বহুদিন কাজ হয়নি একসঙ্গে। তাই প্রশ্ন—আবীর কি বদলে গেছে? সহ-অভিনেত্রীর নজরে বাহ্যিক ভাবে কিন্তু সে একদম আগের মতোই! ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলেই মানেন তিনি।
শরীরচর্চা, ডায়েট—আগে যা করত না, এখন কি শুরু করেছে? সহ-অভিনেত্রীর মনে তীব্র কৌতূহল। আগের কাজের সময় এর কোনও লক্ষণ ছিল না!
একাধিক ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা বলছে—আবীর নিপাট ভদ্রলোক। দুষ্টুমি নেই, ঝগড়াঝাঁটি নেই। দৃশ্য ভালো করার জন্য সবটুকু সাহায্য করে, আর শুটিং শেষ হলেই সোজা বাড়ি!
ঝগড়ার বদলে মধ্যস্থতা করতে ছুটে যায় আবীর। তবে ভুল করলে, অসন্তোষ থাকলে—মুখের ওপরই ভদ্রভাবে বলে দেয়। দ্বিধান্বিত নয়, স্পষ্টবাদী।
ফ্ল্যাট কিনছেন নায়িকা—আবীরের বুকেই ব্যথা! ‘কেন কিনছিস? টাকা খরচ করার কী দরকার?’—এমনভাবে ভাবে যেন তার টাকাই খরচ হচ্ছে! ঘনিষ্ঠরা সবাই জানেন এই অভ্যাস।
নায়িকা গাড়ি কিনলে আবীরকে খাওয়ায়। কিন্তু কয়েকদিন পরে সে-ও যখন গাড়ি কিনল—খাওয়ানোর কথা ভুলে গেল পুরো! নিজের খরচেও একই কিপটেমি!