তদন্তে মিলল ভয়াবহ তথ্য — ৩২টি গাড়িতে ছিল বিস্ফোরক বোঝাই পরিকল্পনা, একাধিক স্থানে হামলার ছক ফাঁস।
মারুতি ব্রেজা, ডিজায়ার, ইকোস্পোর্ট ও হুন্ডাই i20–এ বিস্ফোরক ভর্তি করে রাখা হয়েছিল সিরিয়াল হামলার উদ্দেশ্যে।
তদন্তে প্রকাশ, হাসপাতাল চক্রের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছিল জঙ্গিদের বিস্ফোরক সরবরাহ ও পরিকল্পনা।
ডিএনএ টেস্টে নিশ্চিত — হামলার মূল হোতা উমর নিজেই বিস্ফোরণে প্রাণ হারায়, পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় মাঝপথে।
ফরিদাবাদ ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ থেকে উদ্ধার হয় বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার, গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত আদিল ও মুজাম্মিল।
পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মোহাম্মদের চক্র ধরা পড়েছে — পেশাদার পরিচয়ে গোপনে গড়ে তুলছিল জঙ্গি নেটওয়ার্ক।