রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলে ইউভানের জমকালো জন্মদিন: ‘সোনিক’ থিমে মাতল তারকা পরিবার

রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলে ইউভানের জমকালো জন্মদিন

পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলে ইউভান ৫ বছরে পা দিল। ‘সোনিক’ থিমে সাজানো জন্মদিনে উপস্থিত ছিল খুদে বন্ধুরা। বিশেষ মুহূর্তে নজর কাড়লেন কোয়েল মল্লিকের ছেলে কবীরও।

১২ সেপ্টেম্বর ছিল পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলে ইউভান চক্রবর্তীর জীবনের এক বিশেষ দিন। মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই ইউভান হয়ে উঠেছে টলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্টার কিডদের মধ্যে একজন। বাবা-মায়ের মতোই ইউভানকে নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ সবসময়ই তুঙ্গে। তাই তার জন্মদিনও হয়ে উঠল একেবারে স্টার-স্টাডেড উদযাপন

‘সোনিক’ থিমে সাজল ইউভানের জন্মদিন

ইউভানের জন্মদিনের থিম ছিল তার প্রিয় চরিত্র ‘সোনিক’। অনুষ্ঠানের ভেন্যু সাজানো হয়েছিল নীল-হলুদ বেলুনে, যা শিশুদের জন্য একেবারে কার্টুন ও ফ্যান্টাসি দুনিয়ার আবহ তৈরি করেছিল। থিম অনুযায়ী কেকও তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে সোনিকের ছবি এবং নীল-সাদা রঙের ঝলক ফুটে উঠেছিল।

জন্মদিনে আমন্ত্রিত ছিল ইউভানের বহু বন্ধু ও পরিচিত তারকা-সন্তান। বিশেষ করে নজর কাড়লেন কোয়েল মল্লিকের ছেলে কবীর। জন্মদিনের আসরে সবচেয়ে বেশি উত্তেজিত ছিল সে। ইউভান ও তার ছোট বোন ইয়ালিনি দু’জনেই সাদা-কালো জার্সি পরে অনুষ্ঠানে হাজির হয়। শুভশ্রী ও রাজ ছবি ভাগ করে নিলেন ভক্তদের সঙ্গে, যেখানে দেখা গেল—শুভশ্রীর কোলে ইউভান এবং রাজের কোলে ইয়ালিনি।

রাজ চক্রবর্তীর সাক্ষাৎকার

রাজ এক সাক্ষাৎকারে জানান— ইউভান জন্মদিনের দিনও সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। রাজ বলেন, “ও স্কুলে যেতে খুব ভালবাসে। জন্মদিন হলেও সকালে স্কুলের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিল।” স্কুলের বন্ধুদের জন্য ইউভান নিজের হাতে উপহার নিয়ে গিয়েছিল, যা তার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

রাজ আরও বলেন— ইউভান খেতে খুব একটা ভালোবাসে না। তার কাছে খাওয়া মানে সময় নষ্ট করা। তবে সে কিছু নির্দিষ্ট খাবার খেতে ভালোবাসে, যেমন—মাখানা, কলা এবং মাছভাজা। জন্মদিনের দিন সকাল থেকেই সে আনন্দে বলে চলেছিল, “আমার আজ জন্মদিন!”

জন্মদিনের পার্টিতে শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তী
জন্মদিনের পার্টিতে শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তী

জন্মদিনের প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন রাজ ও শুভশ্রী। ছবিতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, ইউভান তার বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করছে, মজা করছে এবং আনন্দে ভরপুর। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তগুলো ইউভানের শৈশবকে আরও সুন্দর করে তুলেছে।

ইউভান এখন টলিউডের সবচেয়ে চর্চিত স্টার কিডদের মধ্যে একজন। তার জন্মদিনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ দেখা যায়। শুভশ্রী প্রায়ই ইউভানের ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন, যা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তদের কাছে ইউভান এখন শুধু পরিচালক-অভিনেত্রীর ছেলে নয়, বরং এক ছোট্ট তারকা

আরও পড়ুনঃ দিল্লি হাই কোর্টে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের বড় জয়! ডিপফেক ও এআই অপব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা

জন্মদিনের দিনে শুধু ইউভান নয়, তার ছোট বোন ইয়ালিনিও ছিল সবার নজরে। রাজ-শুভশ্রী তাঁদের সন্তানদের নিয়ে বেশ কয়েকটি পারিবারিক ছবি শেয়ার করেন। এই ছবি দেখে বোঝা যায়, পরিবারকে কেন্দ্র করেই তাঁদের আসল সুখ।

জন্মদিনের আসর শুধুমাত্র কেক কাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ইউভানের খুদে বন্ধুরা গান, খেলা ও নানা রকম আয়োজনের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলেছিল। প্রত্যেকটি খুদে অতিথিই যেন ইউভানের আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছিল।

আরও পড়ুনঃ নন্দনে ছবির জায়গা না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty) – সরকারের কোপের শিকার অভিনেত্রী?

শুভশ্রী ও রাজ জন্মদিনের ছবি শেয়ার করার পর মুহূর্তেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তরা ইউভানকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দেন। অনেকেই লেখেন—“ইউভান একেবারে রাজ-শুভশ্রীর আদরের সোনার ছেলে।”

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

পুজোয় আবির চট্টোপাধ্যায়ের ডাবল ধামাকা: বড়পর্দায় জোড়া রিলিজ, বলিউড তারকাদের সঙ্গে বিজ্ঞাপনেও বাজিমাত!

পুজোর বিজ্ঞাপনে আবির চট্টোপাধ্যায়ের সাথে থাকছেন জিনাত আমন, বরুণ ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর, উরফি জাভেদ ও মালবিকা মোহন

পুজোয় বড়পর্দায় জোড়া রিলিজের সঙ্গে বলিউড তারকাদের পাশে বিজ্ঞাপনে ধরা দিলেন আবির চট্টোপাধ্যায়। উৎসবের আমেজে টিভি-মোবাইলেও মাতবেন এই টলিউড তারকা।

আবির চট্টোপাধ্যায় মানেই পুজোর হিট মেশিন!

টলিউডের প্রথম সারির জনপ্রিয় অভিনেতাদের তালিকায় যাঁর নাম একেবারে ওপরেই, তিনি আবির চট্টোপাধ্যায়। পুজোর মরশুম মানেই তাঁর নতুন সিনেমা—এ যেন এক অলিখিত রীতি হয়ে গিয়েছে। গত দেড় দশকে নিজের অভিনয় দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে এসেছেন তিনি।

চলতি বছর আবির চট্টোপাধ্যায় পুজোয় দিচ্ছেন জোড়া রিলিজ—একটি বিরল ঘটনা, যা এখনই চর্চায়। তাঁর নতুন দুই ছবি পুজোর বড়পর্দায় দেব এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে টেক্কা দেবে বলেই ইন্ডাস্ট্রিতে জোর গুঞ্জন। অতীতে ‘সোনাদা’ চরিত্রে সাফল্যের পর আবির পরপর উইন্ডোজ প্রযোজনায় হিট ছবি উপহার দিয়েছেন।

বক্স অফিস সংখ্যায় অতটা না ভেবে, গুণমান এবং গল্পকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন আবির। যদিও প্রতি বছরই তাঁর পুজোর ছবি থাকে সুপারহিটের তালিকায়। দর্শকদের প্রত্যাশার মানে পৌঁছানোই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য।

আবির চট্টোপাধ্যায়, বরুণ ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর
আবির চট্টোপাধ্যায়, বরুণ ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর

শুধু সিনেমা নয়, এই পুজোয় বিজ্ঞাপনেও বাজিমাত

এবারের পুজোতে আবির শুধু বড়পর্দাতেই নয়, ছোট পর্দা—টিভি এবং মোবাইলেও রাজত্ব করবেন। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পোশাক বিপণন সংস্থার মুখ হয়েছেন তিনি। এই ব্র্যান্ড ক্যাম্পেনে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জিনাত আমন, বরুণ ধাওয়ান, শ্রদ্ধা কাপুর, উরফি জাভেদ ও মালবিকা মোহন।

পুজোর এই বিশেষ বিজ্ঞাপনে ধরা দিয়েছেন একেবারে সাবেকি বাঙালি লুকে। ষষ্ঠী থেকে দশমী—পুজোর পাঁচ দিন কীভাবে কোন পোশাকে সাজবেন, তা পরামর্শ দিচ্ছেন অভিনেতা নিজেই। ঢাকের তালে ধুনুচি নাচের দৃশ্য থেকে শুরু করে উৎসবের নানা লুক—সবই ধরা পড়েছে বিজ্ঞাপনের ঝলকে।

বলিউড তারকাদের সঙ্গে কাজ করে কলকাতার গণ্ডি পেরিয়ে এখন ন্যাশনাল লেভেলে জনপ্রিয়তা পাচ্ছেন আবির। তাঁর উপস্থিতি বহু শহরে সম্প্রচারিত বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেনে তাঁকে দিয়েছে লিডিং ফোকাস। ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ক্যাম্পেনের অংশ হতে পেরে তাঁরা অত্যন্ত গর্বিত।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর বিজ্ঞাপনের মিউজিকের সঙ্গে উৎসবের লুক মিলিয়ে একটি কনটেস্টে অংশ নিতে পারবেন সাধারণ মানুষ। নির্বাচিত কয়েকজন পাবেন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার হিসেবে সুযোগ বা বিশেষ ফিচার।

পুজো মানেই এখন শুধু সিনেমা নয়—ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল ক্যাম্পেন, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং সবেতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন তারকারা। আবির সেই লাইনে একধাপ এগিয়ে, কারণ তাঁর উপস্থিতি টিভি ও ডিজিটাল মিডিয়াতে সমান জনপ্রিয়। সব বয়সের দর্শকদের জন্য রয়েছে তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে এক পরিণত পারফরম্যান্স।

আরও পড়ুনঃ অস্ট্রেলিয়ায় জুঁই ফুলের মালার কারণে বিপাকে দক্ষিণী অভিনেত্রী নব্যা নায়ার, জরিমানা ১.১৪ লাখ টাকা

আবির বনাম দেব বনাম বুম্বাদা—কে এগিয়ে?

এবারের পুজোয় দেবের একটি বড় ছবি মুক্তি পাচ্ছে। সঙ্গে আছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। এই প্রতিযোগিতার মধ্যে আবিরের জোড়া রিলিজ নিঃসন্দেহে টলিউডের বক্স অফিসে উত্তেজনা বাড়াবে। যদিও তিন অভিনেতাই নিজেদের নিজের জায়গায় সফল, তবে উৎসবের বক্স অফিস যুদ্ধ নিয়ে চর্চা চলবেই।

আবির চট্টোপাধ্যায় ও ‘সোনাদা’ চরিত্র এখন টলিউডের অন্যতম আইকনিক জুটি। পুজোতে দর্শক তাঁর কাছ থেকে এইরকম দারুণ কনটেন্ট পেতে অভ্যস্ত। নতুন ছবিগুলির নাম এখনও ফাইনাল না হলেও, সাসপেন্স ও অ্যাডভেঞ্চারের ছোঁয়া থাকবে বলেই ধারণা।

পুজোর আগে থেকেই চলবে বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেন। ষষ্ঠীর দিন মুক্তি পাবে তাঁর একটি ছবি, আর দশমীর সময় আরেকটি—এই স্ট্র্যাটেজি নজরকাড়া। বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও তাঁর পুরনো ও নতুন কনটেন্ট নিয়ে স্পেশাল প্যাকেজ আসছে।

আরও পড়ুনঃ তিনতলা থেকে ঝাঁপ! সাহসী স্টান্টে চমকে দিলেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি

আবিরের পুজো এবার দেশজুড়ে

কলকাতা ছাড়িয়ে এবার আবির চট্টোপাধ্যায়ের পুজো সেলিব্রেশন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। বিভিন্ন শহরে তাঁর বিজ্ঞাপন দেখতে পাওয়া যাবে ডিজিটাল হোর্ডিং, বিলবোর্ড, সোশ্যাল মিডিয়া এবং রিটেইল স্টোরে। বাংলা সিনেমার এই নায়ক এবার ন্যাশনাল আইকন হয়ে উঠছেন ধীরে ধীরে।

এই পুজোয় আবির চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। একদিকে জোড়া সিনেমা রিলিজ, অন্যদিকে বলিউড তারকাদের সঙ্গে ব্র্যান্ড ক্যাম্পেন—সব মিলিয়ে ২০২৫ সালের পুজোতে বিনোদনের সেরা ‘কম্বো প্যাক’ হলেন আবির নিজেই। বাংলা সিনেমার অগ্রগামী মুখ হিসেবে তাঁর এই অগ্রগতি নিঃসন্দেহে টলিউডের জন্য গর্বের।

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

৫ বছরে ইউভান চক্রবর্তী! জন্মদিনে রাজ-শুভশ্রীর পরিবারে খুশির হইচই, থাকল ‘সোনিক’-থিম পার্টি

৫ বছরে পা দিল রাজ-শুভশ্রীর ছেলে ইউভান চক্রবর্তী

৫ বছরে পা দিল রাজ-শুভশ্রীর ছেলে ইউভান চক্রবর্তী। জন্মদিনে বিশেষ থিমে পার্টি, স্কুল-প্রীতি আর ছোট বোন ইয়ালিনির আদরে কেটেছে দিনটা। কী বললেন বাবা রাজ?

১২ সেপ্টেম্বর সকালে রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেন উৎসবের আবহ। কারণ, তাঁদের ছেলে ইউভান চক্রবর্তী ৫ বছরে পা দিল। ছোট ছেলে থেকে ক্রমশ বড় হয়ে ওঠা ইউভান আজ বাংলা টলিউডের অন্যতম পরিচিত ‘স্টার কিড’। তার জন্মদিন মানেই একটা বিশেষ দিন চক্রবর্তী পরিবারের কাছে।

জন্মদিনের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই ইউভান ছিলেন চরম উত্তেজনায়। সেদিন সকাল থেকেই ঘরে ঘরে খুশির হাওয়া। রাজ-শুভশ্রী দু’জনেই জানান, ইউভান নিজে থেকেই সারা সকাল বলে যাচ্ছিল, “আজ আমার জন্মদিন, আজ আমার জন্মদিন!”

মাত্র দেড় বছরের ছোট বোন ইয়ালিনি চক্রবর্তী আধো-আধো বুলিতে দাদাকে ‘হ্যাপি বার্থডে’ জানায়। পরিবারের ছোট সদস্য ইয়ালিনি সকাল থেকে দাদার সঙ্গে খেলায় মেতেছিল।

ছেলের জন্মদিনেও ছুটি পেলেন না বাবা রাজ

রাজ চক্রবর্তী এদিন সকালেই শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এরপর তাঁকে ব্যারাকপুর যেতে হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কাজে। তবুও তিনি জানালেন, বিকেলে বন্ধুদের জন্য বিশেষ জন্মদিনের পার্টি আয়োজন করেছেন শুভশ্রী।

ইউভানের এবারের জন্মদিনের থিম ছিল তাঁর প্রিয় কার্টুন চরিত্র: ‘সোনিক’। অ্যাভেঞ্জারস ও সোনিক—দুটোই ইউভানের খুব পছন্দ। তাই ঘর সাজানো থেকে কেক, গিফট ব্যাগ—সব কিছুতেই ছিল সোনিক-থিমের ছোঁয়া। শুভশ্রী নিজে হাতে থিম প্ল্যান করেছেন।

পিতৃত্বের পাঁচ বছর পূর্ণ করে রাজ চক্রবর্তী বলেন: “আগে শুধু নিজের কাজ আর কেরিয়ার নিয়ে ভাবতাম। এখন ভাবনাচিন্তার জগৎ অনেক বড় হয়েছে।” ইউভানের আগমনে জীবনের মানে বদলে গিয়েছে রাজের কাছে।

৫ বছরে পা দিল রাজ-শুভশ্রীর ছেলে ইউভান চক্রবর্তী
৫ বছরে পা দিল রাজ-শুভশ্রীর ছেলে ইউভান চক্রবর্তী

জন্মদিনেও স্কুলমুখী ইউভান!

জন্মদিনের দিনেও ইউভান স্কুলে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিল। রাজ জানান, ছেলে স্কুল খুব ভালবাসে, তাই জন্মদিনেও সে স্কুলে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, নিজের বন্ধুদের জন্য সে উপহারও নিয়ে গিয়েছে।

রাজ জানান, “ইউভান খাওয়ার বিষয়ে একেবারেই সিরিয়াস নয়। ওর মতে খাওয়া মানে সময় নষ্ট।” যদিও সে কিছু নির্দিষ্ট খাবার ভালবাসে যেমন: মাখানা, কলা, মাছভাজা।

বিকেল থেকেই শুরু হয় জমজমাট সেলিব্রেশন। ইউভানের স্কুলের বন্ধু, পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের নিয়ে হয় বিশেষ পার্টি। রাজ-শুভশ্রী দু’জনেই সব পরিকল্পনা নিজের হাতে করছিলেন।

আরও পড়ুন:- দুর্গাপুজো ২০২৫: ব্যবসা, পরিবার ও নতুন স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী সুস্মিতা রায়

জন্মদিন মানেই মা শুভশ্রীর বাড়তি দায়িত্ব। কেক কাটা থেকে সাজসজ্জা—সব ক্ষেত্রে মায়ের নিখুঁত পরিকল্পনা ছিল। সোনিক-থিমে কেক ও কাপকেকও ছিল ইউভানের প্রিয় তালিকায়। ইউভানের জন্মদিনে টলিউডের অনেক তারকাই শুভেচ্ছা জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভশ্রীর পোস্টে মন্তব্য ও লাইক-এর বন্যা। ভক্তরাও ছোট ইউভানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

রাজ বলেন, “ইউভান আমাদের জীবনের আলো। ও আমাদের বদলে দিয়েছে। ওর মুখের হাসি আমাদের বেঁচে থাকার রসদ।” শুভশ্রীও জানান, সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্তই তাঁর জীবনের সবচেয়ে আনন্দের।

আরও পড়ুন:- প্রকাশ্যে ‘চোখের নীলে’: আবির-মিমির রোম্যান্টিক কেমিস্ট্রি মাতাল নেটদুনিয়া

রাজ ও শুভশ্রী দু’জনেই চান, ইউভান স্বাধীনভাবে নিজের পছন্দে বড় হোক। তাঁরা কোনও কিছু চাপিয়ে দিতে চান না, বরং ওর শৈশবকে উপভোগ করতে সাহায্য করছেন।

এইভাবেই হইহই করে কাটল ইউভান চক্রবর্তীর পঞ্চম জন্মদিন। পরিবার, বন্ধু আর প্রিয়জনদের ভালোবাসায় ভরা এই দিনটি হয়ে উঠল চক্রবর্তী পরিবারের স্মৃতির খনি।

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

পুজোয় ওটিটিতে তারার মেলা: সৌমিতৃষার প্রত্যাবর্তন থেকে ফেলুদার নতুন চমক

এবার পুজোয় সৌমিতৃষার নতুন হইচই ওয়েব সিরিজ ‘কালরাত্রি ২’

পুজোয় হইচই-তে ফিরছেন সৌমিতৃষা কুণ্ডু সহ একঝাঁক প্রিয় মুখ। নতুন রহস্য, থ্রিলার ও সাইকোলজিকাল গল্পে জমজমাট হবে ওটিটি বিশ্ব।

অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু

দীর্ঘদিনের অসুস্থতা কাটিয়ে আবার পর্দায় ফিরছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু। তাঁর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যম হচ্ছে হইচই-এর রহস্যভিত্তিক ওয়েব সিরিজ ‘কালরাত্রি ২’। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কিছুদিন অভিনয় থেকে বিরত ছিলেন, সে কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই জানিয়েছিলেন। ‘কালরাত্রি’-র প্রথম মৌসুম ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর, দ্বিতীয় মৌসুমে সৌমিতৃষার নতুন রূপ দেখার অপেক্ষায় দর্শক।

পুজোর মরসুমে দর্শকের জন্য ‘উৎসবের নতুন গল্প’ নামে বিশেষ কনটেন্ট প্যাকেজ আনছে হইচই। এই সিরিজে ‘ইন্দুবালা’‘দেবী’ চরিত্রগুলিকে আবার দেখা যাবে একদম নতুন মোড়কে। যদিও এই অক্টোবরেই শেষবারের মতো দেখা যাবে এই দুটি চরিত্রকে—ভক্তদের জন্য এটি এক আবেগঘন বিদায়। পুরনো চরিত্রদের বিদায় হলেও একাধিক নতুন মুখ ও গল্প আসছে তাঁদের জায়গা নিতে।

শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়

এবার পুজোয় আসছে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় অভিনীত নতুন হইচই সিরিজ অনুসন্ধান
এবার পুজোয় আসছে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় অভিনীত নতুন হইচই সিরিজ ‘অনুসন্ধান’

‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’-এর বিপুল সাফল্যের পরে শুভশ্রী এবার একেবারে ভিন্ন ধরনের গল্পে। এই নতুন সিরিজের নাম ‘অনুসন্ধান’, যা পরিচালনা করছেন অদিতি রায়। রহস্য-রোমাঞ্চে ভরপুর এই সিরিজ শুভশ্রীর কেরিয়ারে আরও একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় যোগ করতে চলেছে। দর্শক দেখতে পাবেন এক নতুন শুভশ্রীকে—একজন সত্যসন্ধানী নারীর চরিত্রে।

নতুন হরর সিরিজ ‘নিশির ডাক’: ভয়ের নতুন সংজ্ঞা

হইচই হরর সিরিজ ‘নিশির ডাক’-এ থাকছেন সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সৃজা দত্ত
হইচই হরর সিরিজ ‘নিশির ডাক’-এ থাকছেন সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সৃজা দত্ত

হইচইয়ের আসন্ন হরর সিরিজ ‘নিশির ডাক’ ইতিমধ্যেই কৌতূহল উস্কে দিয়েছে। এই সিরিজে প্রথমবার জুটি বাঁধছেন সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সৃজা দত্ত। পরিচালনায় আছেন রহস্য ও থ্রিলার নির্মাণে দক্ষ জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। হাড় হিম করা গল্প, চমকপ্রদ টুইস্ট—সব মিলিয়ে এই সিরিজ হয়ে উঠতে পারে পুজোর অন্যতম আকর্ষণ।

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে প্রতীম ডি. গুপ্ত: ‘কার্মা কোর্মা’

প্রতীম ডি. গুপ্ত পরিচালিত ‘কার্মা কোর্মা’ সিরিজে দেখা যাবে সোহিনী সরকার ও ঋতাভরী চক্রবর্তী-কে
প্রতীম ডি. গুপ্ত পরিচালিত ‘কার্মা কোর্মা’ সিরিজে দেখা যাবে সোহিনী সরকার ও ঋতাভরী চক্রবর্তী-কে

জনপ্রিয় পরিচালক প্রতীম ডি. গুপ্ত এবার আনছেন সাইকোলজিকাল থ্রিলার ‘কার্মা কোর্মা’। মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন সোহিনী সরকারঋতাভরী চক্রবর্তী—দুই শক্তিশালী অভিনেত্রী প্রথমবার একসঙ্গে। মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ও চরিত্রগত ঘনঘটায় ভরপুর এই থ্রিলার একেবারে নতুন স্বাদের। দর্শক এখানে খুঁজে পাবেন মানব মনের অন্ধকার দিকের বিশ্লেষণ।

ফেলুদায় নতুন অধ্যায়: সৃজিতের পরিচালনায় কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়

হইচইতে ফেলুদায় নতুন অধ্যায়ে থাকবেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়
হইচইতে ফেলুদায় নতুন অধ্যায়ে থাকবেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়

ফেলুদার জগতে নতুন সংযোজন হচ্ছে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। পরিচালনায় রয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়। ফেলুদা নিয়ে একাধিকবার কাজ করলেও, এবারের গল্পে থাকবে নতুন চমক ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপন। ফেলুদার নতুন এই অধ্যায় কেবল রহস্যপ্রেমী নয়, সকল বাঙালি দর্শকের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে।

পুজোর স্পেশাল লাইনআপে কারা কারা?

সৌমিতৃষা কুণ্ডু – কালরাত্রি ২

শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় – অনুসন্ধান

সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৃজা দত্ত – নিশির ডাক

সোহিনী সরকার ও ঋতাভরী চক্রবর্তী – কার্মা কোর্মা

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় – ফেলুদা

এছাড়াও নতুন চরিত্র, নতুন গল্পে সাজানো হবে হইচই-এর পুজো স্পেশাল ক্যালেন্ডার।

হইচই-এর ‘দর্শকপ্রিয় মুখ’ ও ‘নতুন কনটেন্ট’ পরিকল্পনা

হইচই বরাবরই দর্শকের রুচি বুঝে কনটেন্ট তৈরি করে। পুরনো প্রিয় মুখদের বিদায় দিয়ে, নতুন গল্প ও চরিত্রের মাধ্যমে নিজেদের কনটেন্ট লাইনআপ আরও সমৃদ্ধ করছে। প্রত্যেক সিরিজের ট্রেলার ও পোস্টার ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। পুজোর মরসুমে ওটিটিতে এই নতুন সিরিজগুলি হতে চলেছে সবচেয়ে বেশি আলোচ্য।

আরও পড়ুনঃ মনামী ঘোষ: পুজোর মিউজিক ভিডিওতে নীল আলতার নতুন ট্রেন্ড

দর্শকের জন্য রইল কিছু এক্সক্লুসিভ তথ্য

‘কার্মা কোর্মা’ এবং ‘নিশির ডাক’-এর পোস্টার প্রথমবার প্রকাশ পেয়েছে ১২ সেপ্টেম্বর। বেশিরভাগ সিরিজ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই মুক্তি পাবে। হইচই পুজো উপলক্ষে সাবস্ক্রিপশনে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে। সৌমিতৃষার প্রত্যাবর্তন পোস্টে লক্ষাধিক লাইক।

আরও পড়ুনঃ নতুন ধারার গল্প নিয়ে ফিরছেন পরিচালক রাজীব বিশ্বাস, রণিতা দাসের সঙ্গে ছোটপর্দায় নতুন জুটি

এই পুজো হইচই-এর লাইনআপ দর্শকদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছে। রহস্য, থ্রিলার, মানসিক টানাপোড়েন, আবেগ, ভয়—সব মিলিয়ে পূর্ণ এক ওটিটি উৎসব অপেক্ষা করছে। প্রিয় তারকারা যেমন ফিরছেন, তেমনই নতুন মুখগুলিও নজর কাড়ছে। এখন দেখার, এত কনটেন্টের মাঝে কোনটি বেশি জায়গা করে নেবে দর্শকের মনে।

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

দুর্গাপুজোর ব্যস্ততার মাঝেও পরিবারকে সময় দিচ্ছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় – কন্যা ইয়ালিনির আদুরে মুহূর্তে মাতোয়ারা নায়িকা

শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়

অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় দুর্গাপুজোর ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারকে সময় দিচ্ছেন। কন্যা ইয়ালিনি ও ছেলে ইউভানের সঙ্গে আদুরে মুহূর্তে ভরপুর তাঁর জীবন।

শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় – ব্যস্ত জীবনের মাঝেও পরিবারের প্রতি সমান মনোযোগ

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় শুধু সিনেমায় নয়, বাস্তব জীবনেও একজন নিবেদিতপ্রাণ মা এবং স্ত্রী। দুর্গাপুজো হোক কিংবা কোনও বড় ইভেন্ট—প্রতিনিয়তই তাঁকে দেখা যায় ব্যস্ততার মধ্যে। সম্প্রতি তিনি একদিকে যেমন সিনেমার প্রচার, বিজ্ঞাপন শুটিং, এবং আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘অনুসন্ধান’-এর কাজে ডুবে আছেন, অন্যদিকে পরিবারকেও সময় দিতে ভোলেন না।

অনেকের প্রশ্ন ছিল—“এত ব্যস্ততার মধ্যে তিনি কি আদৌ সন্তানদের সময় দিতে পারেন?” এর উত্তর মিলেছে তাঁর নতুন ভিডিয়োতে, যেখানে ফুটে উঠেছে মা-মেয়ের একান্ত সময়।

শুভশ্রীর ব্যস্ত দিনপঞ্জি

  1. ‘ধূমকেতু’র প্রচার – দুর্গাপুজোর আগে থেকেই টানা ব্যস্ততা।
  2. বিজ্ঞাপনের শুটিং – নামী ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত।
  3. ওয়েব সিরিজ ‘অনুসন্ধান’ – নতুন চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তুতি।
  4. ফিটনেস রুটিন – প্রতিদিন শরীরচর্চা তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
  5. পরিবারের জন্য সময় – ব্যস্ততার মাঝেও ছেলে ইউভান এবং কন্যা ইয়ালিনির জন্য আলাদা সময় রাখেন।

মা হিসেবে শুভশ্রীর জীবন

শুভশ্রী শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি দুই সন্তানের মা। ছেলে ইউভান এবং মেয়ে ইয়ালিনি তাঁর জীবনের কেন্দ্রবিন্দু।

  • কাজ থেকে ফেরার পর তিনি চেষ্টা করেন ফোন থেকে দূরে থাকতে
  • সন্তানদের সঙ্গে খেলাধুলা করা, কথা বলা, গল্প শোনা—সবই তাঁর রুটিনের অংশ।
  • তিনি বিশ্বাস করেন, কাজ এবং পরিবার—দুটিকে সামঞ্জস্য রেখে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তুন ভিডিয়ো – মা-মেয়ের খুনসুটি

বৃহস্পতিবার সকালে শুভশ্রী তাঁর কন্যা ইয়ালিনির সঙ্গে একটি আদুরে ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে—

  • আধো আধো কথা বলতে শিখছে ইয়ালিনি।
  • নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম বলতে শিখে গেছে।
  • মায়ের কোলে বসে একের পর এক নাম আওড়ে যাচ্ছে ছোট্ট ইয়ালিনি।
  • মা শুভশ্রীও বারবার মেয়েকে ডাকছেন এবং আদর করছেন।
  • ইউভানও পাশে থেকে বোনকে খুনসুটি করছে।

এই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তরা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন শুভশ্রীকে।

ইয়ালিনির আদুরে মুহূর্ত

  • কিছুদিন আগে দেখা গিয়েছিল, মায়ের জুতো পরে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছে ছোট্ট ইয়ালিনি।
  • সে মায়ের প্রতিটি কাজ কৌতূহল নিয়ে অনুসরণ করে।
  • শুভশ্রী প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের কাণ্ডকারখানা শেয়ার করেন।

ইয়ালিনি নভেম্বর মাসে দুই বছরে পা দেবে। ইতিমধ্যেই সে পরিবারের সবার আদরের মণি হয়ে উঠেছে।

র্ণতা খুঁজে পান পরিবারে

শুভশ্রীর জীবন এখন সম্পূর্ণ তাঁর দুই সন্তান এবং স্বামীকে ঘিরে।

  • স্বামী রাজ চক্রবর্তী – বাংলা ইন্ডাস্ট্রির নামী পরিচালক।
  • ছেলে ইউভান – বোনকে সারা ক্ষণ আদর করে।
  • কন্যা ইয়ালিনি – মায়ের ছায়া হয়ে বড় হচ্ছে।

পরিবারের সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তগুলোই শুভশ্রীর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।

আরও পড়ুনঃ নেপালে অশান্তি: ‘ব্ল্যাক ডে’ বললেন মনীষা কৈরালা

ক্যারিয়ার এবং পরিবার – কীভাবে ব্যালান্স করছেন শুভশ্রী?

শুভশ্রী একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন –

  • “কাজ আমার প্যাশন, কিন্তু পরিবার আমার শক্তি।”
  • “শুটিং বা প্রমোশন যতই থাকুক, বাড়ি ফেরার পর আমি শুধু মা।”
  • “আমার সন্তানদের শৈশবকে আমি মিস করতে চাই না।”

তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে ভক্তদের কাছে বিশেষ করে তোলে।

বিশ্লেষণ – শুভশ্রীর জীবনযাপন থেকে শেখার বিষয়

  1. Work-Life Balance – ক্যারিয়ার ও পরিবারকে একসঙ্গে সামলানো।
  2. Priorities Clear – কাজের পাশাপাশি সন্তানদের অগ্রাধিকার দেওয়া।
  3. Self-Discipline – রুটিন মেনে চলা।
  4. Social Media ব্যবহার – ব্যক্তিগত মুহূর্ত শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত থাকা।
  5. Positive Parenting – সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা।

আরও পড়ুনঃ দেবের রঘু ডাকাত: পুজোতেই বড়পর্দায় আসছে টলিউড সুপারস্টারের নতুন চমক

পয়েন্ট আকারে সংক্ষেপে পুরো কনটেন্ট

  • ✅ দুর্গাপুজোর সময় সিনেমা ও ওয়েব সিরিজের কাজে ব্যস্ত শুভশ্রী।
  • ✅ ‘ধূমকেতু’ প্রমোশন, বিজ্ঞাপন ও ‘অনুসন্ধান’-এর কাজে দিন কাটছে।
  • ✅ এর মাঝেও কন্যা ইয়ালিনি ও ছেলে ইউভানকে সময় দেন।
  • ✅ ফোন দূরে রেখে বাড়ি ফেরার পর সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটান।
  • ✅ নতুন ভিডিয়োতে দেখা গেল মা-মেয়ের খুনসুটি।
  • ✅ ইয়ালিনি শিখেছে নিজের নাম ও বাবা-মায়ের নাম বলতে।
  • ✅ নভেম্বর মাসে দু’বছরে পা দেবে ইয়ালিনি।
  • ✅ ইউভান বোনকে সারা ক্ষণ আদর করে।
  • ✅ স্বামী, ছেলে ও কন্যাকে নিয়ে পরিপূর্ণ শুভশ্রীর জীবন।

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

Kumar Sanu: কুমার শানুর সঙ্গে কুনিকা সদানন্দের অতীত প্রেম নিয়ে নতুন বিতর্ক, মুখ খুললেন ছেলে অয়ান

Kumar Sanu with his wife Kunickaa Sadanand

Kumar Sanu: অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দ ‘বিগ বস ১৯’-এ স্বীকার করেছেন কুমার শানুর সঙ্গে তাঁর প্রেমের কথা। এবার ছেলেও জানালেন চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানুন পুরো ঘটনা।

বলিউডের আভিজাত্যের আলোয় ঝলমলে মুখগুলির পেছনে লুকিয়ে থাকে অজস্র না বলা গল্প। সেই সব গল্পেরই এক টুকরো হলো অভিনেত্রী কুনিকা সদানন্দের (Kunickaa Sadanand) জীবন। একসময় গায়ক কুমার শানুর (Kumar Sanu) সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে এই সম্পর্ক নিয়ে ফিসফাস শোনা গেলেও, এবার কুনিকা নিজেই মুখ খুললেন।

‘বিগ বস ১৯’-এর ঘরে প্রবেশ করে তিনি জানালেন—কুমার শানুর (Kumar Sanu) সঙ্গে তাঁর ছিল এক গভীর কিন্তু বিষাক্ত প্রেম। এই স্বীকারোক্তি সামনে আসতেই ফের আলোচনায় চলে এসেছে তাঁদের পুরনো সম্পর্ক। শুধু তাই নয়, এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কুনিকার ছেলে অয়ান লালও।

কুমার শানুর (Kumar Sanu) সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কুনিকার দাবি

কুনিকা (Kunickaa Sadanand) জানান, তাঁর জীবনে কুমার শানু (Kumar Sanu) ছিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ।

তিনি মনে করতেন, শানুই তাঁর আত্মার সঙ্গী।

তবে সময়ের সঙ্গে বুঝেছিলেন, সেই প্রেম ছিল অত্যন্ত জটিল ও বিষাক্ত।

কুনিকার ভাষায়, “এমন প্রেম জীবনে একবার হলেও হওয়া উচিত, যদিও সেটা আমার জীবনে ভীষণ কষ্টকর ছিল।”

Kumar Sanu's wife Kunickaa Sadanand
Kumar Sanu’s wife Kunickaa Sadanand

অয়ানের বক্তব্য: ভুল ধারণা ভাঙলেন ছেলে

অভিনেত্রীর ছেলে অয়ান লাল এক সাক্ষাৎকারে বলেন,

অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর মা নাকি ২৭ বছর ধরে কুমার শানুর (Kumar Sanu) সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন।

কিন্তু সেটা ভুল খবর। সত্যি হলো—মায়ের বয়স যখন ২৭, তখনই তিনি শানুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান।

অয়ান জানিয়েছেন, তিনি কখনও সরাসরি গায়কের সঙ্গে দেখা করেননি।

তবে গায়কের ছেলে জান শানুর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল।

শিল্পী বনাম মানুষ: কুনিকার (Kunickaa Sadanand) আজকের দৃষ্টিভঙ্গি

অয়ান আরও জানান—

তাঁর মা এখনও শিল্পী হিসেবে কুমার শানুকে (Kumar Sanu) পছন্দ করেন, তাঁর গানও শোনেন।

কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর প্রতি আর কোনও ভালোবাসা নেই।

অয়ানের স্পষ্ট মন্তব্য, “আমার মা প্রেমে আসক্ত হওয়ার মতো মানুষ নন। তিনি বাস্তববাদী।”

বিগ বস ১৯-এ খোলামেলা স্বীকারোক্তি

‘বিগ বস’-এর আসরে কুনিকা খোলাখুলি বলেছেন অতীত প্রেম নিয়ে।

তাঁর মতে, শোবিজের চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে এমন অনেক কাহিনি যা প্রকাশ্যে আসে না।

দর্শকেরা তাঁর এই খোলামেলা স্বভাবকে সাধুবাদ জানালেও, সম্পর্কের অতীত কাহিনি নিয়ে আবারও নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়: দক্ষিণ কলকাতার কাউন্সিলর থেকে টলিউডের নায়িকা

প্রেম থেকে শিক্ষা

কুনিকার মতে,

প্রেম যতই তিক্ত হোক না কেন, জীবনে সেই অভিজ্ঞতা জরুরি।

কারণ, এমন অভিজ্ঞতা মানুষকে পরিণত হতে শেখায়।

তিনি জানান, “আমি ওই মানুষটাকে আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে বুঝেছি, সবকিছুই খুব বিষাক্ত ছিল।”

আরও পড়ুনঃ কাজল ফিরছেন হটস্টারের The Trial Season 2-এ, আইনজীবী নয়নিকা সেনগুপ্তর ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেত্রীকে

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু কুনিকা

গায়ক কুমার শানুর (Kumar Sanu) ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্ক অতীতেও শিরোনামে এসেছে।

কুনিকার এই প্রকাশ্যে স্বীকারোক্তি আবারও সেই অধ্যায়কে সামনে এনে দিয়েছে।

বর্তমানে তিনি ‘বিগ বস’-এর ঘরে থেকে দর্শকদের সামনে নিজের অতীত তুলে ধরছেন, যা তাঁর ভক্তদের কাছে নতুন আলোচনার বিষয়।
কুমার শানুর (Kumar Sanu) সঙ্গে কুনিকা সদানন্দের প্রেমের গল্প আজ ইতিহাস। কিন্তু সেই গল্পের টুকরোগুলো এখনও রয়ে গেছে আলোচনায়। অভিনেত্রী মনে করেন, তাঁর জীবনের সেই অধ্যায় তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে। আর অয়ানের ভাষায়—শিল্পী হিসেবে শানু যতোই মহান হোন না কেন, ব্যক্তি হিসেবে তাঁর জায়গা আর নেই তাঁদের জীবনে।

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

নন্দনে ছবির জায়গা না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty) – সরকারের কোপের শিকার অভিনেত্রী?

সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty) অভিযোগ তুললেন, তাঁর সাম্প্রতিক ছবি ‘আপিস’ ও ‘অহনা’ নন্দনে জায়গা পায়নি। সরকারি কোপের কারণেই কি বাংলা সিনেমা ও নাটকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন?

বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় মুখ সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty) সম্প্রতি তোপ দাগলেন নন্দন ও সরকারি সাংস্কৃতিক পরিসরের বিরুদ্ধে। একাধিক ছবিতে অভিনয় করেও তাঁর কাজ নাকি নন্দনের পর্দায় পৌঁছয়নি। শুধু তাই নয়, সরকারি হলে তাঁর নাটকও জায়গা পাচ্ছে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিনেত্রী জানান, এ ঘটনা নিছক কাকতালীয় নয়, বরং এর পিছনে সরকারি কোপ কাজ করছে বলে তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস।

অভিনেত্রীর নন্দনে জায়গা না পাওয়া ছবি

  1. ‘আপিস’ – সুদেষ্ণা রায়ের (Sudeshna Roy) পরিচালনায় নির্মিত এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সুদীপ্তা (Sudipta Chakraborty)। কিন্তু নন্দনে জায়গা মেলেনি।
  2. ‘অহনা’ – পরিচালক প্রমিতা ভৌমিকের ছবি, যেটি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হলেও নন্দন বা সরকারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি।

অভিনেত্রীর আক্ষেপ – “ছবিগুলো আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হচ্ছে, অথচ নিজের রাজ্যে সরকারি হলে জায়গা পাচ্ছে না। তাহলে নন্দনের উদ্দেশ্যই বা কী?”

সরকারি কোপের অভিযোগ

অভিনেত্রীর দাবি, গত এক বছরে তাঁর কোনও বাংলা নাটক বা সিনেমা সরকারি হলে মুক্তি পায়নি।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “পুরোটাই কি কাকতালীয়? নাকি প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হওয়ার ফল?”

উল্লেখ্য, আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যের বেশ কিছু শিল্পী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। এরপর থেকেই তাঁদের অনেককে সরকারি মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না বলে কানাঘুষো চলছে টলিপাড়ায়।

সুদীপ্তা চক্রবর্তী (Sudipta Chakraborty)

ক্ষোভ উগরে দিলেন সুদীপ্তা ((Sudipta Chakraborty)

সুদীপ্তার (Sudipta Chakraborty) ভাষায় –

“খাঁড়া সরে গেলে এই প্রশ্ন তুলতাম? শাপমুক্ত হইনি বলেই ছবি বা নাটক সরকারি হলে জায়গা পাচ্ছে না।”

“নন্দন তৈরি হয়েছিল ছোট প্রযোজক ও স্বাধীন পরিচালকদের ছবির জন্য। আজ যদি তাঁদেরই সুযোগ না দেওয়া হয়, তবে নন্দনের অস্তিত্বের মানেই বা কী?”

দ্বিচারিতার অভিযোগ

আশ্চর্যজনকভাবে, ‘আপিস’-এর পরিচালক সুদেষ্ণা রায় নন্দনের ছবি নির্বাচন কমিটির অন্যতম সদস্য। অথচ তাঁর ছবিই নন্দনে জায়গা পায়নি।

এ প্রসঙ্গে সুদীপ্তার মন্তব্য – “ফেডারেশনের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ানোর জন্যই কোপ পড়েছে। এর থেকে হাস্যকর আর কিছু হতে পারে না।”

আরও পড়ুনঃ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত অভিনেত্রী সায়ন্তনী মল্লিক, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা

দেবের প্রসঙ্গ তুললেন

অভিনেত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে সাংসদ-অভিনেতা দেবের প্রসঙ্গও।

তিনি বলেন, “দেবের ছবি নন্দনে না দেখালেও তাঁর হাতে প্রথম সারির প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে। কিন্তু প্রমিতা ভৌমিকের মতো নতুন পরিচালকের সেই সুযোগ নেই। তার মানে সাধারণ মানুষ তাঁর পরিশ্রমের ছবি দেখতে পাবেন না?”

নাটকের মঞ্চ থেকেও বঞ্চনা

শুধু সিনেমা নয়, সুদীপ্তার (Sudipta Chakraborty) কোনও নাটকও নাকি সরকারি মঞ্চে জায়গা পাচ্ছে না।
অভিনেত্রীর কটাক্ষ –

“কাকে বললে কাজ হবে জানি না। সরকারের সঙ্গে আমার ওঠাবসা নেই। তাই বঞ্চিত হচ্ছি।”

বিশ্লেষণ

সুদীপ্তার (Sudipta Chakraborty) বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি মনে করছেন সরকারের নীতিগত কারণে তাঁকে প্রান্তিক করা হচ্ছে।

স্বাধীন পরিচালকদের ছবি যদি নন্দনেই জায়গা না পায়, তবে এর উদ্দেশ্য প্রশ্নের মুখে।

সরকারি অনুষ্ঠানে বা হলে নামকরা অভিনেতাদের বর্জন করার প্রবণতা শিল্প ও সংস্কৃতির পরিসরে বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত তৈরি করছে।

আরও পড়ুনঃ নেপালের অস্থির পরিস্থিতি ঘিরে উদ্বিগ্ন অভিনেত্রী প্রাজক্তা কোলি, বাতিল করলেন সফর

সম্ভাব্য প্রভাব

  1. এই অভিযোগ আরও বেশি করে শিল্পীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াতে পারে।
  2. স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও নাট্যকাররা যদি সরকারি হলে জায়গা না পান, তবে তাঁদের কাজ দর্শকের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ হারাবে।
  3. সাংস্কৃতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক প্রভাব ও সেন্সরশিপের প্রশ্ন আরও জোরদারভাবে সামনে আসবে।

সুদীপ্তা চক্রবর্তীর (Sudipta Chakraborty) ক্ষোভ প্রকাশে আবারও সামনে এল বাংলা চলচ্চিত্র ও নাটকের সরকারি মঞ্চে বঞ্চনার চিত্র। নন্দন কি সত্যিই স্বাধীন চলচ্চিত্র ও শিল্পীদের জায়গা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে? নাকি এটি রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া শিল্পীদের শাস্তি দেওয়ার একটি অঘোষিত নীতি?
উত্তর সময়ই দেবে। তবে আপাতত সুদীপ্তার তির সরাসরি নন্দন ও সরকারি নীতির দিকে।

অবশ্যই দেখবেন

বিষয়লিংক
বলিউডBollywood News
টলিউডTollywood News
সিরিয়ালSerial News

আমাদের পেজ টিকে ফলো করুনঃ Facebook

টাইমস স্কোয়ার দুর্গাপুজোর মিউজিক ভিডিওয় তারকাদের জমজমাট উপস্থিতি, ঋতুপর্ণা থেকে শ্রীময়ী সকলের নজর কাড়লেন

টাইমস স্কোয়ার দুর্গাপুজোর মিউজিক ভিডিওয় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শ্রীময়ী চট্টরাজ, চৈতি ঘোষাল সহ তারকাদের উজ্জ্বল উপস্থিতি। বিজলী সিনেমা হলে লঞ্চ ইভেন্টে ঢাকের তালে নাচলেন মদন মিত্র।

উৎসবের আমেজে নতুন মিউজিক ভিডিও

শারদ উৎসবের আগে কলকাতার বুকে যেন শুরু হয়ে গেছে এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস। দুর্গাপুজোকে ঘিরে প্রকাশিত হয়েছে টাইমস স্কোয়ার দুর্গাপুজো মিউজিক ভিডিও, যা ইতিমধ্যেই দর্শকের নজর কেড়েছে। এই ভিডিওতে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের একঝাঁক জনপ্রিয় তারকা। বিশেষ করে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শ্রীময়ী চট্টরাজ ও চৈতি ঘোষালের পারফরম্যান্স দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।

বিজলী সিনেমা হলে জমকালো লঞ্চ

ভিডিওটির অফিসিয়াল লঞ্চ হয় বিজলী সিনেমা হলে। সেদিন পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। ঢাকের তালে তাল মিলিয়ে নাচলেন উপস্থিত শিল্পীরা। এমনকি এই আনন্দে সামিল হন রাজনীতিক মদন মিত্রও। তাঁর প্রাণবন্ত নাচে অনুষ্ঠানের আবহ হয়ে ওঠে আরও রঙিন।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত: কেন্দ্রবিন্দুতে নায়িকা

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বাংলা চলচ্চিত্রের এক অমূল্য সম্পদ। তাঁর উপস্থিতিই যেন উৎসবকে অন্য মাত্রা দেয়। এই মিউজিক ভিডিওয়ও তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় আকর্ষণ। চিরচেনা সৌন্দর্য ও নাচের ভঙ্গিমায় তিনি মুগ্ধ করেছেন সকলকে।

শ্রীময়ী চট্টরাজের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স

ভিডিওতে নজর কাড়েন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। ছোটপর্দা থেকে বড় পর্দা—সব জায়গাতেই যিনি সমান সফল। এখানে তাঁর প্রাণবন্ত নাচ ও হাসি দর্শকদের মন জয় করেছে।

লঞ্চ ইভেন্টে তিনি আবার খুনসুটি করলেন মদন মিত্রকে নিয়ে। নেতার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মজা করে বলেন—
“আমরা কিন্তু এই ভিডিওতে মদনদাকে খুব মিস করেছি। একবার যদি তাঁর উপস্থিতি পেতাম, তাহলে পরিবেশ আরও জমে যেত। আমি এখন বিবাহিত হলেও ভালোবাসার জায়গায় কোনও কমতি নেই। মদনদাকে যতবার দেখি, মনটা ততবারই রঙিন হয়ে ওঠে।”

এই মন্তব্যে উপস্থিত সকলেই হাততালি দেন। মদন মিত্রও শ্রীময়ীর প্রশংসা শুনে খুশি মনে জানান, ভিডিওটি তাঁর ভীষণ ভালো লেগেছে।

কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ীর chemistry

ভিডিও লঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী। তাঁদের মধ্যে মিষ্টি সম্পর্ক প্রায়ই আলোচনায় আসে। এদিন লঞ্চ ইভেন্টে কাঞ্চনকে দেখা যায় শ্রীময়ীর গালে চুমু খেতে। উপস্থিত ভক্ত ও সাংবাদিকরা সেই দৃশ্যকে মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি করেন। তাঁদের chemistry অনুষ্ঠানটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

চৈতি ঘোষালের সৌন্দর্য

চৈতি ঘোষালও ছিলেন এই মিউজিক ভিডিওর অন্যতম আকর্ষণ। তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত নাচ ও উপস্থিতি দর্শকের কাছে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।

ঋতুপর্ণা ও শ্রীময়ীর প্রথম কাজ একসঙ্গে

অনেকদিন ধরেই ভক্তরা জানতে চাইছিলেন—কবে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও শ্রীময়ী চট্টরাজকে একসঙ্গে দেখা যাবে? অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান হলো। দুর্গাপুজোর আগে এই ভিডিওতে তাঁদের একসঙ্গে নাচ ভক্তদের মন ভরিয়ে দিয়েছে।

শুধু পেশাগত ক্ষেত্রেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও শ্রীময়ী ও কাঞ্চন মল্লিক নাকি ঋতুপর্ণার পারিবারিক বন্ধু। প্রায়ই দেখা যায় তাঁদের নায়িকার বাড়ির নানা উৎসবে। ফলে এই সহযোগিতা অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল।

শ্রীময়ীর ব্যক্তিগত দিক

শ্রীময়ী চট্টরাজ বাংলা ধারাবাহিক জগতের এক জনপ্রিয় মুখ। তবে বর্তমানে তিনি সিরিয়াল থেকে বিরতি নিয়েছেন। সময় দিচ্ছেন পরিবার ও বিশেষ করে তাঁর মেয়েকে বড় করে তোলার জন্য। তবে অভিনয় থেকে পুরোপুরি সরে আসেননি তিনি। বরং দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কবে তাঁকে নতুন কোনো বড় প্রজেক্টে দেখা যাবে।

ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার ঢেউ উঠেছে। ভক্তরা লিখেছেন—

  • “দুর্দান্ত নাচ ও ভিজ্যুয়াল।”
  • “ঋতুপর্ণা দিদি যেন আজও সমান উজ্জ্বল।”
  • “শ্রীময়ী আর কাঞ্চনের chemistry অসাধারণ।”

দুর্গাপুজোর আগে এই ভিডিও দর্শকদের মনে উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাংলা চলচ্চিত্র ও সংগীত জগতে বর্তমানে মিউজিক ভিডিওর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষত দুর্গাপুজোর মতো উৎসবকেন্দ্রিক গান দর্শকের কাছে আলাদা আবেদন রাখে। এই ভিডিওও তার ব্যতিক্রম নয়।

টাইমস স্কোয়ার দুর্গাপুজোর মিউজিক ভিডিও শুধু একটি গানের ভিডিও নয়, বরং টলিউডের তারকাদের এক অনন্য মিলনক্ষেত্র। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সৌন্দর্য, শ্রীময়ী চট্টরাজের প্রাণবন্ত পারফরম্যান্স, কাঞ্চন মল্লিকের মিষ্টি মুহূর্ত, চৈতি ঘোষালের উপস্থিতি আর মদন মিত্রর নাচ—সব মিলিয়ে ভিডিওটি হয়ে উঠেছে সত্যিকারের উৎসবের প্রতিচ্ছবি।

দর্শকরা যেমন মুগ্ধ হয়েছেন, তেমনি প্রতীক্ষায় রয়েছেন ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও জমকালো মিউজিক ভিডিওর জন্য।

টলিউডের হিট জুটি কোয়েল-জিৎ: সিনেমা থেকে ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের অজানা গল্প

কোয়েল মল্লিক ও জিতের টলিউড জুটি দর্শকের প্রিয়। ‘নাটের গুরু’ থেকে শুরু করে ‘শেষ থেকে শুরু’—সব ছবিতেই তাঁদের অন-স্ক্রিন রসায়ন হিট ও ভাইরাল হয়েছে।

টলিউডের রোম্যান্সে যদি সোনালি অধ্যায়ের নাম লিখতে হয়, তবে নিঃসন্দেহে সেখানে থাকবে কোয়েল মল্লিক ও জিৎ-এর নাম। তাঁদের প্রথম ছবি ‘নাটের গুরু’ (২০০৩) থেকেই শুরু হয় এক জাদুকরী যাত্রা। দর্শক তাঁদের রসায়নে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে, একের পর এক ছবি হিট হতে থাকে। তবে শুধু অন-স্ক্রিন নয়, অফ-স্ক্রিন সম্পর্কও তাঁদের নিয়ে কৌতূহল তৈরি করেছে দর্শকের মনে।

শুরুটা ‘নাটের গুরু’ দিয়ে

কোয়েল মল্লিক প্রথমবার টলিউডে পা রাখেন ‘নাটের গুরু’ ছবির মাধ্যমে। তাঁর বিপরীতে ছিলেন ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠা অভিনেতা জিৎ, যিনি ‘সাথী’ সিনেমা দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন।
‘নাটের গুরু’-তে কোয়েল-জিতের জুটি দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। ছবিটি ব্লকবাস্টার হিট হয় এবং এখান থেকেই শুরু হয় তাঁদের অনবদ্য অন-স্ক্রিন কেমিস্ট্রির যাত্রা।

একের পর এক হিট সিনেমা

‘নাটের গুরু’-এর পর একাধিক ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেন কোয়েল ও জিৎ। ‘মানিক’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘হিরো’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘১০০% লাভ’—প্রতিটি ছবিই দর্শকের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। তাঁদের জুটি হয়ে ওঠে টলিউডের বাণিজ্যিক ছবির সফল সমীকরণ।

দর্শকদের কাছে এই জুটি শুধু সিনেমার চরিত্র নয়, একপ্রকার আবেগে পরিণত হয়। সিনেমা মুক্তি পেলেই দর্শক হলভর্তি করে তাঁদের দেখতে ছুটে আসতেন।

জিতের চোখে কোয়েল

অনেকেই ভেবেছিলেন, বারবার একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে হয়তো কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে তাঁদের মধ্যে। তবে জিৎ এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি পরিষ্কার করেছিলেন। তাঁর কথায়—
“কোয়েল আমার খুব কাছের বন্ধু। শুধু পেশাদার সম্পর্ক নয়, তিনি পরিবারের মতোই। আমাদের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা ঝামেলা তৈরি হয়নি। বরং আমরা একসঙ্গে কাজ করতে আনন্দ পাই।”

শুটিং সেটে নাকি সর্বক্ষণ ঠাট্টা-আড্ডায় মেতে থাকেন তাঁরা। জিতের মতে, কোয়েলের উপস্থিতি সেটে পরিবেশকে সবসময় প্রাণবন্ত করে তোলে।

ভুল হলে কী করেন জিৎ?

সাক্ষাৎকারে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন—“যদি কখনো কোয়েল কোনো ভুল করেন?”
এর উত্তরে জিৎ হেসে বলেছিলেন—
“কোয়েল খুবই মনোযোগী অভিনেত্রী। ভুল হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে যদি কখনো এমন কিছু হয়, আমি কখনোই প্রকাশ্যে কিছু বলব না। বিষয়টি ব্যক্তিগত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করব।”

এই উত্তরে স্পষ্ট, কোয়েল ও জিতের সম্পর্ক শুধু সহঅভিনেতা-অভিনেত্রী নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে।

কোয়েলের চোখে জিৎ

অন্যদিকে কোয়েল মল্লিকও একাধিকবার জানিয়েছেন যে জিতের সঙ্গে কাজ করতে তাঁর আলাদা স্বাচ্ছন্দ্য আছে। তাঁর কথায়—
“জিতের সঙ্গে কাজ করা খুব সহজ। তিনি সবসময় সহযোগিতাপূর্ণ। আমার কাছে জিৎ হলেন একপ্রকার জ্ঞানের গুরু। আমরা প্রথম ‘নাটের গুরু’-তে একসঙ্গে কাজ শুরু করি, আর সেখান থেকেই আমি তাঁকে এভাবেই দেখি।”

কোয়েলের মতে, জিৎ শুধু পর্দার নায়ক নন, বাস্তব জীবনেও তিনি অত্যন্ত জ্ঞানী ও পরিপক্ব মানুষ।

তাঁদের শেষ ছবি: ‘শেষ থেকে শুরু’

জিৎ-কোয়েলের সর্বশেষ ছবি ছিল ‘শেষ থেকে শুরু’ (২০১৯)। ছবিটি বক্স অফিসে সফল হয় এবং তাঁদের জুটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ যে এখনো অটুট, সেটি আবার প্রমাণিত হয়। সিনেমায় তাঁদের অভিনয় ও আবেগঘন কাহিনি দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়।

তবে এই ছবির পর থেকে তাঁরা আর একসঙ্গে কোনো সিনেমায় কাজ করেননি। তাই ভক্তরা এখনো প্রতীক্ষায় রয়েছেন—কবে আবার ফিরে আসবে এই জুটি।

অফ-স্ক্রিন সম্পর্কের সমীকরণ

টলিউডের অনেক গ্ল্যামারাস জুটির মতো নয়, কোয়েল-জিতের অফ-স্ক্রিন সম্পর্ক খুব সহজ-সরল। তাঁদের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব, শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া।
শুটিং সেটে দু’জনের মজাদার সম্পর্ক অনেক সময় সহকর্মীরাও লক্ষ্য করেছেন।

কোয়েলের কথায়, “আমাদের বন্ধুত্ব কাজেও প্রতিফলিত হয়। একসঙ্গে থাকলে কাজ করতে কোনো চাপ অনুভব করি না।”

কোয়েলের বর্তমান অবস্থান

বর্তমানে কোয়েল মল্লিক টলিউডে বেছে বেছে কাজ করছেন। মাতৃত্ব ও ব্যক্তিগত জীবন সামলিয়ে তিনি এখন বিশেষ কিছু প্রজেক্টেই সাইন করেন। তাঁর ক্যারিয়ারের দুই দশকের বেশি সময় পার হয়ে গেছে, তবুও আজও তিনি সমান জনপ্রিয়।

জিতের বর্তমান অবস্থা

অন্যদিকে জিৎও কিছুটা বিরতিতে আছেন। তিনি প্রযোজক হিসেবেও কাজ শুরু করেছেন। মাঝে মধ্যে অভিনয় করলেও এখন তিনি সময় নিচ্ছেন নিজের প্রজেক্ট বাছাই করার ক্ষেত্রে।

দর্শকদের কাছে জিৎ-কোয়েল জুটি এখনো এক অনন্য আবেগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তরা বারবার দাবি করেন, তাঁরা যেন আবারও একসঙ্গে বড়পর্দায় ফেরেন।
‘নাটের গুরু’ থেকে ‘শেষ থেকে শুরু’—প্রতিটি ছবিই তাঁদের জুটিকে জনপ্রিয়তার শিখরে নিয়ে গেছে। তাই টলিউডপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাঁদের কামব্যাকের জন্য।

কোয়েল মল্লিক ও জিৎ শুধু পর্দায় নয়, দর্শকের হৃদয়েও তৈরি করেছেন অমলিন ছাপ। তাঁদের জুটি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সফল সমীকরণ। অন-স্ক্রিন রোম্যান্স থেকে অফ-স্ক্রিন বন্ধুত্ব—সব জায়গাতেই তাঁদের বোঝাপড়া প্রশংসনীয়।


যদিও বর্তমানে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করছেন না, তবে টলিউড ভক্তরা এখনো প্রত্যাশায় দিন গুনছেন—কবে আবার পর্দায় ফিরবে এই কিংবদন্তি জুটি।

দুর্গাপুজোয় শহরে ফেরেন গায়ক জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, নতুন গান নিয়ে ফিরছেন আলোচনায়

দুর্গাপুজোয় নিজের শহরে ফিরে পরিবার ও স্মৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে চান গায়ক জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়; নতুন আগমনী গান নিয়ে উৎসবকে আরও অর্থবহ করতে ব্যস্ত তিনি।

বরাহনগরের ছেলে এবং জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Jeet Gannguli), বর্তমানে মায়ানগরী মুম্বইয়ে বসবাস করলেও, দুর্গাপুজোর সময় বারবার তাঁর জন্মশহর কলকাতা তাঁকে টেনে আনে। বছরের বেশির ভাগ সময় দেশের বাইরে বা অন্য শহরে অনুষ্ঠান থাকলেও, পুজোর চারটি দিন তিনি চেষ্টা করেন কলকাতায় ফিরতে। যদিও অনেক সময় বিদেশে শো থাকায় তাঁর শহরে আসা সম্ভব হয় না, তবুও মা ছেলের অপেক্ষায় দিন গোনেন।

জিৎ জানান, “আমাদের আলমবাজারের বাড়ি থেকে পুজোর সময় হাঁটতে হাঁটতে দক্ষিণেশ্বর, উত্তরপাড়া, হিন্দমোটরের প্যান্ডেল দেখতে যেতাম। বালি ব্রিজে কতবার যে হেঁটেছি!” সেই স্মৃতিই এখন তাঁর হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে অনেক সময় সরাসরি শো করতে চলে যাই। মাঝে মাঝে মনে হয় যদি বালি ব্রিজে নেমে একটু দাঁড়াতে পারতাম!”

স্ত্রী চন্দ্রাণী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে বহুদিন মুম্বইয়ে সংসার পেতেছেন জিৎ। পুজোর সময় অত বেশি প্রেমপ্রকাশ না করলেও স্ত্রীকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবেসেছেন তিনি। এমনকি এক পুজোয় স্ত্রীকে উপহার দিতে পারেননি। তিনি বলেন, “বিয়ের সময় আমি মুম্বইয়ে নিজের জমি খুঁজছিলাম। পকেটে মাত্র আট টাকা। তখন কোনও উপহার দিতে পারিনি। এখন ভাবি, যা হয় সব ভালোর জন্যই হয়।” সেই সময় চন্দ্রাণী একটি বিশেষ উপহার চেয়েছিলেন, যা পরে তিনি পূরণ করেন।

জিৎ স্মৃতিচারণা করেন, “মুম্বইয়ে রগড়া প্যাটি নামে একটা খাবার কিনে দু’জনে ভাগ করে খেতাম। এক পুজোয় চন্দ্রাণী আমাকে বলেছিল বাংলা সিনেমার গান উপহার হিসেবে চায়। পরে আমি তার সে ইচ্ছা পূরণ করেছি। পুজোর প্যান্ডেলে আমার গান বাজছে—এটাই মা-বাবা আর চন্দ্রাণীর কাছে বড় প্রাপ্তি।” বর্তমানে তাঁর রোজগার বেড়েছে, এবং তিনি প্রতি বছর স্ত্রীকে একটি বিশেষ শাড়ি উপহার দেন।

এই বছরের দুর্গাপুজোয়ও নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন জিৎ। তাঁর পাঁচটি নতুন গান মুক্তি পাবে, যার মধ্যে দুটি গান লিখেছেন ও সুর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি সুরুচি সংঘের পুজোর গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন। তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে একটি নতুন আগমনী গান, যার সুর করেছেন জিৎ নিজে এবং লেখা ও গাওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন স্ত্রী চন্দ্রাণী।

দুর্গাপুজো, বাংলা গান, আগমনী গান এবং জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নতুন কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর শহরে ফেরা, পরিবারকে নিয়ে পুজোর আনন্দ এবং নতুন গান দর্শকদের মধ্যে উৎসবের আবহ আরও উজ্জ্বল করবে।

প্রকাশ্যে ‘চোখের নীলে’: আবির-মিমির রোম্যান্টিক কেমিস্ট্রি মাতাল নেটদুনিয়া

থাইল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে মিমি চক্রবর্তীর নীল বিকিনি লুক আর আবির চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রোম্যান্সে মাতলো ‘রক্তবীজ ২’। প্রকাশ্যে এলো নতুন গান ‘চোখের নীলে’

রক্তবীজ ২: অ্যাকশন থেকে রোম্যান্সের ঝলক

টলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘রক্তবীজ ২’ প্রথম থেকেই আলোচনায়। মূল ছবির মতোই এই সিক্যুয়েলে থাকবে দমদার অ্যাকশন, থ্রিলার, রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আর আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমনের গল্প। কিন্তু এবার পরিচালকদ্বয় নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দর্শকদের চমকে দিয়েছেন ভিন্ন এক উপাদানে—রোম্যান্স।

সন্ত্রাসবাদী মুনিরকে ধরতে গিয়ে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী সংযুক্তা ও পঙ্কজ হাত মিলিয়েছিলেন। অ্যাকশনের এই তীব্র আবহেই এবার নতুন মোড়—প্রকাশ্যে এলো ছবির গান ‘চোখের নীলে’, যেখানে বন্দুক নামিয়ে রোম্যান্সে মত্ত হয়েছেন দুই পুলিশ অফিসার।


থাইল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে গ্ল্যামারাস মিমি চক্রবর্তী

গানটির শুটিং হয়েছে থাইল্যান্ডের মনোরম সৈকতে। ঢেউয়ের শব্দ, নীল সমুদ্র আর তার মাঝখানে আবির চট্টোপাধ্যায় ও মিমি চক্রবর্তীর রোম্যান্টিক মুহূর্ত। মিমির নীল বিকিনি লুক ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

গানের ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অনুরাগীদের মধ্যে চর্চা শুরু। কেউ লিখেছেন,
“বলিউডে দীপিকা বা কিয়ারা আছেন, টলিউডে আছেন মিমি।”
আবার কেউ মিমির এই নতুন অবতারের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, টলিউড এখন গ্ল্যামার ও কনটেন্ট—দুটোতেই বলিউডকে টক্কর দিচ্ছে।


আবির-মিমির রসায়ন: দর্শকদের জন্য নতুন চমক

মিমি চক্রবর্তী ও আবির চট্টোপাধ্যায় টলিউডের জনপ্রিয় জুটি। তবে এতটা গ্ল্যামারাস পরিবেশে তাঁদের রোম্যান্টিক দৃশ্য আগে দেখা যায়নি। ‘চোখের নীলে’ গানেই মিলেছে নতুন কেমিস্ট্রি।

গানের লিরিক্স, মিউজিক এবং ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন একেবারেই ফিল্মি কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের। থাইল্যান্ডের সৈকতের প্রেক্ষাপটে শুট হওয়া এই গানটিকে ঘিরেই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় উন্মাদনা তুঙ্গে।


একের পর এক হিট গান: রক্তবীজ ২-এর মিউজিক্যাল যাত্রা

উইন্ডোজ প্রোডাকশন বরাবরই কনটেন্ট-ড্রিভেন সিনেমার জন্য পরিচিত। তবে ‘রক্তবীজ ২’ প্রমাণ করেছে, তাঁরা গানে সমান দক্ষ। একে একে মুক্তি পাওয়া গানগুলো ইতিমধ্যেই হিট।

  • ‘ও বাবুর মা’ – দুই বাংলার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বানানো গানটি মুক্তির পর ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
  • ‘অর্ডার ছাড়া বর্ডার ক্রস করতে যেও না’ – নুসরত জাহানের আইটেম নাম্বার ইতিমধ্যেই চার্টবাস্টার। দর্শকরা গানটির তালে নেচে উঠেছেন।
  • ‘দিওয়ানা বানাইসেন’ – অঙ্কুশ হাজরা ও কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের রোম্যান্টিক ডুয়েট, যা দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে।

এই ধারাবাহিকতায় এবার মুক্তি পেল ‘চোখের নীলে’—যা নিঃসন্দেহে সিনেমার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।


দর্শকদের প্রতিক্রিয়া

গান প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং শুরু হয়। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব সর্বত্রই ভেসে যাচ্ছে মিমির বিকিনি লুক ও আবিরের সঙ্গে রোম্যান্টিক দৃশ্যের স্ক্রিনশট।

এক অনুরাগীর মন্তব্য:
“রক্তবীজ ২ শুধু অ্যাকশন থ্রিলার নয়, এবার পুজোয় রোম্যান্টিক এন্টারটেইনমেন্টও দেবে।”

আরেকজন লিখেছেন:
“মিমির এই রূপ আগে দেখিনি। এবার বক্স অফিস কাঁপাবে।”


পুজোর বক্স অফিসে প্রত্যাশা

দর্শকদের আগ্রহ ও প্রতিক্রিয়া দেখে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট, ‘রক্তবীজ ২’ এই বছরের দুর্গাপুজোর অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে।

টলিউডে সাধারণত পুজোতেই মুক্তি পায় বড় বাজেটের ছবি। এবার আবির-মিমি জুটির রোম্যান্স, নুসরতের আইটেম গান, অঙ্কুশ-কৌশানীর ডুয়েট—সব মিলিয়ে ছবিটি বক্স অফিসে নিশ্চিত হিট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।


মিমির ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায়?

মিমি চক্রবর্তী রাজনৈতিক জীবন ও অভিনয় একসঙ্গে সামলাচ্ছেন। কিন্তু ‘চোখের নীলে’ গানের পর অনেকেই বলছেন, তাঁর গ্ল্যামার ও স্ক্রিন প্রেজেন্স বলিউড ডিভাদের মতোই।

টলিউডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। কিন্তু এই গানের ঝলক দেখে মনে হচ্ছে, মিমি এবার আরও বড় প্ল্যাটফর্মের জন্য প্রস্তুত।


আবিরের ভিন্ন লুক

অন্যদিকে আবির চট্টোপাধ্যায়কে এতটা রোম্যান্টিক ও স্টাইলিশ লুকে খুব একটা দেখা যায়নি। সাধারণত তিনি সিরিয়াস চরিত্রে বেশি অভিনয় করেন। ‘চোখের নীলে’ গানেই মিলেছে তাঁর এক নতুন রূপ—যেখানে প্রেমিক আবির অনায়াসেই দর্শকদের মন জয় করেছেন।


অ্যাকশন, থ্রিলার, সাসপেন্স—সব কিছু মিলিয়ে ‘রক্তবীজ ২’ এবারের দুর্গাপুজোয় দর্শকদের উপহার দেবে ভিন্ন স্বাদের এক সিনেমা। কিন্তু সবকিছুর মাঝে ‘চোখের নীলে’ গানটি প্রমাণ করেছে, শুধু বন্দুকবাজি নয়, আবির-মিমির রোম্যান্টিক রসায়নই ছবির বড় আকর্ষণ হয়ে উঠছে।

দর্শকদের উন্মাদনা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ‘রক্তবীজ ২’ পুজোর বক্স অফিসে দাপট দেখাবে।

মুম্বইয়ে নতুন ইনিংস শুরুতে ব্যস্ত অভিনেত্রী মিশমি দাস

কলকাতা থেকে মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছেন অভিনেত্রী মিশমি দাস। প্রথম কাজ বাতিল হলেও এখন নতুন সুযোগের পথে। জানুন কীভাবে কাটালেন শেষ তিন মাস।

কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে অভিনেত্রী মিশমি দাস

মে মাসের শেষের দিকে কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে পাড়ি দেন অভিনেত্রী মিশমি দাস (Mishmee Das)। নতুন এক হিন্দি ধারাবাহিকে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে শুটিং শুরুর ঠিক দু’দিন আগে সব বাতিল হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তিন মাস অপেক্ষার পর অবশেষে নতুন কাজের সুযোগ এসেছে তাঁর ঝুলিতে।


ভেস্তে যাওয়া প্রথম প্রজেক্ট

আগে জানা গিয়েছিল, লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের হিন্দি ধারাবাহিক ‘ঝনক’-এর নতুন প্রজন্মের গল্পে দেখা যাবে মিশমিকে। কিন্তু অজানা কারণে সেই কাজ আর হয়নি। অভিনেত্রী জানালেন—
“একটা ভাবনা নিয়ে কলকাতা ছাড়ি। কিন্তু পরিকল্পনা মতো কাজ এগোলো না, তাই শুরুতে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছিল।”


মুম্বইয়ে নতুন সুযোগের খোঁজে

মিশমির কথায়, “আগেও মুম্বইয়ে কাজ করেছি। তাই কিছু পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এখানে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলি। অনেক জায়গায় কাজের আলাপও হয়। তবে মুম্বইয়ে আসার সময় কলকাতাতেও বেশ কিছু কাজের অফার ছিল, সেগুলো ছাড়তেই হয়েছিল। সেটাই বড় সিদ্ধান্ত।”

এখন ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন তিনি।


নতুন কাজের ইঙ্গিত

সম্প্রতি অভিনেতা বিবেক দহিয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন মিশমি দাস। জানা গেছে, একটি ছোটগল্পের ছবির শুটিং ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে চান না তিনি। পাশাপাশি চলছে একের পর এক অডিশন।

এই বছর দুর্গাপুজো মুম্বইতেই কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন অভিনেত্রী। তবে তিনি জানিয়েছেন,
“ভালো সুযোগ পেলে অবশ্যই কলকাতাতেও কাজ করব।”


প্রথম প্রজেক্ট বাতিল হলেও মিশমি দাস এখন আরও দৃঢ়। মুম্বইয়ে কাজের নতুন সুযোগ খুঁজে পাওয়ার পাশাপাশি নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টায় ব্যস্ত তিনি। অভিনয় জগতে আরও বড় জায়গা করে নেওয়াই এখন তাঁর লক্ষ্য।