্বে গল্প ঘোরানো হোক।” “মীরা-কিঙ্করদের ভালো হবে না।” অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্যে ভরিয়ে তুলেছেন অভিনেতা অভ্রজিৎ চক্রবর্তীর সোশ্যাল মিডিয়া।

অভ্রজিতের স্পষ্ট বার্তা— “আপনাদের গল্প নিয়ে সমস্যা থাকলে চ্যানেলের পাতায় লিখুন। অভিনেতাদের উপর ক্ষোভ দেখানো ঠিক নয়। বাস্তব আর গল্প আলাদা।” এতেই বোঝা যায়, দর্শকরা অনেক সময়ে গল্প ও বাস্তবকে গুলিয়ে ফেলছেন।

আরও পড়ুনঃ খুশির ঝলক! Gaurav Chakrabarty ও Ridhima Ghosh-এর ছেলে ধীরের জন্মদিনে জমজমাট চক্রবর্তী পরিবার

অপর্ণার বাবার চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্যামাশিস পাহাড়ি। তিনি স্পষ্ট করেছেন—

  • “এটা মেগা সিরিয়াল, সিনেমা নয়। গল্প দীর্ঘদিন ধরে চলবে।”
  • “সব সময় কেবল ভালো দেখালে দর্শক একঘেয়ে হয়ে যাবে।”
  • “তাই গল্পে মোড় ঘোরানো স্বাভাবিক।”

দর্শক ইতিমধ্যেই দেখেছেন— প্রদীপের আগুনে অপর্ণার হাত পুড়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার পর হিন্দোলের সঙ্গে আশীর্বাদের আয়োজন আটকে যাবে, এমন আভাস পাওয়া গেছে। বড় প্রশ্ন: এরপর কি আর্য-অপর্ণা সাহস করে পরিবারের সামনে তাদের সম্পর্কের কথা জানাতে পারবে?

ধারাবাহিকের মূল কাহিনিতে এখন—

  1. কিঙ্করের ষড়যন্ত্র
  2. মীরার পরিকল্পনা
  3. অপর্ণার বাবার চাপ
  4. আর্যের অসহায় পরিস্থিতি

এই মিলিত ষড়যন্ত্র দর্শকের বিরক্তি বাড়িয়ে তুলছে।

আরও পড়ুনঃ ৬০ কোটি টাকার ভয়ঙ্কর প্রতারণা মামলায় Raj Kundra! Bipasha Basu ও Neha Dhupia-র নাম ঘিরে তোলপাড়

অনেক দর্শক সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন— তাঁরা শুধু নায়ক-নায়িকার প্রেম, বিয়ে আর সংসার দেখতে চান। নেতিবাচক চরিত্রদের কারণে গল্প অতিরিক্ত জটিল হয়ে যাচ্ছে। আর্য-অপর্ণার মিলন যত দেরি হচ্ছে, দর্শকের অধৈর্যতা তত বাড়ছে।

কেন দর্শক এত বিরক্ত?

বারবার নেতিবাচক মোড় দর্শককে ক্লান্ত করছে। একই ধরনের নেতিবাচক কাহিনি একঘেয়েমি তৈরি করছে। দর্শক আসলে আর্য-অপর্ণার মিলন দেখতে চান।

দর্শকের আবেগ স্পষ্ট—তাঁরা চরিত্রে ডুবে আছেন। সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় আলোচনা হচ্ছে। গল্পে নাটকীয়তা বজায় রাখার জন্য নতুন মোড় যোগ করা হয়েছে।

দর্শক অনেকেই বিরক্ত হয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। অভিনেতাদের ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলছে দর্শকের ক্ষোভ। প্রেমকাহিনির দীর্ঘসূত্রিতা দর্শককে হতাশ করছে।

গল্পে যতই নেতিবাচক মোড় আসুক, দর্শক আসলে আর্য ও অপর্ণার প্রেমের সফল সমাপ্তি দেখতে চান। তাই এখন প্রশ্ন একটাই— কবে মিলবে নায়ক-নায়িকা?

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: দিতিপ্রিয়া রায় ও জীতু কমল কি বাস্তবে মনোমালিন্য মিটিয়েছেন?

উত্তর: হ্যাঁ, প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশের পর তাঁরা সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিয়েছেন।

প্রশ্ন ২: সিরিয়ালে আর্য-অপর্ণা (Arya-Aparna)র মধ্যে কেন দূরত্ব তৈরি হচ্ছে?

উত্তর: কিঙ্কর, মীরা এবং অপর্ণার বাবার ষড়যন্ত্রের কারণে।

প্রশ্ন ৩: দর্শক কেন ক্ষুব্ধ?

উত্তর: দর্শক নায়ক-নায়িকার প্রেম ও সংসার দেখতে চান, কিন্তু গল্পে বারবার নেতিবাচক মোড় আসছে।

প্রশ্ন ৪: অভিনেতা অভ্রজিৎ চক্রবর্তী কী বলেছেন?

উত্তর: তিনি বলেছেন, গল্প নিয়ে অসন্তোষ থাকলে দর্শক যেন চ্যানেলকে লেখেন, অভিনেতাদের নয়।

প্রশ্ন ৫: এরপর গল্পে কী হতে পারে?

উত্তর: অপর্ণার হাত পোড়ানোর ঘটনার পর হিন্দোলের সঙ্গে আশীর্বাদ আটকে যাবে। এরপর আর্য-অপর্ণা তাঁদের সম্পর্ক প্রকাশ করতে পারেন।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

Swastika Ghosh: জনপ্রিয় ‘দীপা’ আর নেই! এবার ধবধবে ফর্সা ‘সুদীপা’ রূপে তিনি

Change from 'Deepa' to 'Sudipa' by Swastika Ghosh

টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ স্বস্তিকা ঘোষ (Swastika Ghosh) ‘দীপা’ থেকে ‘সুদীপা’ হয়ে ফিরলেন নতুন রূপে। গায়ের রঙ বদলের পর দর্শক বিভ্রান্ত, অভিনেত্রীও জানালেন নিজের অভিজ্ঞতা। জানুন পুরো কাহিনি ও নেপথ্যের গল্প।

বাংলা টেলিভিশন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘অনুরাগের ছোঁয়া’। এই সিরিয়ালের নায়িকা চরিত্র ‘দীপা’ এতটাই দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে যে তাঁকে বাদ দিয়ে গল্প ভাবাই কঠিন। কিন্তু এখন সেই একই মুখ নিয়ে পর্দায় হাজির হচ্ছেন আর এক চরিত্র ‘সুদীপা’ হিসেবে। এই রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত আছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ (Swastika Ghosh)।

তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে একটানা ‘দীপা’ চরিত্রে অভিনয় করার পর হঠাৎ নতুন লুকে দর্শকের সামনে আসা সহজ ছিল না। আর তার সঙ্গে গায়ের রঙের বিরাট পরিবর্তন যেন নাটকীয় আবহ তৈরি করেছে।

চরিত্র বদল: দীপা থেকে সুদীপা

স্বস্তিকা (Swastika Ghosh)-র নিজের কথাতেই— “তিন বছর ধরে ‘দীপা’ হয়ে বেঁচেছি। এখন হঠাৎ করে ‘সুদীপা’ হতে গিয়ে আমার নিজের বাড়ির লোকেরাই মানিয়ে নিতে পারছেন না।” আগে ছিলেন শ্যামবর্ণা দীপা। এখন তিনি ধবধবে ফর্সা সুদীপা। দর্শক এখনও পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছেন না।

চ্যালেঞ্জ কোথায়?

  1. নতুন চরিত্র হলেও একই ধারাবাহিকে অভিনয় করা বড় কঠিন।
  2. দর্শকের অভ্যস্ত দৃষ্টি হঠাৎ বদলাতে চায় না।
  3. পরিবার থেকেও এসেছে মনখারাপ— কারণ প্রিয় চরিত্র দীপাকে আর দেখা যাচ্ছে না।
Swastika Ghosh
Swastika Ghosh

স্বস্তিকা (Swastika Ghosh)-এর মন্তব্য

“প্রথম দিন আয়নায় নিজেকে দেখে সত্যিই অস্বস্তি হচ্ছিল।” টানা তিন বছর ধরে কালো মেকআপ করে অভিনয় করতে হয়েছে তাঁকে। এখন নিজের আসল চেহারা ফিরে পেয়ে খুশি হলেও, মানিয়ে নিতে লেগেছে সময়। আগে ১৪ ঘণ্টা ধরে মেকআপ লেয়ার একই রাখতে হতো। এখন অনেকটাই সহজ হয়েছে।

গায়ের রঙ নিয়ে সমাজে বরাবরই নানা ধারণা ও বিতর্ক আছে। কিন্তু স্বস্তিকা (Swastika Ghosh) স্পষ্ট জানালেন— “আমি কোনও দিনই ধবধবে ফর্সা ছিলাম না। আমার গায়ের রং চাপা, কিন্তু দীপার মতো নয়। যদি রঙ নিয়ে এত মাথাব্যথা থাকত, তবে ‘দীপা’ চরিত্র করতামই না।” তাঁর মতে, একুশ শতকেও যদি ফর্সা-কালো নিয়ে মানুষকে ভাবতে হয় তবে সেটা “লজ্জাজনক”।

আরও পড়ুনঃ ভয়ের শুটিংয়ে অসুস্থ Sreeja Dutta – তবুও হার মানেননি সাহসী অভিনেত্রী

স্বস্তিকা খেয়াল করেছেন— অনেকেই এখনও তাঁকে ‘দীপা’ হিসেবেই ভাবছেন। নতুন চরিত্রের রূপে তাঁকে আলাদা করে দেখতেই পারছেন না। গায়ের রঙের পরিবর্তন দর্শকের চোখে পরিবর্তন আনতে পারছে না। এটাই আসলে প্রমাণ করে, দর্শক চরিত্রের ভেতরের প্রাণটাকেই বেশি গ্রহণ করেন।

কেন দর্শক বিভ্রান্ত?

  1. একই মুখ: দর্শক মানসিকভাবে সেই মুখকে আগের চরিত্রের সঙ্গেই বেঁধে ফেলেছেন।
  2. চরিত্রের ছাপ: তিন বছরের অভ্যাসে দীপার ভাবমূর্তি এতটাই শক্ত হয়েছে যে হঠাৎ নতুন চরিত্র গ্রহণ কঠিন।
  3. নস্টালজিয়া ইফেক্ট: পুরনো চরিত্র চলে গেলে দর্শকের মনখারাপ হয়।

স্বস্তিকা (Swastika Ghosh)-র কাজের প্রতি নিষ্ঠা প্রমাণিত। একই সিরিয়ালে দুটি ভিন্ন চরিত্রে সফলভাবে কাজ করার সুযোগ খুব কম অভিনেত্রী পান। গায়ের রঙ নয়, তাঁর অভিনয় দক্ষতাই তাঁকে জনপ্রিয় করেছে।

দর্শক এখনও পুরোপুরি মেনে নিতে পারছেন না নতুন চরিত্রকে। পরিবার থেকেও আসছে নস্টালজিয়ার চাপ। মেকআপের বড় পরিবর্তনে অভিনেত্রীর নিজের মানসিক অস্বস্তি হয়েছে প্রথম দিকে।

আরও পড়ুনঃ নায়িকাদের বন্ধুত্ব কি আদৌ সম্ভব? Anushka Sharma বনাম Priyanka Chopra-র দ্বন্দ্বে নতুন বিতর্ক

তিনি মনে করেন— গায়ের রঙ কোনও বাধা নয়। শিল্পী মানেই চরিত্র অনুযায়ী রূপান্তরিত হওয়া। দর্শককে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে হবে নতুন চরিত্রের সঙ্গে।

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: স্বস্তিকা ঘোষ কোন ধারাবাহিকের মাধ্যমে জনপ্রিয় হন?

উত্তর: অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকের ‘দীপা’ চরিত্রের মাধ্যমে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা পান।

প্রশ্ন ২: কেন দর্শক সুদীপাকে মেনে নিতে পারছেন না?

উত্তর: দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ‘দীপা’ চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত দর্শক হঠাৎ নতুন চরিত্রে তাঁকে মেনে নিতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন।

প্রশ্ন ৩: গায়ের রঙ নিয়ে অভিনেত্রীর কী মত?

উত্তর: স্বস্তিকা মনে করেন গায়ের রঙ কোনও দিনের মাপকাঠি নয়। অভিনয়ই আসল পরিচয়।

প্রশ্ন ৪: আগের চরিত্রে মেকআপ কতটা সময়সাপেক্ষ ছিল?

উত্তর: টানা ১৪ ঘণ্টা ধরে শ্যামবর্ণা রূপ ধরে রাখতে তাঁকে বিশেষ মেকআপ করতে হতো।

প্রশ্ন ৫: নতুন চরিত্রে তাঁর চ্যালেঞ্জ কী?

উত্তর: একই ধারাবাহিকে বিরতি ছাড়া নতুন চরিত্রে অভিনয় করাই তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

নেতিবাচক মোড়কে ভালোবাসা! গুরুতর দুর্ঘটনার পর Vicky Jain-কে ‘নজর’ থেকে বাঁচাতে বিশেষ আচার পালন অঙ্কিতার

Ankita performs special rituals before Vicky Jain comes home

৪৫টি সেলাই! গুরুতর দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ভিকি জৈন (Vicky Jain)। বাড়ি ফিরতেই অঙ্কিতা লোখান্ডে (Ankita Lokhande) পালন করলেন ‘নজর কাটার’ বিশেষ রীতি। প্রশ্ন উঠল—কোন অন্ধ বিশ্বাসে ভরসা অভিনেত্রীর?

সম্প্রতি এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন জনপ্রিয় ব্যবসায়ী ও রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস’ খ্যাত ভিকি জৈন (Vicky Jain)। কাচ ভেঙে পড়ে মারাত্মকভাবে আহত হয় তাঁর ডান হাত। এতটাই গভীর ক্ষত তৈরি হয় যে, অস্ত্রোপচার করতে হয় এবং ৪৫টি সেলাই পড়ে। ঘটনা ঘটার সময় পাশে ছিলেন না অঙ্কিতা, কিন্তু খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছান।

স্বামী Vicky Jain বেঁচে ফিরতেই ‘বিশেষ নিয়ম’ পালন অঙ্কিতার

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেই ঘটল এক অদ্ভুত ঘটনা। ভিকির হাতে তখনো আর্ম স্লিং। সেই অবস্থাতেই ঘরে পা রাখলেন তিনি। দরজায় অপেক্ষা করছিলেন অঙ্কিতা লোখান্ডে (Ankita Lokhande), হাতে রুপোর থালা এবং জলের গ্লাস।

একনজরে

বাড়ির দরজায় ভিকির সামনে দাঁড়িয়ে মন্ত্র পড়ে আচার পালন করেন অঙ্কিতা। তাঁর কথায়, “আমার স্বামীর উপরে খারাপ নজর লেগেছিল। তাই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।” সেই নজর কাটাতেই এই বিশেষ আচার। সমাজমাধ্যমে এই কাণ্ড ভাইরাল হতেই প্রশ্ন উঠেছে—অঙ্কিতা কি ‘কালা জাদু’ বা তান্ত্রিক প্রথায় বিশ্বাস করেন?

নজর কাটার আচার নিয়ে বিতর্ক

একদল নেটিজেন বলছেন, এটা “অন্ধ বিশ্বাস”। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন—এটা স্ত্রীর উদ্বেগ ও ভালোবাসার প্রকাশ। অঙ্কিতা কোনও রকম রাখঢাক না করে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, কখনও কখনও নেতিবাচক শক্তির প্রভাব পড়ে আমাদের জীবনে। সেই জন্য এই আচার পালন করেছি।”

Vicky Jain ও তার স্ত্রী Ankita
Vicky Jain ও তার স্ত্রী Ankita

নিজের ইউটিউব ভ্লগে স্বামীর সঙ্গে কথোপকথনের অংশ শেয়ার করেন অভিনেত্রী। প্রশ্ন করেন: “কেমন আছো তুমি এখন?” ভিকি (Vicky Jain) জানান, “অনেক বড় ধকল গিয়েছে। সেরে উঠতে সময় লাগবে। হাতটা এখনও অসহ্য ব্যথা করছে। তবে ধীরে ধীরে ঠিক হচ্ছি।”

আরও পড়ুনঃ খুশির ঝলক! Gaurav Chakrabarty ও Ridhima Ghosh-এর ছেলে ধীরের জন্মদিনে জমজমাট চক্রবর্তী পরিবার

দাম্পত্যের বন্ধনে আবেগঘন বার্তা

ভিকি (Vicky Jain)-র সারা হাতে সেলাই, ব্যথা, চিকিৎসা—সব কিছুতেই অঙ্কিতা ছিলেন ছায়ার মতো পাশে। তিনি বলেন, “ঝড় যতই আসুক, আমি তোমার পাশেই থাকব। আমরা একসঙ্গে সব সামলে নেব।” অঙ্কিতার এই সংযত ও সংবেদনশীল আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটিজেনদের একাংশের।

এর আগেও একাধিক সাক্ষাৎকারে ‘নজর’ ও নেতিবাচক শক্তি নিয়ে কথা বলেছেন অভিনেত্রী। বলেন, “আমার জীবনে যখনই বড় কিছু হতে যাচ্ছে, কেউ না কেউ এমন কিছু বলে বা করে যে সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়।”

নেটদুনিয়ায় বিতর্ক তুঙ্গে

কেউ বলছেন, “ভালোবাসা যখন গভীর হয়, তখন মানুষ সব কিছুতেই নিরাপত্তা খোঁজে।”

কেউ আবার একে বলছেন, “একজন শিক্ষিত অভিনেত্রীর অন্ধ বিশ্বাসে পা দেওয়া ঠিক নয়।”

৪৫টি সেলাই নিয়ে এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন ভিকি (Vicky Jain)। চিকিৎসকদের মতে, ফিজিওথেরাপি ও বিশ্রাম লাগবে অন্তত আরও ৩-৪ সপ্তাহ। এই সময় পুরোপুরি ওয়ার্কফ্রম হোমে রয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ Srabanti Chatterjee-র খোলামেলা স্বীকারোক্তি: ১০ বছর পর পুজোয় কামব্যাক, জীবন-লড়াই থেকে সিনেমার জগৎ

‘বিগ বস ১৭’ চলাকালীন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানান গুঞ্জন উঠেছিল। তখন থেকেই দু’জনের মধ্যে মানসিক দূরত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনায় অঙ্কিতার পাশে থাকা, সমস্ত গুঞ্জনের জবাব দিল—ভালোবাসা এখনও অটুট।

প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্রশ্ন ১: ভিকি জৈনের কী ধরনের দুর্ঘটনা হয়েছিল?

উত্তর: আচমকা কাচ ভেঙে পড়ে তাঁর ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে, এবং ৪৫টি সেলাই পড়ে।

প্রশ্ন ২: অঙ্কিতা ঠিক কী আচার পালন করেন?

উত্তর: রুপোর থালা ও গ্লাস হাতে নিয়ে মন্ত্রপাঠ করে ভিকির উপর থেকে ‘খারাপ নজর’ কাটানোর আচার করেন।

প্রশ্ন ৩: এই আচার কি সাধারণত প্রচলিত?

উত্তর: বহু ভারতীয় পরিবারে এ ধরনের নজর কাটার আচার প্রচলিত, যদিও তা বিজ্ঞানে প্রমাণিত নয়।

প্রশ্ন ৪: ভিকির বর্তমান শারীরিক অবস্থা কেমন?

উত্তর: তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন, তবে হাতে ব্যথা রয়েছে এবং বিশ্রাম নিচ্ছেন।

প্রশ্ন ৫: অঙ্কিতা কি কালা জাদুতে বিশ্বাস করেন?

উত্তর: তিনি সরাসরি বলেননি তিনি ‘কালা জাদু’তে বিশ্বাস করেন, তবে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব নিয়ে তাঁর বিশ্বাস রয়েছে।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

খুশির ঝলক! Gaurav Chakrabarty ও Ridhima Ghosh-এর ছেলে ধীরের জন্মদিনে জমজমাট চক্রবর্তী পরিবার

Gaurav Chakrabarty and Ridhima Ghosh's son Dhir's birthday in full swing

১৬ সেপ্টেম্বর দুই বছরে পা দিল গৌরব চক্রবর্তী (Gaurav Chakrabarty) ও ঋদ্ধিমা ঘোষে (Ridhima Ghosh)-এর আদরের ছেলে ধীর। জন্মদিন উপলক্ষে চক্রবর্তী পরিবারে ছিল উৎসবের আমেজ। দাদু–ঠাকুমা সব্যসাচী ও মিঠুর বিশেষ উপহার, ঋদ্ধিমা (Ridhima Ghosh)-র আবেগঘন পোস্ট, আর খুশিতে ভরা সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলল ছোট্ট ধীরের জন্মদিনের সেলিব্রেশন।

১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কলকাতার এক অভিজাত আবাসনে জমজমাট আয়োজন। কারণ, গৌরব চক্রবর্তী (Gaurav Chakrabarty) এবং ঋদ্ধিমা ঘোষ (Ridhima Ghosh)-এর একমাত্র ছেলে ধীরের দ্বিতীয় জন্মদিন। দুই বছর পূর্ণ করা একরত্তি যেন আলো ছড়িয়ে দিল গোটা পরিবারে। বাড়ি ভরা অতিথি, কেক, আলো এবং হাসিখুশি পরিবেশে এক রকম ছোটখাটো উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছিল।

ধীরের জন্মদিনে দাদু সব্যসাচী চক্রবর্তী (Sabyasachi Chakraborty) এবং ঠাকুমা মিঠু চক্রবর্তী (Mithu Chakraborty) নানা উপহার দিলেন নাতিকে। তবে উপহারের তালিকা গোপন রাখতে চাইলেন মিঠু। তিনি মজা করে বলেন, “নাতি-নাতনি দু’জনেই আমাদের অতি আদরের। আসলের থেকে সুদ বেশি—ওদের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই! কত কিছুই কিনেছি, কিন্তু উপহার কিনে প্রকাশ করে বলা যায় নাকি?” এই কথাতেই স্পষ্ট, ধীরের প্রতি ঠাকুরদা–ঠাকুমার ভালোবাসা যেন অফুরান।

ধীরের বিশেষ নাম

পরিবারের কাছে ধীর শুধু নাতি নয়, বরং একরকম প্রাণকেন্দ্র। আদর করে সে ঠাকুমাকে ‘আম্মা’ বলে ডাকে। এই সম্বোধনেই ভরে ওঠে ঘর, আর চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে এক অদ্ভুত উষ্ণতা।

চক্রবর্তী পরিবার
চক্রবর্তী পরিবার

পরিবারের উপস্থিতি

জন্মদিন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন— দুই দাদু, ঠাকুমা, কাম্মা (দিদিমা), কাকা, দিদিরা এবং পরিবার–বন্ধুরা সবাই মিলে ধীরের জন্মদিনের মুহূর্তগুলো করে তুললেন আরও বিশেষ।

Ridhima Ghosh-এর আবেগঘন পোস্ট

ধীরের জন্মদিনে মা ঋদ্ধিমা ঘোষ (Ridhima Ghosh) সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন বার্তা লিখলেন। তিনি লেখেন— “আমার ছোট্ট সোনার দু’বছর পূর্ণ হল। তোমার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত যেন এক একটি ম্যাজিক। তোমার উদ্দীপনা আর সারল্য যেন সারাজীবন এমনই থাকে। তোমার মা হতে পেরে আমি গর্বিত।” এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়, অনুরাগীরা ভাসিয়ে দেন শুভেচ্ছাবার্তায়।

Gaurav Chakrabarty ও তার স্ত্রী Ridhima Ghosh
Gaurav Chakrabarty ও তার স্ত্রী Ridhima Ghosh

আরও পড়ুনঃ অভিনেত্রী Sayantani Mullick-এর হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক! ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর নতুন লড়াই শুরু

অভিনেতা বাবা গৌরব (Gaurav Chakrabarty) ও নাকি ছেলের জন্মদিনে বিশেষ পরিকল্পনা করেছিলেন। কেক কাটার মুহূর্ত থেকে শুরু করে সাজানো ঘর—সবেতেই ছিল গৌরবের ব্যক্তিগত ছোঁয়া। ধীরের জন্মদিনের একাধিক ছবি এবং ভিডিও ঋদ্ধিমা (Ridhima Ghosh) ও গৌরব ভাগ করে নেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। মুহূর্তের মধ্যে ছবিগুলোতে লাইক–কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। ভক্তরা শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় জমান।

মাত্র দুই বছর বয়সেই ধীর হয়ে উঠেছে নেটিজেনদের প্রিয় মুখ। অনুরাগীদের মতে, “অ্যাডোরেবল বেবি স্টার” ধীরের হাসি যেন মন ভরে দেয়।

জন্মদিনের বিশেষ আয়োজন

  • রঙিন বেলুনে সাজানো হয়েছিল গোটা ঘর
  • ছিল থিম বেসড কেক
  • ধীরের প্রিয় টয়স দিয়ে তৈরি হয়েছিল ছোট্ট কর্নার
  • অতিথিদের জন্য ছিল বিশেষ মেনু

সব মিলিয়ে, জন্মদিন যেন হয়ে উঠল এক মধুর উৎসব।

আরও পড়ুনঃ বিগ বসে যেতে কোটি টাকার প্রলোভন! Tanushree Dutta-এর বিস্ফোরক অভিযোগে চমকে গেল বলিউড

চক্রবর্তী পরিবারের এই উদযাপন প্রমাণ করে দেয়, জনপ্রিয় তারকারা যেমন পেশাগত জীবনে ব্যস্ত থাকেন, তেমনই পরিবারের মুহূর্তগুলোতেও ভরপুর দেন ভালোবাসা।

ভক্তরা মন্তব্য করেন— “ধীর একেবারে সুইটহার্ট।”, “গৌরব–ঋদ্ধিমার ছোট্ট প্রিন্স যেন আসল তারকা।”, “সব্যসাচী চক্রবর্তীর নাতি তো আলাদা হবেই।”

গৌরব–ঋদ্ধিমা যেমন অভিনয়ে ব্যস্ত, অনুরাগীরা এখন থেকেই আশা করছেন ধীরও হয়তো ভবিষ্যতে অভিনয় জগতে নাম করবে।

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: কবে ধীরের জন্মদিন পালিত হল?

উত্তর: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ ধীর দুই বছরে পা দেয়।

প্রশ্ন ২: ধীর কার ছেলে?

উত্তর: ধীর হলেন অভিনেতা গৌরব চক্রবর্তী এবং অভিনেত্রী ঋদ্ধিমা ঘোষের একমাত্র ছেলে।

প্রশ্ন ৩: জন্মদিনে কারা উপস্থিত ছিলেন?

উত্তর: পরিবার–পরিজন, দাদু–ঠাকুমা সব্যসাচী ও মিঠু চক্রবর্তী, এবং কাছের আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্ন ৪: জন্মদিনে কী কী আয়োজন হয়েছিল?

উত্তর: থিম বেসড কেক, রঙিন সাজসজ্জা, বিশেষ খাবার এবং পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে জমজমাট পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

প্রশ্ন ৫: ধীরের জনপ্রিয়তা এত বেশি কেন?

উত্তর: ধীরকে ভক্তরা “অ্যাডোরেবল বেবি স্টার” বলে ডাকেন। তাঁর ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় মুহূর্তেই।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

অভিনেত্রী Sayantani Mullick-এর হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক! ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর নতুন লড়াই শুরু

Sayantani Mullick's sudden brain stroke

টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ সায়ন্তনী মল্লিক (Sayantani Mullick) হঠাৎ ‘ব্রেন স্ট্রোক’-এর শিকার হয়ে পড়েছিলেন। প্রথমে সুস্থ হয়ে উঠলেও, পুনরায় ভর্তি হতে হয়েছে তাঁকে। কেন এমন ঘটল, এখনও রহস্যই রয়ে গিয়েছে। স্বামী ইন্দ্রনীল (Indranil Mullick) জানালেন সমস্ত পরিস্থিতির কথা।

অভিনেত্রী সায়ন্তনী মল্লিক (Sayantani Mullick), যাঁকে দর্শক বহু জনপ্রিয় ধারাবাহিকে দেখে অভ্যস্ত, হঠাৎ করেই শারীরিক সমস্যায় ভুগে আলোচনায় আসেন। সাত দিন আগে ঘটে যাওয়া ‘ব্রেন স্ট্রোক’-এর ঘটনা শুধু তাঁর পরিবারকেই নয়, ভক্তদেরও চমকে দিয়েছিল।

যদিও কয়েক দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু আশঙ্কা কাটেনি পুরোপুরি। এরই মধ্যে আবার তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কেন? কী অবস্থায় আছেন তিনি এখন? পাঠকদের জন্য রইল বিস্তারিত তথ্য।

কীভাবে ঘটল এই বিপদ?

মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার কথা শোনার পর অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। সায়ন্তনীর স্বামী ইন্দ্রনীল (Indranil Mullick) জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা এখনও স্পষ্টভাবে বলতে পারেননি কেন হঠাৎ স্ট্রোক হল। রক্তচাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকলেও এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই দ্বিতীয় মতামত নেওয়ার জন্য তাঁকে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুনঃ Shruti Das-এর সাহসী বার্তা ঘিরে তুমুল বিতর্ক: Sweta Bhattacharya-এর মন্তব্যের ছায়া নাকি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝলক?

প্রথমবার চিকিৎসার পরও রহস্য থেকে গিয়েছিল। দ্বিতীয় হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয় ‘ডিএসএ টেস্ট’-এর জন্য। ডিএসএ টেস্ট (Digital Subtraction Angiography) মূলত রক্তনালীর অবস্থা বোঝার একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এই পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসকরা বুঝতে পারবেন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের কোনও সমস্যা আছে কি না।

Sayantani Mullick ও তার স্বামী Indranil Mullick
Sayantani Mullick ও তার স্বামী Indranil Mullick

সায়ন্তনীর স্বামী ইন্দ্রনীল জানিয়েছেন— “কারণটা খুঁজে বের করা খুব জরুরি। না হলে আবার একই ঘটনা ঘটতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “সায়ন্তনী শরীরচর্চা শুরু করতে চাইছে। কিন্তু আমরা আপাতত কড়া ভাবে বারণ করেছি।” বর্তমানে তাঁর রক্তচাপ একেবারে স্বাভাবিক থাকলেও, ভেতরে ভেতরে ভয় কাজ করছে সবার।

আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ে নতুন ইনিংস শুরুতে ব্যস্ত অভিনেত্রী মিশমি দাস

স্ত্রী Sayantani Mullick-এর পাশে ইন্দ্রনীল

  • ইন্দ্রনীল বর্তমানে দুটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন—
    1. ‘পুতুল টিটিপি’
    2. ‘শুভ বিবাহ’
  • শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও স্ত্রীর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তিনি। হাসপাতাল এবং শুটিং ফ্লোর—দুই জায়গায় সময় ভাগ করতে হচ্ছে তাঁকে।

সায়ন্তনী (Sayantani Mullick)-র অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে তাঁর দ্রুত সুস্থতার কামনা করেছেন। ভক্তদের সমর্থন ও শুভেচ্ছাই আপাতত সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে সায়ন্তনীর জন্য।

কেন হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকের পেছনে থাকতে পারে একাধিক কারণ—

  1. জেনেটিক সমস্যা
  2. স্ট্রেস বা মানসিক চাপ
  3. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
  4. অতিরিক্ত ওজন
  5. গোপন শারীরিক অসুখ যেমন—ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল বৃদ্ধি

যদিও সায়ন্তনী (Sayantani Mullick)-র ক্ষেত্রে কোন কারণটি দায়ী তা এখনও জানা যায়নি।

হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর আপাতত তিনি বাড়িতেই আছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলছেন নিয়মিত। পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

সায়ন্তনী নিজে আবার অভিনয়ে ফিরতে আগ্রহী। তবে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া কোনও কাজ শুরু করবেন না। স্বাস্থ্যই আপাতত তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।

প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: সায়ন্তনী মল্লিক এখন কেমন আছেন?

উত্তর: বর্তমানে তিনি বাড়িতেই রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

প্রশ্ন ২: কেন আবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল?

উত্তর: মূলত ‘ডিএসএ টেস্ট’-এর জন্য দ্বিতীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রশ্ন ৩: তাঁর ব্রেন স্ট্রোকের কারণ কী ছিল?

উত্তর: এখনও পর্যন্ত চিকিৎসকরা সঠিক কারণ খুঁজে পাননি।

প্রশ্ন ৪: তাঁর স্বামী ইন্দ্রনীল কী বলছেন?

উত্তর: তিনি জানিয়েছেন যে কারণটা না জানা গেলে আবারও একই সমস্যা হতে পারে।

প্রশ্ন ৫: তিনি কবে আবার অভিনয়ে ফিরবেন?

উত্তর: আপাতত তিনি বিশ্রামে আছেন, চিকিৎসকের অনুমতি পেলেই কাজে ফিরবেন।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

আবেগঘন স্মৃতি: বাবাকে হারানোর পরও হৃদয়ে অমলিন Sudipa Chatterjee-এর ভালোবাসা

Sudipa Chatterjee's love is still in the heart after losing her father

জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায় (Sudipa Chatterjee)-এর জীবনে বাবার সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত আজও অনবদ্য স্মৃতি হয়ে আছে। শৈশবের বোকা প্রশ্ন, বাবার ধৈর্যশীল উত্তর আর অপার আদর আজও তাঁকে নাড়িয়ে দেয়। বাবাকে হারালেও স্মৃতিতে তিনি অমর। পড়ুন এই আবেগঘন গল্প।

মেয়ে আর বাবার সম্পর্ক সবসময়েই বিশেষ। বাবার কোলেই প্রথম সাহস, বাবার হাতেই প্রথম ভরসা। অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায় (Sudipa Chatterjee) সেই সম্পর্কেরই এক টুকরো কাহিনি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেক দিন আগে বাবাকে হারালেও তাঁর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো আজও টাটকা রয়ে গেছে সুদীপার মনে। বাবার ভালোবাসা, ধৈর্য, এবং মেয়েকে বোঝার অসীম ক্ষমতা তাঁকে আজও আবেগপ্রবণ করে তোলে।

প্রতিটি বাবাই মেয়েকে নিজের প্রাণের টুকরো মনে করেন। ছোটবেলায় মেয়েরা নানা অবুঝ প্রশ্ন করে, বাবা সেই প্রশ্নের উত্তর দেন হাসিমুখে। সুদীপাও ছিলেন এমনই এক আদুরে মেয়ে, যিনি বাবাকে একের পর এক প্রশ্নে ভরিয়ে দিতেন। তিনি লিখেছেন, “ছোট থেকে কেন বিয়ে করতে চাইতাম আমি? বাবাকে বললে উনি কী উত্তর দিতেন?” এই প্রশ্নই তাঁকে আজও ভাবিয়ে তোলে।

ছোট থেকেই সুদীপার মনে ছিল বিয়ের স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর বিয়ে করার কারণটা ছিল একেবারেই শিশুসুলভ। বেনারসি শাড়ির লোভ, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গয়নার প্রতি টান। বাবাকে বললে তিনি কখনও হাসতেন, কখনও সিরিয়াস হয়ে পরামর্শ দিতেন। বাবা বলতেন— “হবু শ্বশুর-শাশুড়ির মাথা কীভাবে চিবিয়ে খাব, সেটাও কিন্তু ঠিক করতে হবে!”

Raj Chakrabarty-র সাথে Sudipa Chatterjee
Raj Chakrabarty-র সাথে Sudipa Chatterjee

বাবার ধৈর্য আর মমতা

ছোটদের বোকা বোকা প্রশ্ন অনেক সময় মা-বাবাকে বিরক্ত করে। কিন্তু সুদীপার বাবা কখনও বিরক্ত হতেন না। সবসময় মন দিয়ে শুনতেন তাঁর মেয়ের প্রতিটি কথা। সুদীপা (Sudipa Chatterjee) বলেন, “আমার বোকা কথারও সবসময় গুরুত্ব দিতেন বাবা। কোনও প্রশ্নই ফেলেননি।”

আরও পড়ুনঃ পুজোয় আবির চট্টোপাধ্যায়ের ডাবল ধামাকা: বড়পর্দায় জোড়া রিলিজ, বলিউড তারকাদের সঙ্গে বিজ্ঞাপনেও বাজিমাত!

আজও সুদীপার চোখে তাঁর বাবা হলেন প্রকৃত নায়ক। সিনেমার নায়ক হয়তো গল্পে লড়াই করেন। কিন্তু বাস্তবে তাঁর বাবাই ছিলেন সেই মানুষ, যিনি জীবনের প্রতিটি লড়াইতে পাশে থেকেছেন।

Sudipa Chatterjee-র বর্তমান সংসার

আজ সুদীপা (Sudipa Chatterjee) নিজের পরিবার নিয়ে সুখে আছেন। স্বামী অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় (Agnidev Chatterjee), ছেলে আদিদেব চট্টোপাধ্যায় (Adidev Chatterjee)। তবুও বাবার অভাব সবসময় তাঁকে নাড়া দেয়। কিছুদিন আগে মাকেও হারিয়েছেন তিনি। ফলে এখন স্মৃতিই তাঁর একমাত্র সঙ্গী।

আরও পড়ুনঃ ভয়ের শুটিংয়ে অসুস্থ Sreeja Dutta – তবুও হার মানেননি সাহসী অভিনেত্রী

সুদীপা প্রায়ই ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে জীবনের বিশেষ মুহূর্ত শেয়ার করেন। বাবার সঙ্গে কাটানো সময়, তাঁর হাসি, কথা, ধৈর্য, সবই এখন স্মৃতির পাতায় বন্দি।

FAQ (প্রশ্নোত্তর)

প্রশ্ন ১: সুদীপা চট্টোপাধ্যায় বাবাকে কবে হারান?
উত্তর: সুনির্দিষ্ট সময় তিনি প্রকাশ করেননি, তবে বহু বছর আগে বাবাকে হারিয়েছেন।

প্রশ্ন ২: বাবার স্মৃতি নিয়ে তিনি কী বলেছেন?
উত্তর: শৈশবে বিয়ে করার শিশুসুলভ ইচ্ছে, বোকা প্রশ্ন, আর বাবার ধৈর্যশীল উত্তরগুলোই তিনি স্মৃতিচারণ করেছেন।

প্রশ্ন ৩: এখন সুদীপার পরিবারে কারা আছেন?
উত্তর: স্বামী অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় ও ছেলে আদিদেবকে নিয়ে তিনি সুখী সংসার করছেন।

প্রশ্ন ৪: কেন এই পোস্ট ভাইরাল হলো?
উত্তর: কারণ এটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন, যা মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

Shruti Das-এর সাহসী বার্তা ঘিরে তুমুল বিতর্ক: Sweta Bhattacharya-এর মন্তব্যের ছায়া নাকি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝলক?

Shruti Das' bold message to Sweta Bhattacharya

অভিনেত্রী শ্রুতি দাস (Shruti Das)-এর সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে ফের তোলপাড় ইন্ডাস্ট্রি। খোলামেলা পোশাক প্রসঙ্গে শ্বেতা ভট্টাচার্যের আগের মন্তব্যের ছায়া টানা হলেও শ্রুতি দাবি করেছেন এটি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। বিস্তারিত জানুন।

কিছুদিন আগে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য (Sweta Bhattacharya) খোলামেলা পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, খোলামেলা পোশাকে স্বচ্ছন্দ নন। সেই মন্তব্যের জেরেই ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু হয়েছিল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়। ঠিক এই সময়েই সামনে আসে অভিনেত্রী শ্রুতির (Shruti Das) সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, যা অনেকের কাছে শ্বেতার মন্তব্যের প্রতিধ্বনি মনে হয়েছে।

‘জোয়ার ভাটা’ ধারাবাহিকে শ্রুতির প্রত্যাবর্তন

সম্প্রতি জ়ি বাংলায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাটা’। এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে প্রায় দুই বছর পর ছোট পর্দায় ফিরলেন শ্রুতি। সঙ্গে রয়েছেন আরাত্রিকা মাইতি। ধারাবাহিক শুরু হওয়ার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী। আর ঠিক তখনই তাঁর একগুচ্ছ ছবি ও ক্যাপশন ঘিরে নতুন বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

শ্রুতি দাস (Shruti Das) নিজের পোস্টে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর কিছু লাইন লিখেছিলেন— “আমি রানি, আমার শরীর দেখানোর দরকার নেই। আমি জানি আমার মূল্য কী, আমার যা প্রয়োজন তার সবই আছে। আমি সিংহী, আমি ফিনিক্স, আমি ছাই থেকে উঠে এসেছি। আমি কারও মনোযোগের জন্য বাঁচি না, আমি আমার সাম্রাজ্য নিজেই গড়ে তুলেছি।” পোস্টের প্রতিটি লাইনে ফুটে উঠেছে আত্মবিশ্বাস, শক্তি ও আত্মসম্মানবোধ

অনেকেই মনে করেছেন, শ্রুতির পোস্টে শ্বেতা ভট্টাচার্যের আগের মন্তব্যের ছায়া রয়েছে। কারণ শ্বেতাও পোশাক নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার একটি অংশে আলোচনা শুরু হয়—শ্রুতি কি শ্বেতাকে সমর্থন করছেন? তবে এখানেই আসল রহস্য।

খোলামেলা পোশাক নিয়ে বিতর্কে Sweta Bhattacharya ও Shruti Das
খোলামেলা পোশাক নিয়ে বিতর্কে Sweta Bhattacharya ও Shruti Das

শ্রুতি ঘনিষ্ঠ মহল জানাচ্ছে— তিনি আদতে কাউকে আক্রমণ করেননি। তাঁর পোস্টের বার্তাগুলি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের প্রতিফলন। তিনি নিজের লড়াই, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের শিক্ষা তুলে ধরেছেন। অর্থাৎ, পোস্টের পেছনে শ্বেতার মন্তব্যের কোনও সরাসরি যোগ নেই।

শ্রুতি (Shruti Das)-এর বার্তার অন্তর্নিহিত অর্থ

শ্রুতির পোস্টে যে কথাগুলি উঠে এসেছে, তার মূল তাৎপর্য হলো—

আত্মবিশ্বাস – শরীর দেখানো ছাড়াও একজন নারী নিজের পরিচয় গড়ে তুলতে পারেন।

শক্তি – সিংহীর মতো সাহস নিয়ে লড়াই করে এগোনো যায়।

পুনর্জন্ম – ফিনিক্সের মতো ভস্ম থেকে নতুন করে উঠতে পারে একজন মানুষ।

স্বাধীনতা – অন্যের মনোযোগ বা স্বীকৃতি নয়, নিজের শক্তিই আসল সম্বল।

এই দৃষ্টিভঙ্গিই শ্রুতিকে ইন্ডাস্ট্রিতে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।

কিছু অভিনেতা মনে করছেন, শ্রুতি (Shruti Das)-এর পোস্ট আসলে একধরনের সাহসী স্টেটমেন্ট। অনেকে বলছেন, এটি একজন নারীর আত্মমর্যাদা রক্ষার দৃঢ় বার্তা। আবার অনেকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “বিতর্ক তৈরি করতেই এমন পোস্ট।” ফলে বিষয়টি ইন্ডাস্ট্রিতে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত Vicky Jain: স্বামীর জন্য Ankita Lokhande-র আবেগঘন বার্তা ভাইরাল

সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রুতির পোস্ট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। একদল নেটিজেন প্রশংসা করছেন তাঁর আত্মবিশ্বাসী অবস্থানের। আরেক দল মনে করছেন, তিনি ইন্ডাস্ট্রির চলতি বিতর্ককেই কৌশলে ব্যবহার করেছেন। অনেকেই আবার বলেছেন, এই পোস্টটি তরুণ প্রজন্মের মেয়েদের জন্য এক বড় বার্তা। সমালোচনা ও প্রশংসা—দুটোই মিলিয়ে বিষয়টি ভাইরাল।

শ্রুতির পোস্টে একটাই বিষয় সবচেয়ে জোরালোভাবে ধরা দিয়েছে— একজন নারীর শক্তি কেবল তাঁর শরীর নয়, তাঁর মস্তিষ্ক, বুদ্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনযাত্রাই তাঁকে আলাদা করে তোলে। তিনি সমাজকে জানাতে চেয়েছেন—শরীর দেখিয়ে নয়, নিজের সামর্থ্য দিয়ে সম্মান পাওয়া যায়। এটাই তাঁর সাহসী বার্তার আসল মাহাত্ম্য।

আরও পড়ুনঃ পুজোয় ওটিটিতে তারার মেলা: সৌমিতৃষার প্রত্যাবর্তন থেকে ফেলুদার নতুন চমক

শ্রুতি (Shruti Das)-এর পোস্ট ঘিরে বিতর্ক যতই হোক না কেন, এর মধ্যে দিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে গেছে। পোশাক বা শরীর নয়, আসল পরিচয় গড়ে ওঠে আত্মবিশ্বাসে। ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার সময়ে সমালোচনা ও বিতর্ক আসবেই, কিন্তু নিজের অবস্থান ধরে রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ। শ্রুতি সেটাই করেছেন। তাই বলা যায়, শ্বেতা ভট্টাচার্যের মন্তব্যের ছায়া থাকুক বা না থাকুক, শ্রুতির পোস্ট আসলে নারীশক্তি, আত্মসম্মান ও স্বাধীনতার জোরালো ঘোষণা

FAQ (Frequently Asked Questions)

Q1: শ্রুতির পোস্ট নিয়ে কেন বিতর্ক তৈরি হয়েছে?
👉 কারণ অনেকেই মনে করেছেন, তাঁর বক্তব্য আসলে শ্বেতা ভট্টাচার্যের পোশাক প্রসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত।

Q2: শ্রুতির পোস্টে কী বার্তা দেওয়া হয়েছে?
👉 পোস্টে তিনি নারীশক্তি, আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়েছেন।

Q3: ‘জোয়ার ভাটা’ ধারাবাহিক দিয়ে কতদিন পরে ছোট পর্দায় ফিরলেন শ্রুতি?
👉 প্রায় দুই বছর পর।

Q4: শ্রুতি কি শ্বেতাকে সমর্থন করেছেন?
👉 না, তিনি জানিয়েছেন তাঁর পোস্ট আসলে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।

Q5: নেটিজেনরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন?
👉 কেউ প্রশংসা করেছেন, কেউ সমালোচনা করেছেন। তবে পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

অভিনেত্রী Rupanjana Mitra-র অবিশ্বাস্য পুজো পরিকল্পনা: পরিবার-বন্ধুত্ব আর নস্ট্যালজিয়ার মিষ্টি স্মৃতির কাহিনি

Actress Rupanjana Mitra's incredible pooja plans

অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র (Rupanjana Mitra)-এর দুর্গাপুজো মানেই পরিবার, বন্ধু, নস্ট্যালজিয়া আর আনন্দের মেলবন্ধন। পুজোর কেনাকাটা থেকে পেটপুজো—সবকিছু নিয়ে তিনি কী পরিকল্পনা করলেন, জানুন বিস্তারিত এই বিশেষ প্রতিবেদনে।

অভিনয়, শুটিং ফ্লোর কিংবা ক্যামেরার আলো—সবকিছুর বাইরে রূপাঞ্জনা মিত্র প্রথমেই একজন পরিবারকেন্দ্রিক মানুষ। তাঁর কাছে পরিবারই আসল শক্তি। প্রতিটি উৎসবই তিনি পরিবারের সঙ্গেই উদযাপন করতে ভালোবাসেন। দুর্গাপুজোতেও এর ব্যতিক্রম নেই।

রূপাঞ্জনা (Rupanjana Mitra) জানান— এই বছর এখনও বড় কোনও প্ল্যান হয়নি। ছেলে রিয়ানের হাফ ইয়ার্লি পরীক্ষা চলছে, তাই তার পড়াশোনার গুরুত্ব সবচেয়ে আগে। যদিও ছোট ছোট পরিকল্পনা রয়েছে। সেগুলো কেবলই পরিবার এবং কাছের মানুষদের নিয়ে। তাঁর কাছে পুজোর মানে শুধু ঘুরে বেড়ানো নয়, বরং প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো। অভিনেত্রীর ভাষায়— “আমার কাছে পুজো মানে পরিবারের সঙ্গ। যাঁরা কাছের, তাঁদের সঙ্গেই আনন্দ ভাগ করে নিতে চাই।”

রূপাঞ্জনা (Rupanjana Mitra) স্বীকার করেছেন তিনি প্রতি বছরই লাস্ট মোমেন্ট শপিং করেন। নিজের জন্য নয়, বরং পরিবারের সকলের কথা ভেবেই কেনাকাটা করেন। ছেলে রিয়ানের জামা-কাপড় তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার। প্রতিটি প্রিয়জনের জন্য আলাদা আলাদা উপহার বাছাই করেন। তিনি বলেন, “শৈশবে পুজোর চারদিনে চারটি নতুন জামা পেতাম। তখন বন্ধুদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নতুন জামা পরার আনন্দই ছিল সবচেয়ে বড় ব্যাপার। এখন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই আনন্দ বদলে গেছে। এখন নিজের জন্য নয়, সবার জন্য কিছু কিনে তাদের হাসিমুখ দেখাই আমার আনন্দ।”

অভিনেত্রী Rupanjana Mitra-র দৃষ্টিতে দুর্গাপূজা
অভিনেত্রী Rupanjana Mitra-র দৃষ্টিতে দুর্গাপূজা

Rupanjana Mitra-এর ছোটবেলাকার স্মৃতি রোমন্থন

রূপাঞ্জনার কাছে ছোটবেলার পুজো মানেই বিশেষ অনুভূতি। হাফ ইয়ার্লির পর পুজো আসত, তাই আলাদা আনন্দ থাকত। উত্তর কলকাতার নামী পুজো মণ্ডপে বাবার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো ছিল অবিচ্ছেদ্য স্মৃতি। শৈশবের আবাসনে পুজো মানেই ছিল একান্নবর্তী পরিবারের আবহ। ছোটবেলার অন্যতম উচ্ছ্বাস এখনও হৃদয়ে অমলিন। তাঁর কথায়— “সেই সময়ের পাড়ার পুজো আর একসঙ্গে সকলে হয়ে উপভোগ করার আনন্দ এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে আজও বন্ধুবান্ধব আর পরিবারের সঙ্গেই পুজোর আনন্দ উপভোগ করি।”

আরও পড়ুনঃ বড় বিপাকে Mimi Chakraborty ও Urvashi Rautela: বেটিং অ্যাপ কেলেঙ্কারিতে ইডি-র সমন, উঠছে নয়া প্রশ্ন!

বাঙালিদের দুর্গাপুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক উৎসব। নাচ, গান, নাটক—সবকিছুই পুজোর আবহে মিশে ছিল। আবাসনের প্রত্যেকেই সক্রিয়ভাবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন। মহালয়া থেকে দশমী পর্যন্ত পড়াশোনা, শাসন—কোনও কিছুর বাঁধা থাকত না। ভবিষ্যতে রূপাঞ্জনার (Rupanjana Mitra) স্বপ্ন নিজের ঘরে ছোট করে দুর্গাপুজো আয়োজন করা। তিনি বলেন, “মায়ের ইচ্ছা হলে একদিন অবশ্যই নিজের ঘরেই ছোট করে মা দুর্গার পূজা করতে চাই।”

পেটপুজোর প্রিয় তালিকা

দুর্গাপুজো মানেই শুধু ঠাকুর দেখা নয়, সঙ্গে থাকে জমজমাট খাওয়াদাওয়া।

  • রূপাঞ্জনার প্রিয় কমফোর্ট ফুড: ভাত, ডাল, আলু সেদ্ধ, পোস্ত বাটা।
  • পুজোয় অবশ্যই থাকতে হবে লুচি
  • আশেপাশের ক্লাব থেকে আসা ভোগ তিনি কোনওভাবেই মিস করেন না।
  • পুজোর কদিন নানা নিমন্ত্রণে ভুরিভোজও হয়।

অভিনেত্রী বলেন,
“মায়ের উৎসবে মা নিজেই যা খাওয়ার সুযোগ করে দেন, আমি তা গ্রহণ করি। এখন নিরামিষ খাবারেই বেশি টান। তবে রিয়ানের জন্য মাঝে মাঝে চিকেন আনতেই হয়।”

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য দাবি Tanya Mittal-এর! সমালোচনার ঝড়ে বিদ্ধ ব্যবসায়ী

পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো

রূপাঞ্জনার কাছে দুর্গাপুজো হল প্রিয়জনদের সঙ্গে পুনর্মিলনের সময়। এই বছর রাতুল ও তাঁর অনেক বন্ধু কলকাতায় আসছেন। বছরভর কাজের ব্যস্ততায় যাঁদের সঙ্গে দেখা হয় না, তাঁদের সঙ্গে মিলে আড্ডা, আড্ডার ফাঁকে স্মৃতিচারণা—এটাই তাঁর কাছে পুজোর বড় আনন্দ। বাড়ির সকলকে নিয়ে একসঙ্গে বেরোনোরও পরিকল্পনা থাকছে। তিনি বলেন, “পুজো মানেই একসঙ্গে থাকার আনন্দ। পরিবার-বন্ধুবান্ধবদের ছাড়া আমার কাছে পুজো অসম্পূর্ণ।”

রূপাঞ্জনার (Rupanjana Mitra) কাছে দুর্গাপুজো কেবল উৎসব নয়, বরং জীবনের দর্শনকেও স্পর্শ করে। তিনি বিশ্বাস করেন সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়াই প্রকৃত আনন্দ। নিজের চাওয়া-পাওয়ার থেকে সবার মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। উৎসব মানেই ইতিবাচক শক্তি ছড়িয়ে দেওয়া। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “সবাইকে নিয়ে ভালো থাকাটাই আমার কাছে সবচেয়ে দামি বিষয়। জীবনের প্রকৃত মূল্যবোধ আমি এখানেই খুঁজে পাই।”

FAQ (Frequently Asked Questions)

Q1: রূপাঞ্জনা মিত্র ২০২৫ সালের দুর্গাপুজোয় কী বিশেষ পরিকল্পনা করেছেন?
👉 তিনি মূলত পরিবার ও কাছের মানুষদের সঙ্গেই সময় কাটাতে চান। ছেলে রিয়ানের পরীক্ষার কারণে বড় কোনও পরিকল্পনা হয়নি।

Q2: রূপাঞ্জনা মিত্র পুজোয় কী ধরনের খাবার সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন?
👉 তিনি ভাত, ডাল, আলু সেদ্ধ, পোস্ত বাটা এবং লুচি খেতে ভালোবাসেন। তবে ভোগ তিনি কখনও মিস করেন না।

Q3: ছোটবেলায় রূপাঞ্জনার দুর্গাপুজোর সবচেয়ে বড় স্মৃতি কী?
👉 বাবার হাত ধরে উত্তর কলকাতার ঠাকুর দেখা এবং আবাসনের পুজোতে একসঙ্গে সকলের মেতে ওঠা।

Q4: রূপাঞ্জনার কাছে এখন পুজোর আনন্দ কীভাবে বদলেছে?
👉 শৈশবের জামা-কাপড় আর প্রতিযোগিতার বদলে এখন প্রিয়জনদের জন্য উপহার কেনা আর একসঙ্গে থাকা তাঁর কাছে আসল আনন্দ।

Q5: ভবিষ্যতে রূপাঞ্জনা কী নিজের ঘরে দুর্গাপুজো করবেন?
👉 হ্যাঁ, যদি মায়ের ইচ্ছা হয়, তিনি ছোট করে নিজের ঘরেই দুর্গাপুজো আয়োজন করতে চান।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

অভিনেত্রী Manosi Sengupta-র ছেলের অন্নপ্রাশনে চমক! কলম নয়, বারবার হাতে উঠল টাকা

Actress Manosi Sengupta's son Adhyaya had a shocking incident

Manosi Sengupta: অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্তের ছেলের অন্নপ্রাশনে ঘটল চমকপ্রদ ঘটনা। পাঁচবার কলম না ধরে বারবার টাকা হাতে নেয় অধ্যায়। খুশির মুহূর্তে মিলল আফসোসও। পড়াশোনার চেয়ে মানুষ হয়ে ওঠাই তাঁর কাছে বড়।

রবিবার ছিল অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্তের (Manosi Sengupta) ছেলের অন্নপ্রাশন। সাধারণত এই অনুষ্ঠানে শিশুকে কলম, টাকা বা বই দেওয়া হয়—যা ধরবে সেটাকেই ভবিষ্যতের ইঙ্গিত ধরা হয়। কিন্তু মানসীর ছেলে অধ্যায় যেটা করল, তাতে অবাক সকলে। পাঁচবার হাতে কলম ধরানো হলেও প্রতিবারই সেটা ফেলে দিয়ে টাকা হাতে নেয় অধ্যায়!

এই ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানালেন মা মানসী (Manosi Sengupta)। তিনি বললেন— “অর্থই সব, সেটা বোধহয় এখন থেকেই বুঝে গিয়েছে ছেলে।” তবে সঙ্গে সঙ্গে একটু আফসোসের সুরও শোনা গেল তাঁর গলায়। “আমি খুব আশা করেছিলাম, ছেলে কলম ধরবে। পড়াশোনা শিখে বড় হবে। কিন্তু পাঁচবার দিয়েও কিছুতেই কলম ধরাতে পারলাম না।”

তবে দ্রুতই নিজেকে সান্ত্বনা দেন অভিনেত্রী। তিনি জানালেন— “পড়াশোনা হয়তো একটু কম শিখলেও ক্ষতি নেই। তবে আমি চাই, ছেলে মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠুক। সেটাই আমার আসল আশা।”

মানসীর (Manosi Sengupta) বাড়িতে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আমেজ। ছোটপর্দার খলনায়িকা হিসেবে পরিচিত হলেও আজ তিনি শুধু মা। তিনি বলেন— “অন্নপ্রাশন মানে তো ছেলের হাফ বিয়ে।” অধ্যায়কে সাজানো হয়েছিল হলুদ পাঞ্জাবি, ধুতি আর টোপরে। কিন্তু এত ভিড় ও সাজগোজে একটু ঘাবড়ে গিয়েছিল মাত্র ছ’মাস বয়সী অধ্যায়।

Manosi Sengupta ও ছোট্ট অধ্যায়
Manosi Sengupta ও ছোট্ট অধ্যায়

পূজা-পার্বণে নিখুঁত আয়োজন

গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে নান্দীমুখ—সব রীতি-নীতি মেনে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। মানসী মজা করে বলেন— “অর্ধেক বিয়ে আমি করলাম। এখন বাকিটা আপনাদের দায়িত্ব, পাত্রী দেখে দিন। একদিনেই হাঁফিয়ে গেছি।” তিনি আরও যোগ করেন, ভবিষ্যতে শান্ত শাশুড়ির ভূমিকায় দিব্যি ছেলে-বৌমাকে সামলে নিতে পারবেন।

ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই হাজির ছিলেন ছোটপর্দার মানসীর ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা। ঘরে হাসি, আড্ডা আর মিষ্টি পরিবেশ। খাবারের আয়োজনও ছিল জমজমাট— কাবাব, কফি দিয়ে শুরু জলখাবার। দুপুরে পরিবেশন করা হয় পোলাও, ইলিশ মাছ, পাঁঠার মাংস সহ বিশেষ পদ। অতিথিদের আপ্যায়নে কোনও খামতি রাখেননি অভিনেত্রী।

আরও পড়ুনঃ ৫ বছরে ইউভান চক্রবর্তী! জন্মদিনে রাজ-শুভশ্রীর পরিবারে খুশির হইচই, থাকল ‘সোনিক’-থিম পার্টি

প্রশ্ন উঠল—অধ্যায় কি মায়ের মতো অভিনয়ে আসবে?
মানসী হেসে উত্তর দিলেন— “আমার ইচ্ছে ও ক্রিকেট খেলুক। তবে শেষ সিদ্ধান্ত সময়ই বলবে।” অর্থাৎ, ছেলে কোন পথে এগোবে সেটা পুরোপুরি ভবিষ্যতের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

মানসীর (Manosi Sengupta) মাতৃত্বের অনুভূতি

মানসী সেনগুপ্ত (Manosi Sengupta) একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে খলনায়িকার চরিত্রে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। কিন্তু ছেলের অন্নপ্রাশনের দিন তাঁর চরিত্র ছিল শুধু একজন মায়ের। অনুষ্ঠানজুড়ে তাঁর মুখে খুশি আর মাতৃত্বের গর্ব। আবার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু খচখচানিও লুকোতে পারলেন না।

আরও পড়ুনঃ তমন্না ভাটিয়ার খোলাখুলি মত: পুরুষতান্ত্রিক সমাজে উচ্চাকাঙ্ক্ষী মহিলাদের ভয় পায় পুরুষেরা

অধ্যায় যেভাবে বারবার টাকা হাতে তুলেছে, সেটা অনেকের কাছে মজার বিষয়। কেউ বলছেন—ছোট থেকেই ছেলেটি অর্থের মূল্য বুঝেছে। আবার কারও মতে, এটা নিছকই শিশুর স্বাভাবিক খেলা। তবে মা মানসী স্পষ্ট জানালেন—তিনি চান ছেলে ভালো মানুষ হোক, পড়াশোনা হোক বা না হোক।

এই আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পেল এক মায়ের আবেগ, এক পরিবারের উচ্ছ্বাস আর বন্ধুদের মিলনমেলা। অন্নপ্রাশন শুধু একটি রীতি নয়, বরং এটি হয়ে উঠল এক আনন্দঘন স্মৃতি—যেখানে খুশি, হাসি আর একটু আফসোস মিলেমিশে রইল।

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: মানসী সেনগুপ্তের ছেলের নাম কী?
উত্তর: তাঁর ছেলের নাম অধ্যায়।

প্রশ্ন ২: অধ্যায় অন্নপ্রাশনে কী ধরেছে?
উত্তর: কলম না ধরে বারবার টাকা হাতে নিয়েছে।

প্রশ্ন ৩: মানসী সেনগুপ্ত কেমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন?
উত্তর: তিনি মজা করে বলেছেন ছেলে অর্থের মূল্য বুঝেছে, তবে আফসোসও করেছেন যে ছেলে কলম ধরল না।

প্রশ্ন ৪: অন্নপ্রাশনে অতিথিদের জন্য কী খাবারের আয়োজন ছিল?
উত্তর: কাবাব, কফি, পোলাও, ইলিশ মাছ, পাঁঠার মাংসসহ নানা পদ পরিবেশন করা হয়েছিল।

প্রশ্ন ৫: মানসী চান ছেলে ভবিষ্যতে কী হোক?
উত্তর: তিনি চান ছেলে ক্রিকেট খেলুক, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সময়ের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত Vicky Jain: স্বামীর জন্য Ankita Lokhande-র আবেগঘন বার্তা ভাইরাল

Seriously injured Aankita Lokhaande's husband Vicky Jain

অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডে (Ankita Lokhande)-র স্বামী ভিকি জৈন (Vicky Jain) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। হাতে ঢুকে যাওয়া কাচের টুকরোর কারণে তাঁকে পড়তে হয়েছে ৪৫টি সেলাই। পাশে থেকে ভিকির জন্য আবেগঘন পোস্ট লিখলেন অঙ্কিতা। কী ঘটেছিল সেদিন? জানুন বিস্তারিত।

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় বিপদে Ankita Lokhande-র স্বামী Vicky Jain

বলিউড ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডে (Ankita Lokhande)-র সংসারে নেমে এসেছে অশান্তি। স্বামী ভিকি জৈন (Vicky Jain) গুরুতর দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ে তাঁদের বাড়িতেই। হাতে হঠাৎ ভেঙে যাওয়া গ্লাসের কাচ ঢুকে যায় ভিকির শরীরে। শুরু হয় রক্তক্ষরণ। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন—হাতে দিতে হয়েছে প্রায় ৪৫টি সেলাই

অঙ্কিতার চোখে জল, পাশে নিরন্তর সঙ্গ

দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মধ্যে চাঞ্চল্য। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছেন অঙ্কিতা। স্বামীর পাশে হাসপাতালের বিছানায় দিনরাত বসে আছেন তিনি। বন্ধু ও পরিচালক সন্দীপ সিংহ জানিয়েছেন—“গত ৭২ ঘণ্টা ধরে অঙ্কিতা এক মুহূর্তের জন্যও ভিকিকে ছেড়ে যাননি।”

ভিকির (Vicky Jain) দুর্ঘটনার পর অঙ্কিতা (Ankita Lokhande) ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন— “আমার সঙ্গী হিসেবে তুমি সব সময়ে আমাকে শক্তি দিয়েছো। সবচেয়ে কঠিন সময়েও আমাকে সুরক্ষিত রাখতে চেষ্টা করেছো। গুরুতর পরিস্থিতিতেও তুমি হাসি-মজা করেছো, আমাকে শান্ত রেখেছো। এই দুর্ঘটনা আমাদের আরও একসঙ্গে বেঁধে দিয়েছে।” ভক্তরা অঙ্কিতার এই পোস্টে ভালোবাসা ও প্রার্থনার বার্তা জানিয়েছেন।

Vicky Jain with his wife Aankita Lokhaande
Vicky Jain ও তার স্ত্রী Ankita Lokhande

অঙ্কিতা ও ভিকির ঘনিষ্ঠ বন্ধু সন্দীপ সিংহ হাসপাতাল থেকে একটি ছবি শেয়ার করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে—বিছানায় শুয়ে আছেন ভিকি, পাশে বসে অঙ্কিতা (Ankita Lokhande) তাঁর হাত ধরে রেখেছেন। ছবির ক্যাপশনে সন্দীপ লিখেছেন— “অঙ্কিতা মহামানবীর থেকে কোনও অংশে কম নয়। স্বামীর প্রতি ওর ভালোবাসাই ভিকিকে রক্ষা করছে। গত ৭২ ঘণ্টা ধরে অঙ্কিতার উপস্থিতি অভাবনীয়।”

আরও পড়ুনঃ চাঞ্চল্যকর জল্পনা! Salman Khan নাকি Aly Goni – কার বিয়ের সানাই বাজতে চলেছে?

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

  • ঘটনাটি ঘটেছে বাড়িতে হঠাৎ ভাঙা গ্লাসের কাচ হাতে ঢুকে যাওয়ার ফলে।
  • প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন অঙ্কিতা।
  • দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ভিকিকে।
  • হাতে পড়েছে প্রায় ৪৫টি সেলাই।
  • চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।

অঙ্কিতা লোখন্ডে (Ankita Lokhande) ও ভিকি জৈন (Vicky Jain) বলিউডের অন্যতম আলোচিত দম্পতি। তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে এখনও ভক্তরা আলোচনা করেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা একে অপরের সঙ্গী। এবারও দেখা গেল, বিপদের দিনে স্বামীর পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে আছেন অঙ্কিতা।

ভিকির (Vicky Jain) দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে ঝড়। কেউ লিখেছেন—“ঈশ্বর দ্রুত ভিকিকে সুস্থ করুন।” আবার কেউ বলেছেন—“অঙ্কিতা সত্যিই আদর্শ স্ত্রী।”

ডাক্তারদের দাবি—ভিকির হাতে যেভাবে কাচ ঢুকেছিল, তাতে বড় বিপদ হতে পারত। সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানোয় বিপদ কিছুটা এড়ানো গেছে। আপাতত তিনি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলে ইউভানের জমকালো জন্মদিন: ‘সোনিক’ থিমে মাতল তারকা পরিবার

অঙ্কিতা-ভিকি জনপ্রিয় মুখ। তাই তাঁদের জীবনের এই দুর্ঘটনা নিয়ে বলিউড মহলেও আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অনেক তারকাই ভিকির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

অঙ্কিতা পোস্টে লেখেন— “আমরা সমস্ত ঝড় একসঙ্গে মোকাবিলা করব। তোমার হাত ধরে আমি এগিয়ে যাব। তুমিই আমার শক্তি, তুমিই আমার শান্তি। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো।” এই বার্তাই প্রমাণ করে—ভালোবাসার শক্তি কতটা দৃঢ়।

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: ভিকি জৈনের দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?
উত্তর: বাড়িতে ভাঙা গ্লাসের কাচ হাতে ঢুকে যাওয়ায় গুরুতর আহত হন ভিকি।

প্রশ্ন ২: ভিকির হাতে কতটি সেলাই পড়েছে?
উত্তর: চিকিৎসকদের মতে, তাঁর হাতে প্রায় ৪৫টি সেলাই পড়েছে।

প্রশ্ন ৩: অঙ্কিতা লোখন্ডে কি হাসপাতালে স্বামীর পাশে রয়েছেন?
উত্তর: হ্যাঁ, অঙ্কিতা দিনরাত ভিকির সঙ্গেই আছেন।

প্রশ্ন ৪: এই দুর্ঘটনা নিয়ে অঙ্কিতা কী বলেছেন?
উত্তর: তিনি একটি আবেগঘন পোস্ট লিখে জানিয়েছেন—ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

প্রশ্ন ৫: বর্তমানে ভিকি জৈনের অবস্থা কেমন?
উত্তর: চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

ভয়ের শুটিংয়ে অসুস্থ Sreeja Dutta – তবুও হার মানেননি সাহসী অভিনেত্রী

‘নিশির ডাক’ শুটিংয়ের সময় হঠাৎ ভয়ঙ্কর অসুস্থ Sreeja Dutta

অভিনেত্রী সৃজা দত্ত (Sreeja Dutta) ‘নিশির ডাক’ শুটিংয়ের সময় হঠাৎ ভয়ঙ্কর অসুস্থতায় ভুগলেও শুটিং চালিয়ে যান। জ্বর, গলাব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার মাঝেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে চরিত্রে নিজেকে উজাড় করেছেন। পড়ুন তাঁর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ গল্প।

অভিনেত্রী সৃজা দত্ত (Sreeja Dutta)-র জীবনে এমন অভিজ্ঞতা আগে হয়নি। হইচই প্ল্যাটফর্মের নতুন ভৌতিক ওয়েব সিরিজ ‘নিশির ডাক’-এ অভিনয়ের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। জ্বর, গলাব্যথা, চোখ লাল হয়ে ফুলে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিসের মতো লক্ষণ) এসব মিলিয়ে পুরো দশ দিন তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁর চোখ এতটাই লাল হয়ে উঠেছিল যে আশেপাশের মানুষ ভয় পেয়ে যাচ্ছিলেন।

অভিনেত্রীর কথায়— “শুটিংয়ের আগের দিন পর্যন্ত আমি পুরোপুরি সুস্থ ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই রাতে প্রবল জ্বর আসে। শরীর ভীষণ দুর্বল হয়ে যায়। চোখ ফুলে যায়, লাল হয়ে ওঠে। এর মধ্যেই আমাকে শুটিং চালিয়ে যেতে হয়।” শুটিংয়ের চাপ, চরিত্রের দায়বদ্ধতা, আর দর্শকদের প্রত্যাশা—এসবের জন্য তিনি অসুস্থ শরীর নিয়েই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন।

জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথম কাজ

‘একেনবাবু’-খ্যাত জয়দীপ মুখোপাধ্যায় (Joydeep Mukherjee) পরিচালনা করেছেন এই সিরিজ। এই প্রথম তাঁর সঙ্গে কাজ করলেন সৃজা (Sreeja Dutta)। নিজের ভাষায়, “জয়দীপদার মতো পরিচালক সবার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পান না। আমি অসুস্থ হলেও তাঁর নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনেছি। এমন সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি।”

অভিনেত্রী Sreeja Dutta ও Dev
অভিনেত্রী Sreeja Dutta ও Dev

সৃজা দত্ত (Sreeja Dutta) প্রথম অভিনয়ে সুযোগ পান প্রয়াত অরুণ রায় পরিচালিত ‘বাঘা যতীন’ ছবিতে। সেখানে তাঁর বিপরীতে ছিলেন সুপারস্টার দেব। এরপর আবার দেবের সঙ্গেই অভিনয় করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘টেক্কা’ ছবিতে। দুটি ছবির পর হঠাৎ দীর্ঘ বিরতি নেন তিনি পড়াশোনার কারণে।

দেবের সঙ্গে নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ

বড়পর্দায় দুটি ছবিতেই দেবের সঙ্গে কাজ করায় অনেকের ধারণা হয়েছিল—সৃজা শুধু দেবের সঙ্গেই কাজ করবেন। প্রশ্ন করা হলে তিনি অবাক হয়ে বলেন, “যিনি হাত ধরে আমাকে অভিনয়ের দুনিয়ায় এনেছেন, তাঁর থেকে দূরে সরতে চাইব কেন? তবে শুধু দেবদার ছবিতেই আমি থাকব, তা তো নয়। আমার হাতে এখনও অনেক সময় আছে।”

Sreeja Dutta-এর দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অভিনয়ের সময় তিনি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। বর্তমানে তিনি পড়াশোনার শেষ বর্ষে। পড়াশোনার চাপ কমে আসায় তিনি আবার অভিনয়ে ফিরতে প্রস্তুত।

সৃজা (Sreeja Dutta) আগে কখনও ওয়েব সিরিজে কাজ করেননি। তাই ‘নিশির ডাক’ তাঁর জন্য একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা।
তিনি জানান, “বড়পর্দায় কাজ করেছি, কিন্তু ওয়েব প্ল্যাটফর্মের জন্য প্রথমবার কাজ করলাম। চরিত্রটি বহুস্তরীয়, যা আমাকে পুরো মনপ্রাণ দিয়ে অভিনয় করতে হয়েছে।”

ছোটপর্দায় যোগ দেওয়ার গুজব ছড়ালেও সৃজা সেগুলো নস্যাৎ করেছেন। তাঁর মতে— “আমি যা কিছু পাচ্ছি, সবটাই ঈশ্বরের আশীর্বাদ। না চাইতেও অনেক ভালো কাজ পাচ্ছি।”

আরও পড়ুনঃ পুজোয় ওটিটিতে তারার মেলা: সৌমিতৃষার প্রত্যাবর্তন থেকে ফেলুদার নতুন চমক

শারীরিক কষ্ট সহ্য করেও সৃজা ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর জন্য এই কাজ শুধু একটা প্রোজেক্ট নয়, বরং আত্মপ্রকাশের মঞ্চ। অসুস্থ শরীরের মধ্যেও শুটিং চালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি তাঁর সাহসিকতা ও পেশাদারিত্ব প্রমাণ করে।

পড়াশোনা শেষ হলে তিনি অভিনয়কে পুরোপুরি সময় দিতে চান। নতুন ওয়েব সিরিজ, বড়পর্দার প্রোজেক্ট—সবেতেই সুযোগ পেলে তিনি কাজ করবেন। তাঁর মতে, “আজ কাজ না পেলেও আগামীতে নিশ্চয়ই পাব। আমি আশাবাদী।”

আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় মাতৃত্বের কঠিন লড়াই! Ileana D’Cruz-এর জীবনের চমকপ্রদ উন্মোচন – পরিবার, কষ্ট আর মাতৃত্বের বাস্তবতা

FAQ (Frequently Asked Questions)

প্রশ্ন ১: সৃজা দত্ত কোন ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন?
উত্তর: তিনি হইচই প্ল্যাটফর্মের ভৌতিক ওয়েব সিরিজ ‘নিশির ডাক’-এ অভিনয় করেছেন।

প্রশ্ন ২: ‘নিশির ডাক’ শুটিংয়ের সময় সৃজা কেন অসুস্থ হয়েছিলেন?
উত্তর: শুটিং শুরুর আগের রাতেই হঠাৎ জ্বর, গলাব্যথা ও চোখ লাল হয়ে ওঠায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

প্রশ্ন ৩: সৃজা দত্ত প্রথম কোন ছবিতে অভিনয় করেছিলেন?
উত্তর: প্রয়াত অরুণ রায়ের ‘বাঘা যতীন’ ছবিতে দেবের বিপরীতে অভিনয় করেন।

প্রশ্ন ৪: সৃজা কি ছোটপর্দায় অভিনয় করছেন?
উত্তর: না, ছোটপর্দায় কাজের গুজব তিনি নস্যাৎ করেছেন।

প্রশ্ন ৫: ভবিষ্যতে সৃজা দত্তের পরিকল্পনা কী?
উত্তর: পড়াশোনা শেষ করে তিনি আবার বড়পর্দা ও ওয়েব সিরিজে অভিনয়ে মন দিতে চান।

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook